সাধারণ জ্ঞান - প্রশ্নোত্তর
সম্পর্কিত প্রশ্ন সমূহ
প্রশ্ন:
২০২৬ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত নতুন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তিটির নাম কী?
উত্তর:
অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোক্যাল ট্রেড (ART) বা পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি।
প্রশ্ন:
এই ঐতিহাসিক চুক্তিটি বাংলাদেশের কোন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
উত্তর:
ত্রয়োদশ (১৩তম) জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক ৩ দিন আগে তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে।
প্রশ্ন:
চুক্তিটি সম্পূর্ণ কত পৃষ্ঠার এবং এতে দুই দেশের জন্য মোট কতটি অনুচ্ছেদ বা আর্টিকেল রয়েছে?
উত্তর:
চুক্তিটি মোট ১৭৭ পৃষ্ঠার এবং এতে ১০টি অধ্যায়ে মোট ৩০টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
প্রশ্ন:
এই চুক্তির মূল লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য কী?
উত্তর:
দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক শুল্ক কমানো, মার্কিন বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশাধিকার বাড়ানো এবং বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ বৃদ্ধি।
প্রশ্ন:
এই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশি পণ্যের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত 'পাল্টা শুল্ক' (Reciprocal Tariff) সর্বোচ্চ কত শতাংশে নামিয়ে আনা হবে?
উত্তর:
সর্বোচ্চ ১৯ শতাংশে (যা পূর্বে সর্বোচ্চ ৩৭% পর্যন্ত ছিল)।
প্রশ্ন:
চুক্তির 'কটন ক্লজ' (Cotton Clause) অনুযায়ী কোন ধরনের বাংলাদেশি তৈরি পোশাক মার্কিন বাজারে সম্পূর্ণ শুল্কমুক্ত (০% শুল্ক) সুবিধা পাবে?
উত্তর:
যেসব তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল পণ্যে আমেরিকান তুলা (US Cotton) বা সুতা ব্যবহার করা হবে।
প্রশ্ন:
তৈরি পোশাকের বাইরে বাংলাদেশের কোন দুটি উদীয়মান খাতের পণ্য এই চুক্তির মাধ্যমে আমেরিকার বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে?
উত্তর:
নির্দিষ্ট কিছু ফার্মাসিউটিক্যালস (ওষুধ) এবং অ্যারোস্পেস (বিমান) যন্ত্রাংশ।
প্রশ্ন:
মার্কিন বাজারে শুল্ক ছাড়ের বিনিময়ে বাংলাদেশ আগামী ১৫ বছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে কত ডলারের জ্বালানি পণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে?
উত্তর:
মোট ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের জ্বালানি পণ্য (প্রধানত এলএনজি/LNG)।
প্রশ্ন:
চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ কত কোটি ডলারের মার্কিন কৃষিপণ্য (সয়াবিন, ভুট্টা, দুগ্ধজাত পণ্য ইত্যাদি) আমদানি করতে বাধ্য থাকবে?
উত্তর:
প্রায় ৩.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের।
