- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাঙালি ও বহির্বিশ্ব
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
অধ্যাপক রাজ্জাক সাহেব ইতিহাস ক্লাসে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বিভিন্ন দেশের অবদান নিয়ে আলোচনা করছিলেন। রাজ্জাক সাহেব ছাত্র/ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বললেন, আজ এমন একটি দেশের কথা বলব যে দেশটি আমাদের মুক্তিযুদ্ধে অপরিসীম অবদান রেখেছে। দেশটি শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়েছে, খাদ্যের যোগান দিয়েছে, মুক্তিযোদ্ধাদের ট্রেনিং-এর ব্যবস্থা করেছে, বিশ্ব জনমত সৃষ্টিতে ভূমিকা রেখেছে, মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য গান রচনা করেছে। এভাবে সর্বক্ষেত্রে দেশটি অবদান রেখে বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।
মহান মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক গুরুত্ব কী?
মহান মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। ১৭৫৭ খ্রিষ্টাব্দে পলাশির প্রান্তে স্বাধীনতা হারিয়ে বাঙালি জাতি পরাধীনতার যে শৃঙ্খলে আবদ্ধ হয়েছিল এবং দীর্ঘ যুগ ধরে যে দুঃখ, নির্যাতন ও বৈষম্যের স্বীকার হয়েছিল তা থেকে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ বাঙালি জাতিকে মুক্তি দেয়। পাকিস্তানের ২৪ বছরের শাসন শোষণের বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ হয়ে সমগ্র জাতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়ে (২৬ মার্চ-১৬ ডিসেম্বর) দীর্ঘ ৮ মাস ১৪ দিন সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। সর্বস্তরের কোটি মানুষ এ যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল। স্বাধীনতার জন্য শৌর্য বীর্যের সর্বোচ্চ প্রমাণ রেখেছিল। অকাতরে বিলিয়ে দিয়েছিল জীবন, ধনসম্পদ ও সর্বস্ব যা ছিল। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতা আমাদেরকে পৃথিবীর বুকে একটি আত্মমর্যাদাশীল স্বাধীন জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ দান করেছে।

