• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • অষ্টম শ্রেণি
  • বাংলাদেশের অর্থনীতি
বাংলাদেশের অর্থনীতি

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

সজল সাহেবের ছেলে সৃজন ১০ বছর যাবৎ সৌদিতে কাজ করেন। সজল সাহেব ছেলের প্রেরিত অর্থ দিয়ে দেশে একটি গার্মেন্টস স্থাপন করেন। যেখানে অনেক বেকার লোক কাজ করার সুযোগ পায় এবং তিনিও বেশ মুনাফা অর্জন করেন।

অর্থনৈতিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে মানব সম্পদ উন্নয়নের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।

শ্রমশক্তি সম্পন্ন মানুষই দেশের মানব সম্পদ। প্রতিটি অদক্ষ মানুষকে শ্রমশক্তি সম্পন্ন মানুষে পরিণত করাই মানব সম্পদ উন্নয়ন। দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য মানব সম্পদের উন্নয়ন প্রয়োজন। কেননা কোনো অদক্ষ মানুষ নয়, কেবলমাত্র দক্ষ মানুষই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()

সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ

#

মোট দেশজ উৎপাদন কাকে বলে?

একটি দেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে দেশি বা বিদেশি নাগরিকদের দ্বারা প্রতিবছর উৎপাাদিত সকল দ্রব্য ও সেবার মোট আর্থিক মূল্যকে মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) বলে।

#

সজল সাহেবের কাজটি আমাদের জাতীয় আয়ের কোন খাতের অন্তর্ভুক্ত? ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপকে সজল সাহেবের কাজটি জাতীয় আয়ের শিল্প খাতের অন্তর্ভুক্ত।

কেননা সজল সাহেব তার ছেলের প্রেরিত অর্থে গার্মেন্টস স্থাপন করেন। আর গার্মেন্টস খাত শিল্পখাতের অন্তর্গত। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে শিল্প খাতের ভূমিকা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে শিল্পখাতে প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ। মূলত পোশাক শিল্প, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি সরবরাহ, খনিজ সম্পদ ও নির্মাণ শিল্প প্রভৃতি শিল্প খাতের অন্তর্ভুক্ত। ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে জাতীয় উৎপাদনে শিল্প খাতের অবদান ছিল ৩৩.৮৫ শতাংশ, যা ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে এসে দাঁড়িয়েছে ৩৭.৯৫ শতাংশ।
যেহেতু সজল সাহেবের গার্মেন্টস স্থাপনা শিল্প খাতের অন্তর্ভুক্ত। সেহেতু বলা যায়, সজল সাহেবের কাজটি আমাদের জাতীয় আয়ের শিল্প খাতের অন্তর্ভুক্ত।

#

উদ্দীপকের সৃজনের প্রেরিত অর্থ কীভাবে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে- পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপকে সৃজনের প্রেরিত অর্থ জাতীয় আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে।

সৃজন সৌদিতে কাজ করেন। কাজের বিনিময়ে সে অর্থ আয় করেন। তার অর্জিত অর্থের একটা অংশ ব্যাংকের মাধ্যমে তার পরিবারের কাছে পাঠান। এ অর্থকে আমরা রেমিটেন্স বলি। তার রেমিটেন্স দিয়ে তার বাবা সজল সাহেব গার্মেন্টস তৈরি করেছেন। সেখানে বহুলোকের কর্মসংস্থান হয়। আবার এখান থেকে বেশ মুনাফাও অর্জন করেন। সৃজনের টাকা দেশে আসার দ্বারা তা একদিকে বহু লোকের কর্মসংস্থানের মাধ্যমে তাদের আয় বৃদ্ধি করেছে। অন্যদিকে তার টাকায় স্থাপিত গার্মেন্টস শিল্প দ্বারা জাতীয় উৎপাদন বৃদ্ধি করছে। ফলে দারিদ্র্য অবস্থার পরিবর্তনে তার অর্থ প্রভাব রাখছে। জনগণের আয় বৃদ্ধির সাথে সাথে জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধিতেও তার টাকা ভূমিকা রাখছে। ফলে এসব কিছু আমাদের জাতীয় আয়কে প্রভাবিত করছে। যেহেতু জাতীয় আয়টি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম সূচক।

তাই বলা যায়, অর্থনৈতিক উন্নয়নে সৃজনের প্রেরিত অর্থ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।