• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • অষ্টম শ্রেণি
  • ঔপনিবেশিক যুগের প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য
ঔপনিবেশিক যুগের প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

চপল বাবা-মার সাথে জাতীয় জাদুঘরে গিয়ে একটি গ্যালারিতে সুলতানি ও মোগল আমলের তামা-বুপার মুদ্রা, কারুকাজ করা পোশাক, যুদ্ধে ব্যবহারের হাতিয়ার দেখে। পরে তারা পুরনো ঢাকার একটি উদ্যানে গিয়ে ইউরোপের একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রের। শাসনের বিরুদ্ধে সংঘটিত প্রথম আন্দোলনের কথা জানতে পারে যা উক্ত উদ্যানের সাথে সম্পর্কিত। উক্ত আন্দোলনে এদেশীয় দেশপ্রেমিক সৈনিকরা জীবন দেয়।

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত বিদ্রোহের ফলাফল বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত বিদ্রোহ হলো ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহ। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, চপলের পরিবার পুরনো ঢাকার একটি উদ্যানে গিয়ে ইউরোপীয় রাষ্ট্রের শাসনের বিরুদ্ধে সংঘটিত। আন্দোলনের কথা জানতে পারে, যেখানে এদেশীয় দেশপ্রেমিক সৈনিকেরা জীবন দেয়। বিদ্রোহী সিপাহিদের ফাঁসি দেওয়ার জন্যই ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্কে ফাঁসিমঞ্চ তৈরি করা হয়েছিল। তাই উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত বিদ্রোহটি ছিল ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহ।

বিদ্রোহের ফলাফল নিচে উল্লেখ করা হলো-

১. সিপাহি বিদ্রোহের পর ভারতবর্ষে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি শাসনের অবসান ঘটে।
২. ব্রিটিশ সরকার সরাসরিভাবে ভারত শাসনের দায়িত্ব নেয়।
৩. এই বিদ্রোহের পর মুঘল সাম্রাজ্যের বিলুপ্তি ঘটে।
৪. মুসলিম সম্প্রদায়ের সাথে ব্রিটিশ সরকারের দূরত্ব তৈরি হয়।
৫. গোলন্দাজ বাহিনীতে ভারতীয়দের নিয়োগ নিষিদ্ধ করা হয়।'

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()

সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ

#

সাংস্কৃতায়ন কাকে বলে?

নিজ সংস্কৃতিকে অক্ষুণ্ণ রেখে অন্য কোনো সাংস্কৃতিক উপাদানকে নিজ সংস্কৃতির সাথে আত্মস্থ করার প্রক্রিয়াকে সাংস্কৃতায়ন বলে।

#

বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতিসমূহের মধ্যে পার্থক্য দেখা যায় কেন?

সাংস্কৃতিক আদর্শগত কারণে বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতির মধ্যে পার্থক্য দেখা যায়। সাংস্কৃতিক আদর্শ বলতে কোনো দেশ বা সমাজের মানুষের সংস্কৃতির ধরনকে বোঝায়। এগুলো হলো- আচার-আচরণ, খাদ্য, পোশাক, বিশ্বাস, ধর্মবিশ্বাস, লোককাহিনী, সংগীত, লোককলা ইত্যাদি। কোনো দেশ বা সমাজের সাংস্কৃতিক আদর্শের মাঝে ওই দেশ বা সমাজের মানুষের জীবনপ্রণালি ও বৈশিষ্ট্য ফুটে ওঠে।

#

চপলের পরিবারের দেখা জাদুঘরের জিনিসগুলো কোন সম্পদের অন্তর্ভুক্ত? ব্যাখ্যা কর।

চপলের পরিবারের দেখা জাদুঘরের জিনিসগুলো প্রত্নসম্পদের অন্তর্ভুক্ত।
উদ্দীপকে উল্লিখিত চপল বাবা-মার সাথে জাতীয় জাদুঘরে গিয়ে একটি গ্যালারিতে সুলতানি ও মোগল আমলের তামা-রূপার মুদ্রা, কারুকাজ করা পোশাক, যুদ্ধে ব্যবহারের হাতিয়ার দেখে। চপলের পরিবারের দেখা এ সমস্ত উপাদান থেকে আমাদের পুরনো ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায়। এগুলো হচ্ছে প্রত্নসম্পদের অন্তর্ভুক্ত। বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে পাওয়া প্রত্ননিদর্শনগুলো জাদুঘরে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করা হয়। ঢাকার জাতীয় জাদুঘর, বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর প্রভৃতিতে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নসম্পদগুলো সংরক্ষণ করা আছে। সংরক্ষিত এসব প্রত্ননিদর্শন পরিদর্শনের মাধ্যমে আমরা আমাদের অতীত ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে বিস্তৃত ধারণা লাভ করতে পারি। তাই পরোক্ষভাবে এসব প্রত্ননিদর্শন আমাদের জাতীয়তা ও দেশপ্রেম বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

তাই বলা যায়, চপলের পরিবারের দেখা জাদুঘরের জিনিসগুলো প্রত্নসম্পদেরই অন্তর্ভুক্ত।