- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- বাংলাদেশের সরকারব্যবস্থা
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
উদ্দীপকে উল্লেখিত ছক-২-এ বর্ণিত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা অপ্রতিরোধ্য, তুমি কি এ বক্তব্যের সাথে একমত? তোমার বক্তব্য যুক্তিসহ তুলে ধরো।
উদ্দীপকে উল্লেখিত ছক-২-এ বর্ণিত প্রতিষ্ঠান তথা প্রধানমন্ত্রীর ক্ষর অপ্রতিরোধ্য আমি এ বক্তব্যের সাথে একমত।
উদ্দীপকে ছক-২-এ উল্লেখ করা হয়েছে, সংবিধান অনুযায়ী সর্বা ক্ষমতার অধিকারী। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতা চর্চা করেন। এ বিষয়গুণ প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। কারণ বাংলাদেশের প্রধানষ সাংবিধানিকভাবেই সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী।
মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী শাসনব্যবস্থার কেন্দ্রলি এবং সরকার প্রধান। তাঁকে কেন্দ্র করেই দেশ, জাতি ও সরকা পরিচালিত হয়। তিনিই প্রকৃত শাসন ক্ষমতার অধিকারী। মন্ত্রিপরিষ্কাশ সহযোগিতায় তিনি শাসনসংক্রান্ত সব দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর পরমণ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মন্ত্রী, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, রাষ্ট্রদূত ইত্যাদি নিয়োগ দেন প্রধানমন্ত্রীকে সরকারের স্তম্ভ বলা হয়। তাঁর পরামর্শ ও অনুমোদন নি মন্ত্রীরা কাজ করেন। তাঁর নেতৃত্বে সংসদে আইন প্রণয়ন করা হয়। জাতী সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত বা ভেঙে দিতে তিনি রাষ্ট্রপতির পরামর্শ দেন। তাঁর সম্মতি ছাড়া কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদিত হ পারে না। আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেন। চি জাতীয় স্বার্থের রক্ষক। প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করেই মন্ত্রিসভা গঠিত পরিচালিত ও বিলুপ্ত হয়।
উপরের আলোচনায় সুস্পষ্ট, সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী শাসনব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দ। তিনি একাধারে সরকার প্রধান, দলের একি এবং সংসদের নেতা। তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারের সব কমরপ পরিচালিত হয়। সুতরাং প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা অপ্রতিরোধ্য; এ কর্ম নিশ্চিতভাবেই বলা যায়।

