- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতি
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
রশিদপুর গ্রামের যুবকদের আমন্ত্রণে বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ মাওলানা বদিউল আলম এলাকায় পৌঁছালে স্থানীয় লোকজন তাকে 'গুড ইভিনিং' বলে স্বাগত জানান এবং তার হাতে স্বর্ণনির্মিত বেইজ পরিয়ে দেন। কিন্তু মাওলানা সাহেব বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ হয়ে বেইজ খুলে ফেলেন। রাতে এলাকার সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, জাতি হিসেবে আমাদের স্বকীয়তা রয়েছে যা আমাদেরই রক্ষা করতে হবে। যে ব্যক্তি অন্য জাতির অনুকরণ করে, সে তাদের অন্তর্ভুক্ত। পরে তাঁর নির্দেশনার আলোকে মসজিদের ইমাম সাহেব মুসল্লিদের নিয়ে একটি কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেন। যাদের কাজ হবে শিশু ও বয়স্কদের হাতেকলমে শিক্ষা দেওয়া, পারস্পরিক দায়িত্ববোধ শিখানো এবং এলাকার জনহিতকর কাজে মসজিদকে সম্পৃক্ত করা।
উদ্দীপকের মাওলানা বদিউল আলমের ক্ষুব্ধ হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকের মাওলানা বদিউল আলমের ক্ষুব্ধ হওয়ার কারণ ইসলামি সংস্কৃতির চর্চা না করা।
ইসলামের নীতি-আদর্শ ও মূল্যবোধের আলোকে গড়ে ওঠা সংস্কৃতিই হলো ইসলামি সংস্কৃতি। ইসলামি সংস্কৃতি মুসলিম জাতির স্বতন্ত্র অস্তিত্ব বহন করে। রাসুল (স.) বলেন- যে ব্যক্তি যে জাতির অনুকরণ করে সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত হবে (মুসনাদে আহমদ)। ইসলামি সংস্কৃতি সঠিকভাবে চর্চা করার মাধ্যমে তাকওয়াবান হতে পারলে দুনিয়া ও আখিরাতের সাফল্য নিশ্চিত হয়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ মাওলানা বদিউল আলম রশিদপুর গ্রামের যুবকদের আমন্ত্রণে এলাকায় পৌছালে স্থানীয় লোকজন তাকে 'গুড ইভিনিং' বলে স্বাগত জানান এবং তার হাতে স্বর্ণের বেইজ পরিয়ে দেন। এতে তিনি বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ হয়ে বেইজ খুলে ফেলেন। 'গুড ইভিনিং' বলা ও স্বর্ণের বেইজ পরানো ইসলামি সংস্কৃতির অন্তর্ভুক্ত নয়। রাসুল (স) বলেছেন, সালাম বিনিময়ের পরেই অন্যান্য কথাবার্তা' (মেশকাত)। স্থানীয় লোকজনের মাওলানা বদিউল আলমকে সালাম না দিয়ে গুড ইভিনিং বলে স্বাগত জানানো এবং স্বর্ণের বেইজ পরানো নিঃসন্দেহে অনৈসলামিক সংস্কৃতির অনুকরণ। এ কারণেই তিনি ক্ষুব্ধ হন।

