• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতি
ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতি

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

মিজান সাহেব দেশের বাইরে থাকা অবস্থায় তার একটি পুত্র সন্তান জন্মলাভ করলে পরিবারের সদস্যরা সপ্তাহব্যাপী নাচ-গানের আয়োজন করে এবং তার একটি আধুনিক নাম রাখে। মিজান সাহেব দেশে এসে বিষয়টি অবগত হয়ে অত্যন্ত বিরক্ত হন এবং বলেন, তোমরা ইসলামি সংস্কৃতি বর্জন করেছ। মনে রেখ, মুসলিম সন্তানের জীবন শুরু করতে হয় ইসলামি সংস্কৃতিতেই।'

মিজান সাহেবের সর্বশেষ উক্তির আলোকে বিষয়টির গুরুত্ব আলোচনা কর।

মুসলিম সন্তানের জীবন শুরু করতে হয় ইসলামি সংস্কৃতির মাধ্যমে মিজান সাহেবের উক্তিটি যথার্থ । .

মুসলিম সন্তানের জন্ম থেকে শুরু করে জীবনের প্রতিটি কাজই ইসলামের আদর্শ ও রীতি অনুযায়ী হতে হবে। ইসলামি সংস্কৃতির রীতি অনুযায়ী কোনো মুসলিম শিশু জন্মগ্রহণ করলে তার ডান কানে আজান ও বাম কানে ইকামত দেওয়া, অর্থবহ সুন্দর নাম রাখা ও আকিকা করতে হয়। মিজান সাহেব এরই ইঙ্গিত করেছেন।

উদ্দীপকে দেখা যায়, মিজান সাহেবের সন্তানের জন্মের পর ইসলামি রীতিগুলো অনুসরণ করা হয়নি। নাচ-গানের আয়োজন, অনৈসলামিক নাম রাখা প্রভৃতির মাধ্যমে ইসলামি সংস্কৃতি বর্জন করা হয়েছে। অথচ মুসলিম সন্তানের জন্মের পর ইসলামি রীতিনীতি অনুযায়ী তাকে লালন- পালন করতে হয়। ইসলামের আদর্শ এবং রীতিনীতিকে ঘিরেই এ সংস্কৃতি গড়ে ওঠে। আর এ সংস্কৃতির চর্চা শুরু হয় জীবনের প্রথম পর্যায় থেকেই এবং মুসলিমদের পুরো জীবনেই ইসলামি আদর্শ ও মূল্যবোধ অব্যাহত থাকে। মুসলিমের জন্ম-মৃত্যু, লেনদেন, দেখা- সাক্ষাৎ, দৈনন্দিন জীবনের সবক্ষেত্রেই এ সংস্কৃতি বিরাজমান। এমনকি মৃত্যুর পর জানাজা করাও ইসলামি সংস্কৃতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক। উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, মুসলিম শিশুর জন্মের পর থেকেই ইসলামি সংস্কৃতির অনুসরণ করতে হয়। সন্তানের লালনপালন, বেড়ে ওঠা, চলাফেরা, শিক্ষালাভ সবকিছুই ইসলামের আদর্শ ও মূল্যবোধ অনুযায়ী করতে হয়। তাই মিজান সাহেবের উক্তিটিকে যথার্থ বলা যায়।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()