• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • অষ্টম শ্রেণি
  • ঔপনিবেশিক যুগের প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য
ঔপনিবেশিক যুগের প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

সুমন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভর্তি হয়েছে। ভর্তি শেষে মা-বাবার সাথে ক্যাম্পাসটি ঘুরে দেখে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত অফিস বাড়ি হিসেবে ইংরেজ আমলে তৈরি সুন্দর ভবনটি দেখে তারা মুগ্ধ হয়। পরের দিন তারা সুলতানি আমলে বাংলার রাজধানী দেখতে যায়, যা এখন লোকশিল্প জাদুঘর।

পরের দিন সুমনের দেখা স্থানটি আমাদের ঐতিহ্যেরই অনুষদ- বিশ্লেষণ কর।

পরের দিন সুমনের দেখা স্থানটি অর্থাৎ সোনারগাঁও আমাদের ঐতিহ্যেরই অনুষঙ্গ।

উদ্দীপকে সুমন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘুরার পরের দিন সুলতানি আমলে বাংলার রাজধানী দেখতে যায়, যা এখন লোকশিল্প জাদুঘর। উদ্দীপকের তথ্যগুলো বর্তমান বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী সোনারগাঁও-এর অনুরূপ। ১৩৩৮ খ্রিষ্টাব্দে সুলতান ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ সোনারগাঁওকে রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন। পবে গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ, শেরশাহ, ঈশা খাঁ সোনারগাঁয়েই রাজত্ব করেন। সোনারগাঁও এককালে ব্যবসায়, শিল্প কারুকার্যে বিশ্বের সেরা ছিল। সোনারগাঁয়ের মসলিন কাপড় ছিল সারাবিশ্বে সমাদৃত। সোনারগাঁও হতে শেরশাহ গ্রান্ডট্রাঙ্ক রোড নির্মাণ করেন। ইতিহাসের পরিক্রমায় আজ সোনারগাঁও এমন একটি নামে পরিণত হয়েছে যার সাথে বাংলাদেশের ইতিহাস, কৃষ্টি, ঐতিহ্য ও লোকজ সংস্কৃতি একাকার হয়ে মিশে আছে। আর এজন্যই সোনারগাঁও আমাদের ঐতিহ্যেরই অনুষঙ্গ।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()

সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ

#

প্রত্নসম্পদ কাকে বলে?

পুরানো স্থাপত্য ও শিল্পকর্ম, মূর্তি বা ভাস্কর্য, অলঙ্কার, প্রাচীন আমলের মুদ্রা ইত্যাদিকে প্রত্নসম্পদ বলে।

#

১৯৫৭ সালে ঢাকায় তৈরি স্মৃতিস্তম্ভটি কাদের স্মরণে তৈরি? ব্যাখ্যা কর।

১৯৫৭ সালে ঢাকায় তৈরি স্মৃতিস্তম্ভটি ১৮৫৭ সালের প্রথম ভারতীয় স্বাধীনতা যুদ্ধে জীবনদানকারী সৈনিকদের স্মরণে তৈরি। ১৮৫৭ সালে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর এদেশীয় সৈন্যরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু করেন। ইংরেজরা একে বলে সিপাহি বিদ্রোহ। এ যুদ্ধে এদেশীয় সৈন্যরা পরাজিত হয়। বিদ্রোহী সৈন্যরা যাঁরা ঢাকায় ইংরেজদের হাতে বন্দি হন তাদের ঢাকার আন্টাঘর ময়দানে গাছের সাথে ঝুলিয়ে ফাঁসি দেওয়া হয়। এ যুদ্ধে জীবনদানকারী সৈনিকদের স্মৃতিতে এখানে ১৯৫৭ সালে নির্মিত হয় একটি স্মৃতিস্তম্ভ।

#

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণকেন্দ্রে সুমন কোন ভবনটি দেখে? ব্যাখ্যা কর।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণকেন্দ্রে সুমন 'কার্জন হল' নামক ভবনটি দেখে।

উদ্দীপকে উল্লিখিত সুমন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে মা-বাবার সাথে ক্যাম্পাসটি ঘুরে দেখে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত অফিস বাড়ি হিসেবে ইংরেজ আমলে তৈরি ভবনটি দেখে তারা মুগ্ধ হয়। উদ্দীপকের অনুরূপ কার্জন হলও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত। অফিস বাড়ি হিসেবে ঢাকায় যেসব ভবন তৈরি করা হয়েছিল তার মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর হচ্ছে কার্জন হল। ইংরেজ আমলে তৈরি এ ভবনটির নামকরণ করা হয়েছে লর্ড কার্জনের নামানুসারে। ১৯০৪ সালে লর্ড কার্জন ভবনটির ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। বর্তমানে ভবনটির মালিক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভবনটি বহুকাল ধরেই বিজ্ঞান অনুষদ হিসেবে ব্যবহার করছে। তাই বলা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণকেন্দ্রে সুমন কার্জন হল 'নামক ভবনটিই দেখে।