• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • অষ্টম শ্রেণি
  • বাংলাদেশের অর্থনীতি
বাংলাদেশের অর্থনীতি

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

দৃশ্যকল্প-১: তারিক জীবকোষ নিয়ে বহু বছর ধরে গবেষণা করে যাচ্ছে। সে তার মেধাকে কাজে লাগিয়ে নতুন তত্ত্ব। প্রদানের জন্য চেষ্টা করে চলেছে।

দৃশ্যকল্প-২: সাফিক মিয়া নতুন নতুন যন্ত্রপাতি তৈরির জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছে।

উক্ত ক্ষেত্রের উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থা বিশ্লেষণ কর।

মানব সম্পদ উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থা যথেষ্ট ইতিবাচক।

বর্তমানে মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন, মোট জাতীয় উৎপাদন ও মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকার সুষম অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও মানবসম্পদ উন্নয়নের লক্ষ্যে আর্থসামাজিক খাতে বাজেটের ২২.৩১% বেশি ব্যয় করছে। ২০২২ সালের Human Development Report মোতাবেক মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১২৯তম, যা ২০১৪ সালে ছিল ১৪২তম। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬০% মহিলা শিক্ষক নিয়োগের বিধি প্রবর্তনের ফলে মহিলা শিক্ষকের হার ১৯৯১ সালের ২১% থেকে বর্তমানে ৬৪.৯% এ উন্নীত হয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যা খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ায় প্রজনন হার ও মৃত্যু হার কমেছে, গড় আয় বৃদ্ধি পেয়েছে, নবজাত শিশু ও মতৃ-মৃত্যু হার উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে, অপুষ্টি হার হ্রাস পেয়েছে। বাংলাদেশের খানা আয়-ব্যয় জরিপ ২০২২-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশের বর্তমান দারিদ্র্যের হার ১৮.৭% এবং অতি দারিদ্র্যের হার ৫.৬%। অপরদিকে, ২০১৬ সালে খানা আয়-ব্যয় জরিপ অনুযায়ী দারিদ্র্য এবং অতি দারিদ্র্যের হার ছিল যথাক্রমে ২৪.৩% এবং ১২.৯%। সরকার গ্রামীণ অর্থনীতিতে গতি আনয়নের লক্ষ্যে মুক্তিযোদ্ধা এবং হত-দরিদ্র বিশেষ করে বয়স্ক, দুস্থ নারী, প্রতিবন্ধী, এতিমসহ আরও অনেককে নগদ ভাতা ও বিনামূল্যে খাদ্য প্রদানের মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করছে। এর পাশাপাশি একটি বাড়ি একটি খামার, আশ্রয়ণ, গৃহায়ণ ইত্যাদি প্রকল্প- সফলভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

উপর্যুক্ত কর্মসূচি সফলভাবে এগিয়ে নেওয়ায় বাংলাদেশ ইতোমধ্যে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা লাভ করেছে।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()

সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ

#

জাতীয় উৎপাদন কাকে বলে?

একটি দেশের নাগরিক নির্দিষ্ট সময়ে (সাধারণত এক বছর) যে সকল দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন করে তার মোট আর্থিক মূল্য হচ্ছে মোট জাতীয় উৎপাদন।

#

রেমিট্যান্স কী? ব্যাখ্যা কর।

প্রবাসী কর্মরত নাগরিকদের স্বদেশে প্রেরিত অর্থকে রেমিটেন্স (Remittance) বলে। বিদেশে কর্মরত শ্রমিক, কর্মচারি ও পেশাজীবীরা তাদের অর্জিত অর্থের একটা অংশ ব্যাংকের মাধ্যমে পরিবারের কাছে পাঠায়। এই অর্থ কেবল তাদের পরিবারের প্রয়োজনই মেটায় না, কিংবা তাদের জীবনযাত্রার মানই বাড়াচ্ছে না, বরং নানা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা একটি বড় অংশ বিনিয়োগ হয়ে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ও রাখছে। বর্তমানে বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের আসছে প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিটেন্স থেকে।

#

তারিক ও সাফিককে দেশের কোন সম্পদ বলা যায়? ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপকে উল্লিখিত তারিক ও সাফিককে দেশের মানব সম্পদ বলা যায়।

কারণ তারিক জীবকোষ নিয়ে বহু বছর ধরে গবেষণা করে যাচ্ছে। সে তার মেধাকে কাজে লাগিয়ে নতুন তত্ত্ব প্রদানের জন্য চেষ্টা করে চলেছে। অন্যদিকে সফিক মিয়া নতুন নতুন যন্ত্রপাতি তৈরির জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছে। যা মানব সম্পদকে নির্দেশ করছে। শ্রমশক্তি সম্পন্ন মানুষকেই দেশের মানব সম্পদ বলা হয়। মানুষ তখনই রাষ্ট্র ও সমাজের সম্পদে পরিণত হয় যখন সে কিছু করতে পারে। কেউ শারীরিক শ্রম দিয়ে রাষ্ট্র ও সমাজের জন্য সম্পদ তৈরিতে সহায়তা করে আবার কেউ মেধা দিয়ে নতুন নতুন সম্পদ উদ্ভাবন করে সহায়তা করে থাকে। দেশের কৃষি, শিল্প বা সেবাখাতে উৎপাদন বৃদ্ধির কাজে যারা শ্রম ও মেধা দিয়ে কাজ করেন তারা নিজেদেরকে শ্রমশক্তিতে রূপান্তরিত করেন। আর শ্রমশক্তি সম্পন্ন মানুষকেই দেশের মানব সম্পদ বলা হয়।