- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- অষ্টম শ্রেণি
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
"মানচিত্রের 'A' চিহ্নিত স্থানের সেক্টরটি মুক্তিযুদ্ধের সূচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।'- বিশ্লেষণ কর।
প্রদত্ত মানচিত্রে 'A' চিহ্নিত স্থানের সেক্টরটি তথা এক নম্বর সেক্টর মুক্তিযুদ্ধের সূচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
মুজিবনগর সরকার সুষ্ঠু ও পরিকল্পিতভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করে। মুজিবনগর সরকার কর্তৃক মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে ১১ জন সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়। প্রত্যেক সেক্টর বেশ কয়েকটি সাব-সেক্টরে বিভক্ত ছিল। সেক্টরগুলোর মধ্যে এক নম্বর চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও ফেনী নদী পর্যন্ত এলাকা। ২৫শে মার্চ রাতে। পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী পরিচালিত অপারেশন সার্চলাইট-এর পর রাজনৈতিক সংকট ও নেতৃত্বশূন্য অবস্থা চলছিল। এমন পরিস্থিতিতে। তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে ২৬শে মার্চ তারিখে চট্টগ্রামের বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এ ভাষণে উদ্বুদ্ধ হয়েই বাঙালিরা নিজের সর্বস্ব দিয়ে পাকিস্তান বাহিনীকে পরাজিত করে স্বাধীনতার লাল সূর্য ছিনিয়ে আনতে ঝাঁপিয়ে পড়ে।
পরিশেষে বলা যায়, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনা এখান থেকেই হয়েছিল। আর সংগত কারণেই প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থ।
মন্তব্য ও আলোচনা (০)
সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ
ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ কত তারিখে গঠিত হয়?
ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ১৯৭১ সালের ৩রা মার্চ গঠিত হয়।
৭ই মার্চের ভাষণকে মুক্তির সনদ বলা হয় কেন?
বঙ্গবন্ধু তার ৭ই মার্চের ভাষণে সারা দেশের মানুষকে স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করেন। তিনি জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে এবং সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্বুদ্ধ করেন। তাই বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকে বাঙালির মুক্তির সনদ বলা হয়।
মানচিত্রে 'B' চিহ্নিত স্থানে মুক্তিযুদ্ধের কোন সেক্টরটি ছিল? ব্যাখ্যা কর।
মানচিত্রে 'B' চিহ্নিত স্থানে মুক্তিযুদ্ধের আট নম্বর সেক্টরটি ছিল।
১৯৭১ সালে সংগঠিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচালনায় অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে যুদ্ধ পরিচালনার জন্য বাংলাদেশকে এগারটি যুদ্ধক্ষেত্র বা সেক্টরে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে আট নম্বর সেক্টর একটি। কুষ্টিয়া, যশোর, ফরিদপুরের অধিকাংশ এবং খুলনা জেলার দৌলতপুর-সাতক্ষীরা সড়ক পর্যন্ত এলাকা এ সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল। এ সেক্টরের সদর দপ্তর ছিল বেনাপোল। আট নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরি।
অতএব বলা যায়, দৃশ্যমান মানচিত্রে 'B' দ্বারা আট নম্বর সেক্টরকেই তুলে ধরা হয়েছে।

