- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- বাংলাদেশের সরকারব্যবস্থা
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
উদ্দীপক- ১ : জনাব 'A' সরকারের একটি বিভাগের প্রধান। তার বর্তমান বয়স ৬৫ বছর। তিনি দুই বছর পর অবসরে যাবেন।
উদ্দীপক- ২ : জনাব 'B' আইনসভার প্রধান। তিনি নির্বাহী প্রধান হিসেবে মন্ত্রিসভার সকল সদস্যদের নেতার দায়িত্ব পালন করেন। তিনি কোনো কারণে অনাস্থা ভোটে অপসারিত হলে সমস্ত মন্ত্রিসভার বিলুপ্তি ঘটে।
অভিশংসন কী?
'অভিশংসন' হচ্ছে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের সাংবিধানিক পদ্ধতি।
মন্তব্য ও আলোচনা (০)
সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ
জনাব 'A'-এর বিভাগটি বাংলাদেশ সরকারের কোন বিভাগকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
জনাব 'A'-এর বিভাগটি বাংলাদেশ সরকারের বিচারবিভাগকে নির্দেশ করে।
বাংলাদেশের বিচারবিভাগ আইনের অনুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং সংবিধানকে অক্ষুন্ন রাখার দায়িত্ব পালন করে। এ বিভাগটি সুপ্রিম কোর্ট, অধস্তন আদালত এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনাল নিয়ে গঠিত। সুপ্রিম কোর্ট হলো বিচারবিভাগের সর্বোচ্চ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিসহ অন্যান্য বিচারপতিগণ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগ লাভ করেন। বিচারপতিরা ৬৭ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে কর্মরত থাকতে পারেন।
উদ্দীপক-১-এ বলা হয়েছে, জনাব 'A' সরকারের একটি বিভাগের প্রধান। তার বর্তমান বয়স ৬৫ বছর। তিনি দুই বছর পর অবসরে যাবেন। উপরের আলোচনার সাথে তুলনা করলে বোঝা যায়, তিনি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি। আর সুপ্রিম কোর্ট যেহেতু বিচারবিভাগের অধীন সেহেতু 'A'-এর বিভাগটি বাংলাদেশ সরকারের বিচারবিভাগকে নির্দেশ করে।
জনাব 'B' রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থার মধ্যমণি- বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
জনাব 'B' তথা প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থার মধ্যমণি বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে উক্তিটি যথার্থ।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হলেন জাতীয় সংসদের নেতা। তিনি মলি সরকারের প্রধান হিসেবে সকল নির্বাহী কার্যক্রম পরিচালনা করে। আইনসভার সমর্থন হারালে বা পদত্যাগ করলে তার মন্ত্রিসভয়। ঘটে। যেমনটি উদ্দীপকের 'B'-এর ক্ষেত্রে পরিলক্ষিত হয়। অর্থদ 'B' বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী শাসনব্যবস্থার প্রে এবং সরকারপ্রধান। তাকে কেন্দ্র করেই দেশ, জাতি ও সরকার প হয়। তিনিই প্রকৃত শাসন ক্ষমতার অধিকারী। মন্ত্রিপরিষদের সহ্য তিনি শাসনসংক্রান্ত সব দায়িত্ব পালন করেন। তার পরামর্শ স রাষ্ট্রপতি মন্ত্রী, উচ্চপদস্থ্য কর্মকর্তা, রাষ্ট্রদূত ইত্যাদি নিয়োগ। প্রধানমন্ত্রীকে সরকারের স্তম্ভ বলা হয়। তার পরামর্শ ও অনুমেন। মন্ত্রীরা কাজ করেন। তার নেতৃত্বে সংসদে আইন প্রণয়ন কর হয়। সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত বা ভেঙে দিতে তিনি রষ্ট্রর্ণ পরামর্শ দেন। তার সম্মতি ছাড়া কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পনি। পারে না। আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেন। জাতীয় স্বার্থের রক্ষক। প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করেই মন্ত্রিসভা। পরিচালিত ও বিলুপ্ত হয়।
উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, সংসদীয় সরকার ফ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সকল কর্মকাণ্ড সম্পাদিত হয় বলে এ শাসনব্যবস্থার মধ্যমণি।

