- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- কমিউনিকেশন সিস্টেমস ও নেটওয়ার্কিং
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
মি. "X" কম্পিউটারে বসে একটি ব্রাউজার সফটওয়্যার ওপেন (Open) করে প্রথমে তার অ্যাড্রেস বারে একটি অ্যাড্রেস লিখে এন্টার (Enter) চাপলো। ফলে একটি মেইল সার্ভিস ওপেন হলো। তারপর সে মেইল সার্ভিস থেকে একটা অ্যাটাচমেন্ট ফাইল ডাউনলোড করলো।
মি. "X" এর কোন কোন কাজে কী কী ধরনের ডেটা ট্রান্সমিশন মোড ও মেথড ব্যবহৃত হয়েছে তা বিশ্লেষণ কর।
জমি "X" এর ই-মেইল কাজে ডেটা ট্রান্সমিশন মোড এর অন্তর্গত মাল্টিকাস্ট মোড ব্যবহার হয়েছে।
মাল্টিকাস্ট মোড ব্রডকাস্ট মোডের মতই তবে পার্থক্য হল মাল্টিকাস্ট মোডে নেটওয়ার্কের কোন একটি নোড থেকে ডেটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনস্থ সকল সদস্য গ্রহণ করতে পারে। যেমন- ই-মেইলের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র যাদের অনুমতি থাকবে তারাই ব্যবহার করতে পারবে।
উপরের চিত্রে A প্রেরক নোড থেকে কোনো ডেটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনস্থ B, D ও ৪ নোড গ্রহণ করবে। C নোড ডেটা গ্রহণ করতে পারবে না কারণ C নোড আলোচ্য ই-মেইল ব্যবহারকারীর সদস্য নয়।
মি "X" এর ই-মেইল সার্ভিস থেকে একটা অ্যাটাচমেন্ট ফাইল ডাউনলোড করতে অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। যে ডেটা ট্রান্সমিশন সিস্টেমে প্রেরক হতে ডেটা গ্রাহককে ক্যারেক্টর ট্রান্সমিট হয় তাকে অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে।
অ্যাসিনক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো-
- প্রেরক যে কোনো সময় ট্রান্সমিট করতে পারবে এবং গ্রাহকও তা গ্রহণ করবে।
- একটি ক্যারেক্টার ট্রান্সমিট করার পর আরেকটি ক্যারেক্টার ট্রান্সমিট করার মাঝখানের বিরতি সবসময় সমান না হয়ে ভিন্ন ভিন্নও হতে পারে।
- প্রতিটি ক্যারেক্টারের শুরুতে একটি স্টার্ট বিট এবং শেষে একটি অথবা দু'টি স্টপ বিট ট্রান্সমিট করা হয়।
স্টার্ট বিট | ৮ বিট ক্যারেক্টর | স্টপ বিট |
চিত্র: অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনে একটি ক্যারেক্টার পাঠানোর জন্য সিগনাল এ ধরনের ডেটা ট্রান্সমিশনকে স্টার্ট/স্টপ ট্রান্সমিশনও বলা হয়। সাধারণত যখন কোন CPU এর সাথে এক বা একাধিক টার্মিনাল সংযুক্ত করা হয় তখন Terminal থেকে CPU এর ধরনের অর্থাৎ অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

