- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- আকাইদ ও নৈতিক জীবন
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
দুজন ফেসবুক বন্ধু নানা প্রসঙ্গে আলাপচারিতায় প্রথম জন বলল, ব্যবসা করে প্রচুর অর্থ উপার্জন করেছি। কর্মের দ্বারা নিজের তকদির নিজেই তৈরি করেছি। পক্ষান্তরে, অন্যজন ফেসবুকেই কুরআন মজিদ ও মহানবি (স.)-কে নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রুপ ও উপহাস করেন। অথচ তারা উভয়ই নিজেদেরকে ইমানদার ও খাঁটি মুসলমান বলে দাবি করেন।
দ্বিতীয় জনের কর্মকাণ্ডের পরিণতি ও কুফল ইসলামের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
দ্বিতীয় জনের কর্মকাণ্ডের পরিণতি ও কুফল অত্যন্ত ভয়াবহ।
একজন মানুষকে প্রকৃত মুমিন হতে হলে অবশ্যই সাতটি বিষয়ের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে। এ সাতটি বিষয়ের কোনো একটিকে অবজ্ঞা করলে অথবা কোনো একটির প্রতি বিশ্বাস স্থাপন না করলে সে মুমিন হতে পারবে না, কাফির হিসেবে পরিগণিত হবে। কাফিরদের শাস্তি হিসেবে মহান আল্লাহ চিরস্থায়ী জাহান্নামের ঘোষণা দিয়েছেন। অন্যদিকে দুনিয়ার জীবনে কাফিররা ব্যর্থ এবং চরম হতাশাগ্রস্ত হয়ে জীবনযাপন করে।
দ্বিতীয় জন কুরআন ও মহানবি (স.)-কে নিয়ে ঠাট্টা-উপহাস করে কুফরি করেছে। আর মানবজীবনে কুফরের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। কুফরির ফলে পাপাচার বৃদ্ধি হয়, হতাশা সৃষ্টি পায়, অনৈতিকতার প্রসার ঘটে এবং আল্লাহ তায়ালা অসন্তুষ্ট হন। কুফরির ফলে শুধু দুনিয়াতেই নয় বরং আখিরাতেও মানুষকে শোচনীয় পরিণতি বরণ করতে হবে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, 'যারা কুফরি করবে এবং আমার নিদর্শনগুলোকে অস্বীকার করবে তারাই জাহান্নামের অধিবাসী। সেখানে তারা চিরকাল থাকবে।' (সূরা বাকারা, আয়াত ৩৯)
পরিশেষে বলা যায়, কুফর একটি মারাত্মক অপরাধ। তাই কাফিররা জাহান্নামে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি ভোগ করবে। আসিফ সাহেব কুফরি করায় তাকেও এ পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে।

