• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • প্রত্যুপকার (গদ্য)
প্রত্যুপকার (গদ্য)

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

তারপর চেয়ে আসমান পানে বৃদ্ধ কহিল— “বাপ ।
শত্রুরে তোর তলোয়ার তলে পেয়েও করিনু মাফ ।
এতদিন পরে তোর হত্যার লইলাম প্রতিশোধ,
খুনের নেশায় আর কবির না আখেরের পথরোধ।"

আলী ইবনে আব্বাস হাত-পা বাঁধা ব্যক্তিকে অতি সাবধানে রুদ্ধ করে রেখেছিলেন কেন?

আলী ইবনে আব্বাস খলিফার আদেশে হাত-পা বাঁধা ব্যক্তিকে অতি সাবধানে রুদ্ধ করে রেখেছিলেন যাতে বন্দি লোকটি পালিয়ে গিয়ে তাকে কোনো বিপদে ফেলতে না পারে ।

আলী ইবনে আব্বাস খলিফা মামুনের প্রিয়পাত্র ছিলেন। খলিফার আদেশ পেয়ে হাত-পা বাঁধা ব্যক্তিকে আলী ইবনে আব্বাস তার বাড়িতে নিয়ে যান। বন্দি ব্যক্তি যাতে পালিয়ে না যায় এবং খলিফার আদেশ যাতে অমান্য না হয় সে কারণেই আলী ইবনে আব্বাস বন্দি ব্যক্তিকে সাবধানে রুদ্ধ করে রেখেছিলেন। কারণ ওই ব্যক্তি পালিয়ে গেলে তাঁকে খলিফার কোপের মুখে পড়তে হবে ।​

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()

সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ

#

আলী ইবনে আব্বাস কোন খলিফার প্রিয়পাত্র ছিলেন?

আলী ইবনে আব্বাস বাগদাদের খলিফা আবুল আব্বাস আবদুল্লাহ আল মামুনের প্রিয়পাত্র ছিলেন

#

“উদ্দীপকটি ‘প্রত্যুপকার' গল্পের একটি বিশেষ দিককে প্রতিফলিত করেছে মাত্র, মূল বিষয় নয়।”— মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর ।

“উদ্দীপকটি ‘প্রত্যুপকার' গল্পের একটি বিশেষ দিককে প্রতিফলিত করেছে মাত্র, মূল বিষয় নয়।”— মন্তব্যটি যথার্থ।

কৃতজ্ঞতাবোধ মানুষের বড় গুণ। মানুষ জীবনে চলার পথে অনেকের দ্বারা উপকৃত হয়। যারা উপকার করে তাদের প্রতি মানুষের সব সময় কৃতজ্ঞ থাকা উচিত।

‘প্রত্যুপকার' গল্পটি আলী ইবনে আব্বাস নামক এক ব্যক্তির প্রতি-উপকারের কাহিনি। দামেস্কে গিয়ে আলী ইবনে আব্বাস বিপদে পড়লে স্থানীয় একজন সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির কাছে তিনি আশ্রয়লাভ করেন। পরবর্তীকালে আলী ইবনে আব্বাসের আশ্রয়দাতা ওই সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিটি খলিফা মামুনের সৈন্যদল কর্তৃক বন্দি হন এবং খলিফার নির্দেশে আলী ইবনে আব্বাসের গৃহেই তাকে রাখা হয়। আলী ইবনে আব্বাস তখন উপকারকারী ওই ব্যক্তির যে প্রতিকার-করেন সেটিই আলোচ্য গল্পের মূল বিষয়। এদিকে উদ্দীপকে যে বিষয়টি প্রতীয়মান হয়েছে সেটি গল্পের খলিফা মামুনের ক্ষমাশীলতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

উদ্দীপকে ফুটে ওঠা খলিফা মামুনের ক্ষমাশীলতার দিকটি 'প্রত্যুপকার' গল্পের একটি বিশেষ দিক মাত্র। গল্পের মূল বিষয় হলো আলী ইবনে আব্বাসের প্রতি-উপকারের কাহিনি, যার ইঙ্গিত উদ্দীপকে নেই। তাই বলা যায়, উদ্দীপকটি 'প্রত্যুপকার' গল্পের একটি বিশেষ দিককে প্রতিফলিত করেছে মাত্র, মূল বিষয় নয়। এ দিক থেকে মন্তব্যটি যথার্থ।​

#

উদ্দীপকে প্রতিফলিত বিষয়টি ‘প্রত্যুপকার' গল্পের কোন দিকটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ?— ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপকে প্রতিফলিত বিষয়টি 'প্রত্যুপকার' গল্পের খলিফা মামুনের ক্ষমার দিকটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ ।

ক্ষমা একটি মহৎ গুণ। ক্ষমার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে পৃথিবীতে অনেকেই প্রশংসিত হয়েছেন। প্রতিশোধস্পৃহা দমিয়ে রেখে ক্ষমার মাধ্যমেই মহত্ত্ব প্রকাশিত হয় ।

'প্রত্যুপকার' গল্পের এক ব্যক্তিকে শাস্তির নির্দেশ দিয়েছিলেন খলিফা মামুন। দুষ্টমতি দুরাচারদের কথা বিশ্বাস করে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সত্য জানার পর মহামতি ও উন্নতচিত্তের অধিকারী খলিফা মামুনের নির্দেশে ওই ব্যক্তি প্রাণদণ্ড থেকে অব্যাহতি পেয়েছিলেন। এতে খলিফা ক্ষমার সুন্দর দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। উদ্দীপকেও ক্ষমার এক মহান দৃষ্টান্ত পরিলক্ষিত হয়। পুত্র হত্যাকারীকে কাছে পেয়েও তাকে ক্ষমা করার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে। প্রতিশোধস্পৃহা বিসর্জন দিয়ে জনৈক পিতা তার পুত্র হত্যাকারীকে ক্ষমা করে দেন। এজন্যই ক্ষমা প্রদানের মহত্ত্বের দিক থেকে উদ্দীপকটি 'প্রত্যুপকার' গল্পের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ ।​