• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতি
ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতি

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

জনাব 'ক' এর আচার-আচরণ, কথাবার্তা সবকিছুই আপত্তিকর। তার চলাফেরা যেমন অহংকারপূর্ণ তেমনি তার পোশাক- পরিচ্ছদও অশালীন। সে বড়দের সম্মান করে না, ছোটদের স্নেহ করে না। পক্ষান্তরে জনাব ‘খ' এর আচার-আচরণ 'ক' এর সম্পূর্ণ বিপরীত। তার জীবনপদ্ধতি একটি আদর্শ জীবনপদ্ধতি।

ইসলাম শিক্ষা তাওহিদভিত্তিক — ব্যাখ্যা করো।

ইসলাম শিক্ষা আল্লাহর একত্ববাদের ওপর প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় একে তাওহিদভিত্তিক শিক্ষা বলা হয় ।

'তাওহিদ' শব্দের অর্থ— একত্ববাদ। ইসলাম শিক্ষার মূলকথা হলো- বাল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। আল্লাহ তায়ালাকে সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা, রিজিকদাতা এবং ইবাদত ও আনুগত্যের যোগ্য এক ও অদ্বিতীয় সত্তা হিসেবে মুখে স্বীকার ও অন্তরে বিশ্বাস করার নাম তাওহিদ। তাওহিদে বিশ্বাস ছাড়া কোনো ব্যক্তিই মুমিন বা মুসলমান হতে পারে না। এজন্যই ইসলাম শিক্ষা তাওহিদের ওপর প্রতিষ্ঠিত।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()

সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ

#

জনাব 'ক' এর কর্মকাণ্ডে কিসের অভাব পরিলক্ষিত হয়? ব্যাখ্যা করো।

জনাক 'ক' এর কর্মকাণ্ডে ইসলামি সংস্কৃতির অভাব পরিলক্ষিত হয়। ইসলাম অনুমোদিত ও কুরআন-হাদিসে নির্দেশিত মুসলমানদের জীবন পদ্ধতিই হলো ইসলামি সংস্কৃতি। এর মাধ্যমে মুসলিম জাতির স্বতন্ত্র অস্তিত্ব প্রকাশ পায়। ইসলামি সংস্কৃতি একটি আদর্শিক সংস্কৃতি। ইসলামের মূলনীতি ও আদর্শের আলোকে এ সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। পারস্পরিক সাক্ষাতে সালাম বিনিময় করা, ভালো কাজের শুরুতে আল্লাহর নাম নেওয়া, কথাবার্তা, আচার-আচরণ ও চলাফেরায় শালীন ও মার্জিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, মার্জিত ও শালীন পোশাক পরিধান করা, বড়দের শ্রদ্ধা ও ছোটদের স্নেহ করা ইত্যাদি ইসলামি সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ দিক । উদ্দীপকে উল্লেখ করা হয়েছে, জনাব 'ক' এর আচার-আচরণ, কথাবার্তা সবকিছুই আপত্তিকর। তার চলাফেরা অহংকারপূর্ণ এবং পোশাক- পরিচ্ছদও অশালীন। সে বড়দের শ্রদ্ধা এবং ছোটদের স্নেহ করে না। জনাব ‘ক' এর এসব কর্মকাণ্ড ইসলামি সংস্কৃতির সম্পূর্ণ বিপরীত। অর্থাৎ তার কর্মকাণ্ডে ইসলামি সংস্কৃতির অভাব লক্ষণীয়।

#

উদ্দীপকের জনাব 'খ' এর আচার-আচরণের গুরুত্ব ইসলামের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

উদ্দীপকের জনাব 'খ' এর আচার-আচরণ জনাব 'ক' এর সম্পূর্ণ বিপরীত হওয়ায় বলা যায় 'খ' ইসলামি সংস্কৃতি অনুসরণ করে । ইসলামি সংস্কৃতি একটি আদর্শ সংস্কৃতি। এ সংস্কৃতি কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে গড়ে উঠেছে। ইসলামি সংস্কৃতি যথাযথভাবে চর্চা করার মাধ্যমে একজন ব্যক্তির জীবনে ইসলাম বাস্তবরূপ লাভ করে, যা উদ্দীপকের জনাব 'খ' এর ক্ষেত্রে লক্ষণীয়।

উদ্দীপকের জনাব 'খ' এর আচার-আচরণ 'জনাব 'ক' এর সম্পূর্ণ বিপরীত। তার জীবনপদ্ধতি একটি আদর্শ জীবনপদ্ধতি। সুতরাং জনাব “খ” এর আচার-আচরণ ও জীবনযাপন ইসলামি সংস্কৃতির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। মুসলিম জাতির জীবনে ইসলামি সংস্কৃতির গুরুত্ব অপরিসীম। এ সংস্কৃতি মুসলিম জাতির স্বতন্ত্র অস্তিত্ব বহন করে। এ সংস্কৃতির অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (স) এর ভালোবাসা লাভ করা যায়। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারলে দুনিয়া ও আখিরাতের সাফল্য লাভ করা যায়। পবিত্র কুরআনে উল্লেখ আছে 'মুহাম্মদ (স) আপনি বলুন, যদি তোমরা আল্লাহর ভালোবাসা চাও তাহলে আমাকে অনুসরণ করো' (সুরা আলে ইমরান : ৩১)।

উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, জনাব 'খ' এর আচার-আচরণ ও জীবনপদ্ধতি তথা ইসলামি সংস্কৃতির অনুসরণ মুসলমানদের দুনিয়ার জীবনে কল্যাণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরকালেও মুক্তির ব্যবস্থা করবে। তাই মুসলিমদের জন্য ইসলামি সংস্কৃতি চর্চার গুরুত্ব অপরিসীম ।

#

ইসলাম শিক্ষা কী?

যে শিক্ষাব্যবস্থায় ইসলামকে একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা হিসেবে শিক্ষা দেওয়া হয় তাকে ইসলাম শিক্ষা বলে।