• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : বিশ্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : বিশ্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

আধুনিক সময়ে আমাদের জীবনে বিশ্বগ্রাম একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এখন অতি অল্প সময়ে আমরা অনেক তথ্য পেতে পারি। নিজের মতামত আমরা সহজেই অন্যের সাথে শেয়ার করতে পারি। এক্সপার্ট সিস্টেমের ফলে এই সব প্রক্রিয়া দ্রুততর হচ্ছে। তবে নিরাপত্তার বিষয়টি বর্তমানে একটি চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গ্লোবাল ভিলেজ মানুষের মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে দিয়েছে- প্রযুক্তির আলোকে ব্যাখ্যা করো।

বিশ্বগ্রাম হচ্ছে এমন একটি সামাজিক বা সাংস্কৃতিক ব্যবস্থা, যেখানে পৃথিবীর সকল প্রান্তের মানুষই একটি একক সমাজে বসবাস করে এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে তারা সহজেই তাদের চিন্তা-চেতনা, অভিজ্ঞতা, সংস্কৃতি-কৃষ্টি ইত্যাদি বিনিময় করতে পারে ও একে অপরকে সেবা প্রদান করে থাকে।

টেলিকনফারেন্সিং, ভিডিও কনফারেন্সিং, skype, Facebook, Myspace এবং Twitter এ কথা বলে মানুষ সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষা-গবেষণা সম্পর্কে আলোচনা করতে পারছে। আর এই আলোচনা এত দ্রুত হয় যে এর ফলে, বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে এখন পাশাপাশি বসে যোগাযোগকেও অত্যন্ত কাছে বলে মনে হয়। মূলত ইলেকট্রনিক টেকনোলজির মাধ্যমে ICT বিশ্বগ্রাম তৈরিতে ক্রমবর্ধমান উন্নতি সাধন করেছে। বিশ্বগ্রাম হচ্ছে এমন একটি সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক সংগঠন বা কম্যুনিটি, যেখানে কম্যুনিটির সকল সদস্য ইন্টারনেট তথা যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত। স্যাটেলাইটের ফলে আমরা এখন অতি অল্প সময়ের মধ্যেই পৃথিবীর কোথায় কী ঘটছে তাৎক্ষণিকভাবে জানতে পারি। এমনকি আমরা আমাদের সুখ-দুঃখ পাশাপাশি প্রতিবেশীর মতো বিনিময় করতে পারি। যদি কোনো দেশ সমস্যায় পড়ে, পার্শ্ববর্তী দেশগুলো তার সাহায্যে দ্রুত এগিয়ে আসে। আর এই ইন্টারনেটের ফলে তথা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান উন্নতির ফলে বসবাসযোগ্য পৃথিবী ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। সুতরাং আমরা বলতে পারি, বিশ্বগ্রাম বা গ্লোবাল ভিলেজ মানুষের মধ্যে দূরত্ব কমিয়েছে।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()