• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • ভারতবর্ষে ইউরোপীয়দের আগমন : ইংরেজ আধিপত্য প্রতিষ্ঠা
ভারতবর্ষে ইউরোপীয়দের আগমন : ইংরেজ আধিপত্য প্রতিষ্ঠা

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

রাজা ফার্ডিনান্ড-এর ষড়যন্ত্রের ফলে গ্রানাডার সুলতান আবুল হাসান সিংহাসন ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। এরপর পুত্র আবু আব্দুল্লাহকে নামমাত্র সুলতান বানানো হয়। ফার্ডিনান্ড ও আবু আব্দুল্লাহর ষড়যন্ত্রের ফলে স্পেনে মুসলিম শাসনের চূড়ান্ত সমাপ্তি ঘটে।

কত সালে ভাস্কো-দা-গামা ভারতীয় উপমহাদেশে আগমন করেন?

১৪৯৮ সালে ভাস্কো-ডা-গামা ভারতীয় উপমহাদেশে আগমন করেন।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()

সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ

#

উপমহাদেশের ইঙ্গ-ফরাসি দ্বন্দ্বের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।

দাক্ষিণাত্যের কনার্টকের রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলার সুযোগ নিয়ে ইংরেজ ও ফরাসি বণিক কোম্পানি প্রভাব বিস্তারের জন্য যে পারস্পরিক দ্বন্দ্বে অবতীর্ণ হয় সেটাই ইতিহাসে ইঙ্গ-ফরাসি দ্বন্দ্ব নামে পরিচিত। ইঙ্গ-ফরাসি দ্বন্দ্ব ১৭৪৬ থেকে ১৭৬৩ সাল পর্যন্ত ৩টি যুদ্ধ সংঘটিত হয় যা ১ম, ২য় ও ৩য় কর্ণাটকের যুদ্ধ নামে অভিহিত। এ যুদ্ধে ইংরেজ কোম্পানি জয়লাভ করে এবং ফরাসিরা পরাজিত হয়ে ভারত ত্যাগ করে।

#

উদ্দীপকের ষড়যন্ত্রের সাথে তোমার পঠিত কোন ষড়যন্ত্রের সাদৃশ্য রয়েছে? উক্ত ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত যুদ্ধের কারণ ব্যাখ্যা কর।

ফার্ডিনান্ডের ষড়যন্ত্রের সাথে পাঠ্যবইয়ের বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে সিংহাসনচ্যুত করার ষড়যন্ত্রের মিল রয়েছে। এ যুদ্ধের কারণগুলো হচ্ছে-

১। প্রাসাদ ষড়যন্ত্রে ইংরেজদের যোগদান।

২। ইংরেজ কর্তৃক কৃষ্ণদাসকে আশ্রয়দান।

৩। নবাবের আদেশ অমান্য করে দুর্গ নির্মাণ।

৪। নবাবের দূতকে অপমান।

৫। দস্তকের অপব্যবহার।

৬। অন্ধকূপ হত্যা কাহিনি ও

৭। মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতা।

সেনাপতি মীর জাফর ও ক্লাইভের ষড়যন্ত্রের ফলে বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলা সিংহাসনচ্যুত হন।

#

"উক্ত যুদ্ধের ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী"- পাঠ্যবইয়ের নিরিখে তা বিশ্লেষণ কর।

পলাশির যুদ্ধের ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী। এর ফলে-

১। বাংলার স্বাধীন সূর্য অস্তমিত হয়।

২। এ যুদ্ধের ফলে বাংলার রাষ্ট্র ক্ষমতা বিভাজিত হয়ে দ্বৈত শাসনের সূত্রপাত হয়।

৩। পলাশির যুদ্ধের পর ইংরেজদের সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণিত হয় এবং ভারতবর্ষের দুর্বলতা প্রকাশ পায়।

৪। এ যুদ্ধের ফলে বাংলার একচেটিয়া বাণিজ্য ইংরেজদের হস্তগত হয় এবং দেশীয় বণিকদের সমাধি রচিত হয়।

৫। পলাশির যুদ্ধের পর নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতনের মধ্য দিয়ে ভারতে মধ্যযুগের অবসান হয় এবং আধুনিক যুগের সূচনা হয়।

সর্বোপরি পলাশির যুদ্ধের ফলে ইংরেজ কর্মকর্তারা বিপুল ধনসম্পদের মালিক হয়, যা পরবর্তীতে তাদের ভাতরবর্ষব্যাপী বিশাল সাম্রাজ্য স্থাপনে সহায়ক হয়েছিল।

পলাশির যুদ্ধের ফলে বাংলার স্বাধীনতা সূর্য অস্তমিত হয়। ইংরেজ কোম্পানির প্রভাব-প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পায়।