• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • অষ্টম শ্রেণি
  • বাংলাদেশের অর্থনীতি
বাংলাদেশের অর্থনীতি

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

তনিমা ও সাকিলা দুই বান্ধবী। পড়াশুনা শেষ করে তনিমা। তার গ্রামে ফিরে যায়। সেখানে সে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে। শিক্ষা শেষে ছেলেমেয়েরা বিভিন্ন। পেশায় নিয়োজিত হচ্ছে। এভাবে সে দেশের উন্নয়নে কাজ করছে। অন্যদিকে তার বান্ধবী সাকিলা দূরপ্রাচ্যের একটি দেশে চাকরি নিয়ে চলে যায় এবং বিদেশ থেকে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠায়।

দারিদ্র্যের চক্রাকার আবর্তনটি কী- ব্যাখ্যা কর।

দরিদ্র লোকের পর্যাপ্ত খাদ্য থাকে না বলে তারা দুর্বল স্বাস্থ্যের অধিকারী হয়। এরা কাজ পায় না বা করতে পারে না। ফলে তাদের আয় কম হয়। কম আয়ের কারণে তারা সঞ্চয় করতে পারে না বা কম সঞ্চয় করে। এভাবে স্বল্প আয়, স্বল্প সঞ্চয়, স্বল্প বিনিয়োগ, স্বল্প মূলধন চক্রাকারে আবর্তিত হয়। এটিই দরিদ্রদের চক্রাকার আবর্তন।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()

সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ

#

মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) কী?

একটি দেশের নাগরিক নির্দিষ্ট সময়ে (সাধারণত এক বছর) যে সকল দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন করে তার মোট আর্থিক মূল্য হচ্ছে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)।

#

তনিমা কোন উপায়ে তার গ্রামের জনগণকে মানবসম্পদে পরিণত করছে- ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপকে তনিমা তার গ্রামে ছেলেমেয়েদের শিক্ষিত করার মাধ্যমে মানবসম্পদ তৈরিতে সচেষ্ট রয়েছে।

রাষ্ট্র ও সমাজের কল্যাণে কাজ করতে পারে এমন মানুষই হলো মানব সম্পদ। এরা কেউ শারীরিক শ্রম দিয়ে দেশের জন্য সম্পদ তৈরিতে সহায়তা করে আবার কেউ মেধা দিয়ে নতুন নতুন সম্পদ উদ্ভাবনে ভূমিকা রাখে। মানুষ যাতে দেশের উৎপাদন ও সেবায় ভূমিকা রাখতে পারে এমন শ্রমশক্তি বা দক্ষতা সম্পন্ন করে গড়ে তোলাই হলো মানবসম্পদ উন্নয়ন। উপযুক্ত শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, বাসস্থান, চিকিৎসা ও খাদ্যের সংস্থানের মাধ্যমেই মানব সম্পদের উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব। তনিমা গ্রামে স্থানীয় মানুষদের সহায়তায় স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমে ছেলেমেয়েদের শিক্ষিত করেছেন। ফলে তারা দক্ষ হয়ে বিভিন্ন পেশায় কাজ করছে।

সুতরাং বলতে পারি, তনিমা ছেলেমেয়েদের শিক্ষিত করার মাধ্যমে তাদেরকে দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করেছে যা মানবসম্পদ উন্নয়নের অন্যতম পন্থা।

#

"সাকিলার প্রেরিত অর্থ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।"- বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপকে সাকিলা দূরপ্রাচ্যের একটি দেশে চাকরিরত প্রবাসী। তার প্রেরিত বৈদেশিক মুদ্রা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

প্রবাসী কর্মরত নাগরিকদের স্বদেশে প্রেরিত অর্থকে রেমিটেন্স বলা হয়। তাই সাকিলার প্রেরিত বৈদেশিক মুদ্রাও রেমিটেন্স। সাকিলাদের এ রেমিটেন্স দেশের অর্থনীতির বিভিন্নভাবে সহায়তা করে। এর দ্বারা তার পরিবারের সচ্ছলতা আসে। এ অর্থ কেবল তার পরিবারের জীবনযাত্রার মানই বাড়াচ্ছে না। নানা ক্ষেত্রে বিনিয়োগের ফলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বর্তমানে বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের বড় অংশ আসছে প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিটেন্স থেকে।

এছাড়াও দেশের অর্থনীতি বড় ধরনের সংকটে না পড়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে সাকিলাদের প্রেরিত অর্থ। বাংলাদেশের অর্থনীতি উন্নতির পিছনে রেমিটেন্সের বৃদ্ধি অন্যতম কারণ। বিশ্বব্যাংকের মতে, রেমিটেন্স প্রাপ্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৮ম।

তাই বলতে পারি, সাকিলার প্রেরিত অর্থ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।