• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : বিশ্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : বিশ্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

বর্তমানে অটোমোবাইল কোম্পানিতে অনেক লোক কাজ করে। কোম্পানি পলিসি অনুসারে, অফিসের মেইন বিল্ডিং-এ প্রবেশের জন্য তাদের ফিংগার প্রিন্ট ব্যবহার করা হয়। আবার মূল ওয়ার্ক স্টেশনে ঢুকতে অধিক নিরাপত্তার জন্য তাদের চোখের রেটিনা স্ক্যান করতে হয়। অফিসে তারা অন্য আরেকটি প্রযুক্তি ব্যবহার করে যেখানে চোখে বিশেষ চশমা পড়তে হয় এবং সেফটি হেলমেট পড়তে হয়। এই পদ্ধতিতে তারা সহজে ভার্চুয়ালি পাড়ি চালিয়ে আনন্দ লাভ করে।

অফিসে প্রবেশের যে পদ্ধতিগুলোর কথা বলা হয়েছে তার মধ্যে কোনটি বর্তমানে অধিক ব্যবহৃত হয়? বিশ্লেষণ করো।

উদ্দীপকে প্রধান অফিসে প্রবেশের জন্য ফিঙ্গার প্রিন্ট ব্যবহৃত হয়েছে এবং প্রধান কর্মস্থলে প্রবেশের জন্য চোখের রেটিনা ব্যবহৃত হয়েছে। এই দুটোই হলো বায়োমেট্রিক্স। বায়োমেট্রিক্স হচ্ছে এক ধরনের কৌশল বা প্রযুক্তি যার মাধ্যমে মানুষের শারীরিক কাঠামো, আচার-আচরণ, বৈশিষ্ট্য, গুণাগুণ, ব্যক্তিত্ব প্রভৃতি দ্বারা নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে চিহ্নিত বা শনাক্ত করা যায়।

ফিঙ্গার প্রিন্ট স্ক্যান করার জন্য কোন আলোর প্রয়োজন হয় না। ফিঙ্গার প্রিন্ট পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ডিভাইসের দাম কম তাই এই পদ্ধতি ব্যবহারে খরচ তুলনামূলক কম কিন্তু সফলতার হার প্রায় শতভাগ। তাছাড়া সনাক্তকরণের জন্য খুবই কম সময় লাগে। অন্যদিকে রেটিনার ক্ষেত্রে চোখ ও মাথাকে স্থির করে একটি ক্যামেরা সম্পন্ন ডিভাইসের সামনে ঠিকমতো দাড়াতে হয় যা অনেক সময়ই ঠিকমত হয় না। তাছাড়া এই পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ডিভাইসের দাম ও মেমরি অত্যাধিক। এই পদ্ধতিতে আলোক স্বল্পতা পুরো কার্যক্রমকে ব্যহত করতে পারে। চোখে চশমা থাকলে এই কার্যক্রম ব্যহত হয়। চোখের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

তাই এই দুই প্রযুক্তির মধ্যে ফিঙ্গার প্রিন্ট বেশি ব্যবহৃত হয়।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()