• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : বিশ্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : বিশ্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

ডাঃ শহিদ শহরের কর্মস্থলে অবস্থান করেও প্রত্যন্ত অঞ্চলের নাগরিকদের চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকেন। তিনি কৃত্রিম পরিবেশে অপারেশনের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন।

নিম্ন তাপমাত্রায় চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যাখ্যা করো।

নিম্ন তাপমাত্রায় চিকিৎসা পদ্ধতি হলো ক্রায়োসার্জারি। নিম্ন তাপমাত্রায় অসুস্থ টিস্যুর জীবাণু ধ্বংস করার পদ্ধতি হলো কুয়োসার্জারি। এই পদ্ধতিতে - 41°C তাপমাত্রায় ত্বকের অসুস্থ কোষকে ধ্বংস করে রক্ত সঞ্চালন ঠিক করা হয়। এক্ষেত্রে তরল বলে। নাইট্রোজেন (Liquid nitrogen), কার্বন ডাই-অক্সাইড (Carbon oxide), আর্গন (Argon) ও ডাই মিথাইল ইথার-প্রোপেন (Di methyl ether-propane) ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()

সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ

#

ই-কমার্স কী?

আধুনিক ডেটা প্রসেসিং এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বিশেষত ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পণ্য বা সেবা বিপণন, বিক্রয়, সরবরাহ, ব্যবসা সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি কাজ করাই হচ্ছে ই-কমার্স।

#

ডাঃ শহিদ কীভাবে চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকেন? ব্যাখ্যা করো।

ডাঃ শহিদ টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। টেলিমেডিসিন এমন একটি সিস্টেম, যা ডিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শহরের কোনো হাসপাতাল থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অন্যপ্রান্তে অর্থাৎ উপজেলা অথবা গ্রামের কোনো হেলথ সেন্টারে রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেয়া সম্ভব। টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে মূলত দূর থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এখানে কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই এর মাধ্যমে সেবা দেওয়া সম্ভব হয় না। এর মধ্যে আছে সার্জারি, গাইনি অ্যান্ড অবস, ডেন্টাল, নিউরোলজি, ইউরোলজি ইত্যাদি সার্জারি বিষয়। তবে এসব রোগের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ চিকিৎসাসেবা পাওয়া না গেলেও কিছু কিছু পরামর্শ পাওয়া যায়। এ ছাড়া টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে ডায়াবেটিস, স্কিন, নিউরো মেডিসিন ও মেডিসিন বিষয়ে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব।

#

ডাঃ শহিদের প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত প্রযুক্তিটি প্রাত্যহিক জীবনে কী প্রভাব রাখছে? আলোচনা করো।

ডাঃ শহিদের প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত প্রযুক্তিটি হলো ভার্চুয়াল রিয়েলিটি।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মাধ্যমে প্রাত্যহিক জীবনে যেসব কাজে সু-প্রভাব ফেলে তা নিম্নরূপ:

  • চিকিৎসাক্ষেত্রে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহৃত হয়।
  • রিয়েলিটির মাধ্যমে ড্রাইভিং নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
  • ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মাধ্যমে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার প্রশিক্ষল হয়। 
  • ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মাধ্যমে ফ্লাইট সিমুলেশন করা হয়,
  • মহাশূন্য অভিযানে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহৃত ব্যবহৃত হয়।
  • খেলাধুলায় ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহৃত হয়।
  • সামরিক ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রশিক্ষণে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহৃত হয়।
  • ভিডিও গেমস তৈরিতে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহৃত হয়।
  • ইতিহাস ও ঐতিহ্য রক্ষা ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহৃত হয়।
  • বিভিন্ন ইমেজ সংরক্ষণ ও দৃশ্যধারণ ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহৃত হয়।
  • নগর পরিকল্পনায় ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহৃত হয়।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মাধ্যমে প্রাত্যহিক জীবনে যেসব কু-প্রভাব ফেলে তা নিম্নরূপ:

  • ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ফলে বর্তমান সমাজের মনুষ্যত্বহীনতা বা ডিহিউম্যানাইজেশন ইস্যুটি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
  • ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ফলে মানুষ ইচ্ছেমতো কল্পনার রাজ্যে বিচরণ করতে পারবে। ফলে দেখা যাবে মানুষ বেশিরভাগ সময় কাটাবে কল্পনার জগতে এবং খুব কম সময় থাকবে বাস্তব জগতে। কিন্তু এভাবে যদি মানুষ কল্পনা ও বাস্তবের মধ্যে পার্থক্য করতে না পারে তাহলে পৃথিবীতে চরম অনিশ্চয়তা বিরাজ করবে।
  • ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহারের ফলে মানুষের চোখের ও শ্রবণশক্তির
    ক্ষতি হতে পারে।