• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতি
ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতি

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

আ. রহিম এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর তার মাকে বলল, আমি জগৎখ্যাত মুসলিম চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মধ্যে যিনি শল্য চিকিৎসার দিশারি হিসেবে আজ আমাদের মাঝে স্বরণীয় হয়ে আছেন এবং ইউনানি শাস্ত্রে যার অসাধারণ অবদান রয়েছে তার আদর্শ অনুকরণে একজন চিকিৎসাবিদ হতে চাই। তাই আমি মেডিকেল কলেজে ভর্তি হতে ইচ্ছুক ।

আ. রহিমের মেডিকেলে ভর্তির উদ্দেশ্যটি সত্যিই প্রশংসনীয়— পাঠ্যপুস্তকের আলোকে মূল্যায়ন কর ।

আ. রহিমের মেডিকেলে ভর্তির উদ্দেশ্যটি সত্যিই প্রশংসনীয়। ইসলাম একটি বুদ্ধিভিত্তিক জীবনদর্শন। চিকিৎসাবিজ্ঞানের অনুশীলন ও চর্চা এ ধর্মে পুণ্যের কাজ বলে গণ্য। এটি কুরআন ও হাদিস থেকে উদ্ভূত একটি বিষয়। মুসলিম মনীষীগণ ইসলামি শরিয়তের আলোকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের অনুপ্রেরণা লাভ করেন।

ইসলামি শরিয়তের প্রধান উৎস কুরআন এবং সুন্নাহ থেকে উৎসারিত জ্ঞানের আলোকে মুসলিম মনীষীগণ চিকিৎসাবিজ্ঞানে ব্যাপক অবদান রাখেন। চিকিৎসাশাস্ত্রে ব্যাপক বুৎপত্তি অর্জন করে, মানবসেবার নতুন দ্বার উন্মোচন করেছেন। আর তাদের অসামান্য অবদানের কারণেই বর্তমান মুসলিম শিক্ষার্থীরা চিকিৎসাবিজ্ঞানে পড়াশোনা করার অনুপ্রেরণা পাচ্ছে, যেমনটি আ. রহিমের ক্ষেত্রেও লক্ষ করা যায় ।

আ. রহিমের মেডিকেলে পড়াশোনা শেষ করে চিকিৎসা প্রদানের মাধ্যমে মানবসেবা করতে পারেন। তার এ কাজের মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক লোক উপকৃত হতে পারে। তাই তার মেডিকেলে পড়া একদিকে যেমন শরিয়তসম্মত, তেমনি মানুষের জন্য মঙ্গলজনক।
পরিশেষে আমরা বলতে পারি যে, আ. রহিমের মেডিকেল ভর্তির উদ্দেশ্যটি সত্যিই খুব প্রশংসনীয় ।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()