- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতি
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
তানজিল ও শাফায়াত দ্বাদশ শ্রেণিতে অধ্যয়ন করে একদিন কলেজ ছুটির পর তারা তাদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা' বিষয় নিয়ে আলোচনা করছিল। তানজিল বলল, “শিক্ষার উদ্দেশ্য হলে মনুষত্ত্বের বিকাশ ঘটানো এবং ভবিষ্যৎ জীবনকে উজ্জ্বল ও সমৃদ্ধ করা : তান শরতে বলল, “আমি মনে করি শিক্ষার উদ্দেশ্য হলো ইহকালীন শান্তি ও মুক্তি।”
শাফায়াত কোন শিক্ষার দিকে ইঙ্গিত করেছেন? বর্ণনা করো।
শাফায়াত ইসলাম শিক্ষার দিকে ইঙ্গিত করছেন।
যে শিক্ষাব্যবস্থায় ইসলামকে একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা হিসেবে শিক্ষা দেওয়া হয় তাকে ইসলাম শিক্ষা বলে। ইসলামকে সঠিকভাবে জানা এবং তা মানার মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করাই এ শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য। ইসলাম শিক্ষা কুরআন, সুন্নাহ্, তাওহিদ ও রিসালাতভিত্তিক। ইসলাম শিক্ষা ব্যক্তির পার্থিব ও পরকালীন জীবনকে সমান গুরুত্ব দিয়ে উভয় জীবনের জন্য কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছে। এ শিক্ষায় দুনিয়াকে আখিরাতের শস্যক্ষেত্র বলা হয়েছে। ইসলাম শিক্ষার মাধ্যমে দুনিয়ার জীবনে শান্তি ও পরকালে মুক্তি লাভ করা যায়, যা শাফায়াতের বক্তব্যে ফুটে উঠেছে।
উদ্দীপকের শাফায়াত শিক্ষার উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলেন, শিক্ষার উদ্দেশ্য হলো ইহকালীন শান্তি ও পরকালীন মুক্তি। তার এ বক্তব্য ইসলাম শিক্ষার প্রতি ইঙ্গিত করে। ইসলাম শিক্ষা অর্জনের ফলে শিক্ষার্থীদের চরিত্র, আদর্শ ও চিন্তা-চেতনা এমনভাবে গড়ে ওঠে যেন জীবনের সব কর্মকাণ্ড ইসলামের বিধিবিধান অনুযায়ী পরিচালনা করতে পারে। ফলে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যমে জাহান্নাম থেকে মুক্তি ও জান্নাত লাভ করা যায়। সুতরাং বলা যায়, ইসলাম শিক্ষা দুনিয়ার জীবনে মানুষের সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি আখিরাতে মুক্তির ব্যবস্থা করে।

