• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • অষ্টম শ্রেণি
  • বাংলাদেশের অর্থনীতি
বাংলাদেশের অর্থনীতি

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রিধারী সোহাগ অস্ট্রেলিয়ার একটি কোম্পানিতে চাকরিরত। তার পাঠানো অর্থের মাধ্যমে তার পরিবারে আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য ফিরে আসে। সোহাগের পাঠানো অর্থ দিয়ে ও পরামর্শে তার ছোট ভাই তার এলাকায় একটি কম্পিউটার। প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং একটি সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করেছেন। এবং সেই প্রতিষ্ঠানে এলাকার অনেক লোক প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে।

সোহাগের পাঠানো অর্থের ধরন পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপকে উল্লিখিত সোহাগের পাঠানো অর্থকে অর্থনীতিতে রেমিটেন্স বলা হয়।

প্রবাসে কর্মরত নাগরিকদের প্রেরিত অর্থকে রেমিটেন্স বলে। বিদেশে কর্মরত শ্রমিক, কর্মচারী ও পেশাজীবীরা তাদের অর্জিত অর্থের একটা অংশ ব্যাংকের মাধ্যমে পরিবারের কাছে পাঠায়। উদ্দীপকের বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রিধারী সোহাগকে অস্ট্রেলিয়ায় একটি কোম্পানিতে চাকরি করতে দেখা যায়। তিনি বৈধ পথে তার অর্জিত অর্থ স্বদেশে প্রেরণ করেন, যাকে রেমিটেন্স বলে। বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের একটি বড় অংশ আসছে প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিটেন্স থেকে। ২০২২-২০২৩. অর্থবছরে বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের পাঠানো অর্থের পরিমাণ ছিল ২১,৬১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। তাই প্রবাসী সোহাগের প্রেরিত অর্থকে রেমিটেন্স হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()

সোহাগের পাঠানো অর্থের ধরন পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা কর। | বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (অষ্টম শ্রেণি) | Uddoyon