- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- অষ্টম শ্রেণি
- বাংলাদেশের অর্থনীতি
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
মারিয়া গবেষণার কাজে তথ্য সংগ্রহের জন্য জাপান থেকে পার্শ্ববর্তী একটি উন্নয়নশীল দেশে আসেন। তিনি পর্যবেক্ষণ করেন যে, দেশটির জনগণ তাদের অবস্থার উন্নতির জন্য নানা প্রচেষ্টায় নিয়োজিত। দেশটির অভ্যন্তরীণ বার্ষিক আয়ের পরিমাণ ১০,০০০ কোটি মার্কিন ডলার। ঐ বছরে দেশটির প্রবাসী নাগরিকদের পাঠানো রেমিটেন্সের পরিমাণ ৫,০০০ কোটি মার্কিন ডলার। দেশটির বর্তমান জনসংখ্যা ১৫ কোটি। সরকার দেশটির চাষাবাদে যান্ত্রিক পদ্ধতির প্রয়োগ, প্রযুক্তির ব্যবহার ও শিল্পের হার বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দিচ্ছে।
২০০৯ সালে বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার কত ছিল?
২০০৯ সালে বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার ছিল ৫৪.৮%।
মন্তব্য ও আলোচনা (০)
সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ
'জাতীয় আয়' ধারণাটি ব্যাখ্যা কর।
কোনো নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত আর্থিক বছরে কোনো দেশের নাগরিকগণ কর্তৃক যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপন্ন হয় তার বাজার মূল্যের সমন্টিকে জাতীয় আয় বলে। মোট দেশজ উৎপাদনের সাথে নিট আয় যোগ করে জাতীয় আয় পাওয়া যায়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটির জনগণের মাথাপিছু আয় নির্ণয়সহ পদ্ধতিটি ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটির জনগণের মাথাপিছু আয় নির্ণয় করতে হলে মোট জাতীয় উৎপাদনকে মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করতে হবে।
একটি দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের যোগফলকে সেই দেশের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে মাথাপিছু আয় পাওয়া যায়। এর মাধ্যমে একটি দেশের মানুষের সার্বিক জীবনযাত্রার মান নির্ধারণ করা হয়। যে দেশের মাথাপিছু আয় যত বেশি সে দেশের জনগণের জীবনযাত্রার মান তত উন্নত এবং অর্থনীতি তত বেশি সমৃদ্ধ।.. উদ্দীপকের মারিয়া তথ্য সংগ্রহের জন্য যে দেশে আসেন সে দেশের অভ্যন্তরীণ বার্ষিক আয়ের পরিমাণ ১০,০০০ কোটি টাকা। ঐ বছরে দেশটির প্রবাসী নাগরিকদের পাঠানো রেমিটেন্সের পরিমাণ ৫,০০০ কোটি মার্কিন ডলার এবং দেশটির বর্তমান জনসংখ্যা ১৫ কোটি।
আমরা জানি, মাথাপিছু আয়
= ১,০০০ মার্কিন ডলার
উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটির মাথাপিছু আয় ১,০০০ মার্কিন ডলার।
উদ্দীপকে সরকারের নেওয়া উদ্যোগের মূল লক্ষ্য 'কর্মসংস্থান সৃষ্টি'- কি বৈষম্য দূর করতে পেরেছে কিনা তা মূল্যায়ন কর।
উদ্দীপকে সরকারের নেওয়া উদ্যোগের মূল লক্ষ্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি যা সম্পূর্ণরূপে বৈষম্য দূর করতে পারেনি।
মানুষ তখনই রাষ্ট্র ও সমাজের সম্পদে পরিণত হয় যখন সে কিছু করতে পারে। দেশের কৃষি, শিল্প বা সেবাখাতে উৎপাদন বৃদ্ধির কাজে যারা শ্রম ও মেধা দিয়ে কাজ করেন তারা নিজেদেরকে শ্রমশক্তিতে রূপান্তরিত করেন। শ্রমশক্তিসম্পন্ন মানুষকেই দেশের মানবসম্পদ বলা হয়। প্রতিটি অদক্ষ মানুষকে সম্পদ বা মানবসম্পদে পরিণত করাই হচ্ছে মানব সম্পদ উন্নয়ন। কোনো অদক্ষ মানুষ নয়, কেবলমাত্র দক্ষ মানুষই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে। যার জন্য একটি দেশের সরকারকে ব্যাপক ও বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হয়। আলোচ্য উদ্দীপকে মারিয়া একটি উন্নয়নশীল দেশে আসেন। আর উন্নয়নশীল দেশের অন্যতম অসুবিধা হচ্ছে অদক্ষ জনশক্তি। এজন্য সরকারের উচিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। উদাহরণস্বরূপ বাংলাদেশের কথা বলা যায়। বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। এ দেশের অনেক যুবক-যুবতী কারিগরি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে তাদেরকে দক্ষ সম্পদে পরিণত করে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। তবে আমাদের দেশের একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠী এখনও সরকারের নেওয়া কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগের বাইরে থেকে গেছে। ফলে তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৈষম্যের স্বীকার হচ্ছে। অতএব বলা যায়, সরকারের নেওয়া কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ সম্পূর্ণভাবে বৈষম্য দূর করতে ব্যর্থ হয়েছে।

