• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : বিশ্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : বিশ্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

নতুন বায়োটেকনোলজি দেখার জন্য শিহাব জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োলজি ল্যাবরেটরিতে গেলো। ল্যাবে ঢুকার সময় কোনো কিছুর স্পর্শ ছাড়াই ল্যাবের গেট খুলে গেলো। ল্যাবে ঢুকার পরে সে একটি পাত্রে একটি গাছ দেখতে পেলো যাতে কলা ও তরমুজ ধরে আছে।

আচরণগত বায়োমেট্রিক্স কী?

আচরণিক বায়োমেট্রিক্স হচ্ছে এক ধরনের কৌশল বা প্রযুক্তি যার মাধ্যমে মানুষের আচার-আচরণ, বৈশিষ্ট্য, গুণাগুণ, ব্যক্তিত্ব প্রভৃতি দ্বারা নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে চিহ্নিত বা শনাক্ত করা যায়।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()

সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ

#

একটি বিশেষ টেকনোলজি দিয়ে যে কোনো ধরনের প্রশিক্ষণ দেয়া যায়- ব্যাখ্যা করো।

একটি বিশেষ টেকনোলজির মাধ্যমে যেকোনো ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব তা হলো ভার্চুয়াল রিয়েলিটি। প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞান নির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা অনুভবে বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ যেখানে ব্যবহারকারী ঐ পরিবেশে মগ্ন হয়, বাস্তবের অনুকরণে সৃষ্ট দৃশ্য উপভোগ করে, সেই সাথে বাস্তবের ন্যায় শ্রবণানুভূতি এবং দৈহিক ও মানসিক ভাবাবেগ, উত্তেজনা, অনুভূতি প্রভৃতির অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে। আর এই জন্যই ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মধ্যেমে যেকোনো ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব।

#

শিহাবের ল্যাবে ঢোকার পদ্ধতি বর্ণনা করো।

শিহাবের ল্যাবে ঢোকার ক্ষেত্রে যে টেকনোলজিটি ব্যবহৃত হয়েছে তাহলো শরীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স। বায়োমেট্রিক্স হচ্ছে এক ধরনের কৌশল বা প্রযুক্তি যার মাধ্যমে মানুষের শারীরিক কাঠামো, আচার-আচরণ, বৈশিষ্ট্য, গুণাগুণ, ব্যক্তিত্ব প্রভৃতি দ্বারা নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে চিহ্নিত বা শনাক্ত করা যায়। বায়োমেট্রিক্স এর মূল কাজই হচ্ছে প্রতিটি মানুষের যে অনন্য বৈশিষ্ট্য আছে তাকে খুঁজে বের করা এবং প্রতিটি মানুষকে সেই বৈশিষ্ট্যের আলোকে পৃথক পৃথকভাবে চিহ্নিত করতে সাহায্য করা। কম্পিউটার পদ্ধতিতে নিখুঁত নিরাপত্তার জন্য বায়োমেটিক্স পদ্ধতি ব্যবহার হয়। এ পদ্ধতিতে মানুষের বায়োলজিক্যাল ডেটা কম্পিউটারের ডেটাবেজে সংরক্ষিত করে রাখা হয় এবং পরবর্তিতে এসব ডেটা নিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মিলিয়ে দেখা হয়। ডেটাতে মিল পেলে তা বৈধ বলে বিবেচিত হয় এবং অনুমতিপ্রাপ্ত হয়।

শিহাবের মুখের ছবি আগে থেকেই উক্ত ডেটাবেজে সংরক্ষিত ছিল। তাই দরজার সামনে দাড়াতেই তার ছবি ক্যামেরা থেকে নিয়ে ডেটাবেজের সাথে মিলিয়ে দরজা খুলে গেছে।

#

বাংলাদেশের উন্নয়নে শিহাবের দেখা দ্বিতীয় টেকনোলজির ভূমিকা বিশ্লেষণ করো।

শিহাবের ২য় প্রযুক্তিটি হলো জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং। জীবকোষের ক্রোমোজোমে অবস্থিত কোনো নির্দিষ্ট জিন অথবা জিন সমষ্টির জেনেটিক পদার্থের পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন, পুনর্বিন্যাসকরণ, সংশ্লেষণকরণ, ত্রুটিসমূহ দূরীকরণ ইত্যাদিকে জিন প্রকৌশল বলে। কৃষিবিজ্ঞানীরা অধিক ফলনশীল উন্নত মানের খাদ্যদ্রব্য (ধান, মটর, শিম ইত্যাদি) উৎপাদন করছে। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং পরিবেশের বিভিন্ন ধরণের হুমকি থেকে শস্যকে রক্ষা করছে। শস্য থেকে সম্পূর্ণ নতুন উপাদান উৎপাদন করছে। শস্যের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে শস্যের গুণগত মান বৃদ্ধি করছে। টিস্যুকালচার পদ্ধতিতে পাতা থেকে পাছ তৈরি অথবা প্রাণীদেহের বিশেষ কোষগুচ্ছ থেকে কোনো বিশেষ অঙ্গ তৈরির কাজে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।