• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • অষ্টম শ্রেণি
  • বাংলাদেশের অর্থনীতি
বাংলাদেশের অর্থনীতি

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

জামাল সাহেব তার জমিতে ধান ও বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি ফলান। প্রয়োজনের অতিরিক্ত ফসল তিনি বাজারে বিক্রি। করে থাকেন। তিনি তার ছেলে রোমেলকে মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশে পাঠান। রোমেল সেখান থেকে টাকা পাঠায়। সেই টাকায় তাদের পরিবারে সচ্ছলতা ফিরে আসে।

মাথাপিছু আয় কীভাবে জীবনযাত্রার মানকে প্রভাবিত করে? ব্যাখ্যা কর।

কোনো দেশের জনপ্রতি বার্ষিক আয়কে মাথাপিছু আয় বলে। যা মানুষের জীবনযাত্রার মানকে প্রভাবিত করে। একটি দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় যত বেশি হবে তার জীবনযাত্রার মান তত উন্নত হবে। আর মাথাপিছু আয় কম হলে জীবনযাত্রার মান কম হবে। মাথাপিছু আয় বলতে ক্রয়ক্ষমতা ও ভোগের ক্ষমতাকে বোঝায়। সুতরাং, মাছাপিছু আয়ই জীবনযাত্রার মানকে প্রভাবিত করে।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()

সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ

#

মানবসম্পদ কাকে বলে?

যারা শ্রম বা মেধা দিয়ে দেশের কৃষি, শিল্প, সেবাসহ অর্থনীতির যেকোনো খাতে অবদান রাখে তাদেরকে দেশের মানবসম্পদ বলে।

#

জামাল সাহেবের কাজটি জাতীয় আয়ের কোন খাতের অন্তর্ভুক্ত? ব্যাখ্যা কর।

জামাল সাহেবের কাজটি জাতীয় আয়ের কৃষি খাতের অন্তর্ভুক্ত। উদ্দীপকের জামাল সাহেব তার জমিতে ধান ও বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি ফলান। প্রয়োজনের অতিরিক্ত ফসল তিনি বাজারে বিক্রি করে থাকেন। অর্থাৎ জামাল সাহেব কৃষি খাতের সাথে জড়িত যা বাংলাদেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ খাত। কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে জাতীয় আয়ে কৃষি খাতের অবদান অপরিসীম। ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে এই খাতের অবদান ছিল ১৩.১৪ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩.৫৪ শতাংশ। ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে এই খাতের অবদান ছিল ১১.০২ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩.২১ শতাংশ।

তাই বলা যায়, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে জাতীয় আয়ে কৃষি খাতের অবদান অপরিসীম।

#

রোমেলের প্রেরিত অর্থ এদেশের মানুষের জীবনযাত্রার মানকে দারুণভাবে প্রভাবিত করে- উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

রোমেলের প্রেরিত অর্থ অর্থাৎ রেমিটেন্স দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি এদেশের মানুষের জীবনযাত্রার মানকেও দারুণভাবে প্রভাবিত করছে।
বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ বর্তমানে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাজ করছে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের সংখ্যা ছিল ১১.৩৮ লক্ষ এবং তাদের পাঠানো অর্থের পরিমাণ ছিল ২১,৬১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিশ্বব্যাংকের হিসাব মতে ২০০৮ সালে বিশ্বের সর্বোচ্চ রেমিটেন্স প্রাপ্ত দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১২তম। ২০০৯ সালে তা ৮ম স্থানে উন্নীত হয়। এসময় সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে স্থান ছিল দ্বিতীয়। বিশ্ব মন্দা পরিস্থিতি সত্ত্বেও ২০০৮-২০০৯ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি বড় ধরনের কোনো সংকটের মধ্যে না পড়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে প্রবাসীদের পাঠানো বিপুল অঙ্কের রেমিটেন্স। অর্থাৎ উদ্দীপকের রোমেলও একজন প্রবাসী এবং তার প্রেরিত অর্থ রেমিটেন্স হিসেবে গণ্য হবে। তার প্রেরিত এ অর্থ দেশের মানুষের জীবনমাত্রার মানকে দারুণভাবে প্রভাবিত করছে। পাশাপাশি জীবনযাত্রার মানও বৃদ্ধি করছে। তাই বলা যায়, প্রশ্নের উক্তিটি যথার্থ।