• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • অষ্টম শ্রেণি
  • বাংলাদেশের অর্থনীতি
বাংলাদেশের অর্থনীতি

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

জনাব রকিব 'X' দেশে চাকরি করেন। দেশটিতে তার মতো অনেক বাংলাদেশি থাকেন। পৃথিবীর অনেক দেশে তার মতো অনেকে চাকরি করেন। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এসব মানুষের ১২,২৫৫ মিলিয়ন ডলার তাদের পরিবারের নিকট পাঠিয়েছে। জনাব রকিব জানতে পেরেছেন 'X' দেশটির জাতীয় আয় ৪৫০০০০ কোটি ডলার এবং লোকসংখ্যা ১২ কোটি।

উদ্দীপকের রকিব সাহেবের মতো মানুষদের পাঠানো টাকা আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে প্রভাব ফেলে কি? যুক্তিসহ মতামত দাও।

হ্যাঁ, উদ্দীপকে উল্লিখিত রকিব সাহেবের মতো মানুষের পাঠানো টাকা আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। উদ্দীপকে জনাব রকিব 'X' দেশে চাকরি করেন। তার মতো অনেক বাংলাদেশি সেদেশে এবং অন্যান্য দেশে চাকরি করেন। তারা দেশের প্রতি মাসে টাকা পাঠায়। তাদের প্রেরিত অর্থ দ্বারা তাদের পরিবারের সাথে সাথে এ দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত হয়।

জনাব রকিব প্রবাসে কাজ করায় যে টাকা পান তা থেকে তিনি দেশে প্রেরণ করায় তা দেশের জাতীয় আয়কে বৃদ্ধি করছে। তার আয়ের দ্বারা তার পরিবার জীবনযাপন করে। তাই তার দ্বারা পরিবারের সকলের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি পায়। এ অর্থ কেবল তার পরিবারের প্রয়োজন মেটায় না কিংবা তাদের জীবনযাত্রার মানই বাড়াচ্ছে না, নানা ক্ষেত্রে বিনিয়োগ হয়ে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রোখে। বর্তমানে বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের বড় অংশ আসছে প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিটেন্স থেকে। এ ছাড়াও দেশের অর্থনীতি বড় ধরনের সংকটে না পড়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে জনাব রকিবের মতো প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থ। দেশের অর্থনীতি উন্নতির পিছনে রেমিটেন্সের বৃদ্ধি বা প্রেরিত অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধি অন্যতম কারণ। বিশ্বব্যাংকের মতে, রেমিটেন্সপ্রাপ্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৮ম।

তাই বলা যায়, জনাব রকিব ও তার মতো অন্যান্য প্রবাসীদের পাঠানো টাকা আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে প্রভাব ফেলে।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()

সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ

#

মোট দেশজ উৎপাদন কী?

একটি দেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে দেশি বা বিদেশি নাগরিকদের দ্বারা প্রতিবছর উৎপাাদিত সকল দ্রব্য ও সেবার মোট আর্থিক মূল্য হচ্ছে মোট দেশজ উৎপাদন (GDP)।

#

দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র কীভাবে মানবসম্পদ উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে? ব্যাখ্যা কর।

বাংলাদেশে মানবসম্পদ উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হওয়ার একটি অন্যতম কারণ হলো দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র। দরিদ্র লোকের পর্যাপ্ত খাদ্য থাকে না বলে তারা দুর্বল স্বাস্থ্যের অধিকারী হয়। তাই এদের কর্মশক্তি কম। ফলে আয় কম হয়। কম আয়ের কারণে তারা কম সঞ্চয় করে। এ কারণে বিনিয়োগ কম হয় বা মূলধন কম থাকে। ফলে এরা দরিদ্রই থেকে যায়। দারিদ্র্যের এ চক্রাকার আবর্তের কারণে মানবসম্পদ উন্নয়নে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

#

উদ্দীপকের তথ্য অনুযায়ী 'X' দেশটির মাথাপিছু আয় নির্ণয় কর।

উদ্দীপকের 'X' দেশটির জাতীয় আয় ৪,৫০,০০০ কোটি ডলার এবং লোকসংখ্যা ১২ কোটি।

আমরা জানি, একটি দেশের মোট ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে উৎপাদনের যোগফলকে সেই দেশের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে 'মাথাপিছু' আয় পাওয়া যায়।

মাথাপিছু আয় =কোনো নির্দিষ্ট বছরের মোট জাতীয় আয় বছরের মোট জনসংখ্যামাথাপিছু\:আয়\:=\frac{কোনো\:নির্দিষ্ট\:বছরের\:মোট\:জাতীয়\:আয়}{ঐ\:বছরের\:মোট\:জনসংখ্যা}​​

উদ্দীপকে জনাব রাকিব জানতে পেরেছেন 'X' দেশটির জাতীয় আয় ৪,৫০,০০০ কোটি ডলার এবং লোকসংখ্যা ১২ কোটি।
সুতরাং 'X' দেশের মাথাপিছু আয়

X দেশের মাথাপিছু আয় =,৫০,০০০ কোটি ডলার১২ কোটি 'X'\:দেশের\:মাথাপিছু\:আয়\:=\frac{৪,৫০,০০০\:কোটি\:ডলার}{১২\:কোটি\:}​  

= ৩৭,৫০০ ডলার

তাই বলা যায়, 'X' দেশের মাথাপিছু আয় ৩৭,৫০০ ডলার।