• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • আকাইদ ও নৈতিক জীবন
আকাইদ ও নৈতিক জীবন

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

জনাব আ. রহিম তার একটি ক্লাসে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, মহান আল্লাহ পাক যুগে যুগে কিছু মহামানব পাঠিয়েছিলেন যারা পথভোলা মানুষদেরকে সঠিক পথ দেখাতেন। অপরদিকে জনাব রিফাত তার ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বলেন, পরকালীন জীবনে একটি স্তর আছে যেখানে সকল মানুষ একত্রিত হয়ে আল্লাহর বিচারের অপেক্ষা করবে। এমতাবস্থায় একমাত্র মহানবি (স.) সকলের পক্ষে আল্লাহর নিকট অনুরোধ করার মাধ্যমে বিচার কাজ শুরু হবে। ঐ ক্লাসের এক ছাত্র তমাল বলল, "সেই দিনের মহানবি (স.)-এর অনুরোধ মুসলিম ও মুমিনদের জন্য এক বিশেষ নিয়ামত।"

জনাব রিফাতের আলোচনার বিষয়টি চিহ্নিতপূর্বক তমালের মতামতের মূল্যায়ন করো।

জনাব রিফাতের আলোচনায় হাশর এবং তমালের মন্তব্যে শাফাআতের পরিচয় পাওয়া যায়।

হাশর হলো মহাসমাবেশ। একদিন পৃথিবীর প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত সকল মানুষ একই জায়গায় সমবেত হবে। মানুষের এ মহাসমাবেশকেই হাশর বলে। হাশরের ময়দানে মানুষের সকল কাজ-কর্মের হিসাব নেওয়া হবে, যা জনাব রিফাতের আলোচনায় লক্ষণীয়।

উদ্দীপকের জনাব রিফাত শ্রেণিকক্ষে পরকালীন জীবনের একটি স্তরের বর্ণনা দেন, যেখানে সকল মানুষ একত্রিত হয়ে আল্লাহর বিচারের অপেক্ষা করবে। তার এ বক্তব্য হাশরকে নির্দেশ করে। অপরদিকে ঐ শ্রেণির ছাত্র তমাল বলে, সেই. দিনে মহানবি (স.)-এর অনুরোধ মুসলিম ও মুমিনদের জন্য এক বিশেষ নিয়ামত। তমালের এ বক্তব্যে শাফাআতের পরিচয় পাওয়া যায়। কেননা হাশরের ময়দানে মহানবি (স.)-এর শাফাআত ছাড়া বড় নিয়ামত আর কী হতে পারে। সেদিন মহানবি (স.)-এর শাফাআত ছাড়া কেউ জান্নাতে যেতে পারবে না। রাসুল (স.) বলেন, 'আমাকে শাফাআত করার অধিকার দেওয়া হয়েছে।' (বুখারি ও মুসলিম)

পরিশেষে বলা যায়, হাশরের ময়দান ভীষণ কষ্টের একটি জায়গা। যেদিন রাসুল (স.)-এর শাফাআত প্রাপ্তিই হবে সবচেয়ে বড় সফলতা। তাই পরকালে শাফাআত লাভের জন্য নেক আমল করা সবার জন্য অপরিহার্য।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()