- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- কমিউনিকেশন সিস্টেমস ও নেটওয়ার্কিং
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
জারিফ ও জায়ান একাদশ শ্রেণির ছাত্র। তাদের শিক্ষার মান উন্নয়নে ICT শিক্ষকের পরামর্শে ল্যাপটপ ও ইন্টারনেট সংযোগ নেয়। বাড়িতে টেলিভিশন না থাকায় মাঝে মাঝে বাড়ির সকলে মিলে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও ক্রিকেট খেলা দেখে। কিছুদিন পর দেখা গেল ইন্টারনেট সংযোগ থাকার কারণে জারিফের রেজাল্ট বেশ ভালো হয়। কিন্তু জায়ান পিছিয়ে পড়ে।
ক্লাউড কম্পিউটিং কী?
ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে ইন্টারনেট বা ওয়েবে সংযুক্ত হয়ে কিছু গ্লোবাল সুবিধা ভোগ করার একটি পদ্ধতি।
মন্তব্য ও আলোচনা (০)
সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ
"অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবলকে নেটওয়ার্কের ব্যাকবোন বলা হয়"- ব্যাখ্যা কর।
আধুনিক নেটওয়ার্কে ব্যাকবোন ক্যাবল হিসেবে তো বটেই, এমনকি সাধারণ নেটওয়ার্কের ক্যাবলিং সিস্টেম হিসেবেও ইদানিং ফাইবার অপটিক অত্যন্ত জনপ্রিয় কারণ ফাইবার অপটিক ক্যাবল কপার বা অন্যান্য ক্যাবলের তুলনায় অনেক বেশি হালকা, পাতলা, টেকসই এবং EMI মুক্ত। ফলে ফাইবার অপটিক ক্যাবল অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং জটিল ইনস্টলেশন পদ্ধতি সত্ত্বেও নেটওয়ার্কে ব্যাকবোন ক্যাবল হিসেবে অধিক জনপ্রিয়।
উদ্দীপকের আলোকে অনুষ্ঠান ও ক্রিকেট খেলায় ব্যবহৃত ডেটা আদান-প্রদানের মোড ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকের আলোকে অনুষ্ঠান ও ক্রিকেট খেলায় ব্যবহৃত ডেটা আদান-প্রদানের মোড হচ্ছে ব্রডকাস্ট।
ব্রডকাস্ট মোডে নেটওয়ার্ক কোনো একটি নোড (কম্পিউটার, প্রিন্টার বা অন্য কোন যন্ত্রপাতি) থেকে ডেটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনস্থ সকল নোডই গ্রহণ করে। যেমন- টিভি সম্প্রচার কেন্দ্র থেকে কোনো মুভি সম্প্রচার করলে তা সকলেই গ্রহণ করে উপভোগ করতে পারে। এক্ষেত্রে একটি প্রেরক থেকে নেটওয়ার্কের অধীনস্থ সকল প্রাপকই ডেটা গ্রহণ করতে পারে।
উপরের চিত্রে A নোড থেকে কোনো ডেটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনস্ত সকল নোডই (B, C, D ও কম্পিউটার) গ্রহণ করবে।
জারিফ ও জায়ানের রেজাল্টে কী ধরনের প্রভাব পরিলক্ষিত হয়- উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণপূর্বক মতামত দাও।
উদ্দীপকে উভয়ের বাসায় ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেও, জারিফের রেজাল্ট ভালো হয়েছে কিন্তু জায়ানের রেজাল্ট খারাপ হয়েছে। নিচে এর কারণ ব্যাখ্যা করা হলো-
ইন্টারনেট তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অন্যতম প্রধান উপাদান। এই ইন্টারনেট মানুষের জীবনে সুফল না কুফল বয়ে আনবে, সেটা নির্ভর করে ব্যক্তির নিজস্ব চিন্তা ও চেতনার ওপর।
বর্তমানে শিক্ষাক্ষেত্রে ইন্টারনেটের ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এখন কেউ ইচ্ছে করলে ইন্টারনেটে বসে কানাডা বা ইংল্যান্ডের মতো নামকরা দেশের সেরা লাইব্রেরির শ্রেষ্ঠ বইগুলো পড়তে পারছে। ফলে শিক্ষা এখন অনেক সহজ প্রাপ্য হয়ে উঠেছে। এ ছাড়াও ইন্টারনেটে অনেক শিক্ষামূলক সাইট রয়েছে, যেখানে যেকোনো বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়। জারিফ ইন্টারনেট কানেকশন ভালো পথে ব্যয় করেছে। ফলে তার রেজাল্ট ভাল হয়েছে।
অন্যদিকে ইন্টারনেট এর মাধ্যমে অশ্লীলতা, অপরাধ প্রবণতা, গোপণীয়তা ইত্যাদি বৃদ্ধি পাচ্ছে। জায়ান ইন্টারনেট ব্যবহার করার সময় সঠিক ভাবে ব্যবহার না করে, ইন্টারনেটের অপব্যবহার করেছে। যা তার দৈনন্দিন লেখা পড়ায় ব্যাঘাত ঘটিয়েছে। এতে শুধু লেখাপড়া নয়, বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যাও দেখা দেয়। ফলে ইন্টারনেট ব্যবহারে সবাইকে সতর্ক হতে হবে।

