• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • অষ্টম শ্রেণি
  • ঔপনিবেশিক যুগের প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য
ঔপনিবেশিক যুগের প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

হিশাম ও পারিশা ঈদের ছুটিতে মামাবাড়ি বেড়াতে গেল। তারা মামার কাছে স্থানীয় বিখ্যাত নিদর্শনগুলো দেখার বায়না ধরল। মামা তাদেরকে মসলিনের জন্য বিখ্যাত স্থানটি ঘুরতে নিয়ে। গেলেন। তারা সেখানকার প্রাচীন বিভিন্ন ইমারতের স্থাপত্য ও নকশা দেখে মুগ্ধ হয়ে গেল। মামা তাদেরকে পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন স্থান হতে প্রাপ্ত পুরাকীর্তিগুলোর নিদর্শন দেখাতে নিয়ে যান যাতে তারা অতীত ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পারে।

তারা যে স্থানটি পরিদর্শন করে সেটির ঐতিহ্য ব্যাখ্যা কর।

হিশাম ও পারিশা যে স্থানটি প্রদর্শন করে সেটি হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী সোনারগাঁও।

সোনারগাঁও একসময় সুলতানি আমলে বাংলার রাজধানী ছিল। পরবর্তী মুঘল যুগে এর গুরুত্ব কমে যায়। কিন্তু তখনও মসলিন শাড়ির উৎপাদন ও ব্যবসায় কেন্দ্র হিসেবে এর খ্যাতি ছিল। উনিশ শতকে ধনী ব্যবসায়ীদের অনেকে বসবাসের জন্য সোনারগাঁওয়ের পানাম এলাকাটি বেছে নেন। এরা পানামের মূল সড়কের দুপাশে সারিবদ্ধভাবে অনেকগুলো ইমারত নির্মাণ করেন। ব্রিটিশ আমলে নির্মিত এ ভবনগুলোতে ইউরোপীয় স্থাপত্যরীতি অনুসরণ করা হয়। তবে এদের নির্মাণকলায় মুঘল স্থাপত্যেরও প্রভাব আছে। অট্টালিকাগুলো সাজানো হয়েছিল রঙিন মোজাইকে। পানামের আশপাশে আরও কয়েকটি চমৎকার ইমারত এখনও টিকে আছে। এগুলোর মধ্যে সরদারবাড়ি বা বড় সরদারবাড়িতে এখন স্থাপিত হয়েছে লোকশিল্প জাদুঘর। রঙিন মোজাইকের নানা কারুকাজে শোভিত হয়েছে সরদারবাড়ি। সুতরাং হিশাম ও পারিশার প্রদর্শিত স্থানটি স্থাপত্য শিল্প ও সাংস্কৃতিক শিল্পের প্রেক্ষিতে একসময় সোনারগাঁও বিখ্যাত ছিল।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()