- হোম
- চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতি
৮ম বিজেএস (সহকারী জজ) প্রাথমিক পরীক্ষা [২৩.০৮.২০১৩]
- জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন ২০১৩
- বাংলা
‘বাগধারা’ কোথায় আলোচিত হয়?
ব্যাকরণের প্রধান আলোচ্য বিষয় চারটি: ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব (বা শব্দতত্ত্ব), বাক্যতত্ত্ব এবং অর্থতত্ত্ব। বাগধারা কেন বাক্যতত্ত্বে আলোচিত হয় তার কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:
১. বাক্যতত্ত্বের সংজ্ঞা: ব্যাকরণের যে অংশে বাক্যের গঠনপ্রণালি, পদের বিন্যাস, বাক্যের রূপান্তর এবং বাক্যের অন্তর্গত বিশেষ প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়, তাকে বাক্যতত্ত্ব (Syntax) বলে।
২. বাগধারার বৈশিষ্ট্য: বাগধারা (Idioms) কোনো একটি একক শব্দ নয়, বরং এটি একাধিক পদের একটি বিশেষ সমষ্টি। এটি যখন বাক্যে ব্যবহৃত হয়, তখন তার সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ বা আলঙ্কারিক অর্থ প্রকাশ করে। যেহেতু এটি পদের বিশেষ বিন্যাস এবং বাক্যের প্রয়োগের সাথে সম্পর্কিত, তাই এটি বাক্যতত্ত্বের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
৩. অন্যান্য অপশনগুলো কেন নয়:
ধ্বনিতত্ত্ব: এখানে শুধু ধ্বনি, বর্ণ, উচ্চারণ এবং সন্ধি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্ব: এখানে শব্দের গঠন, লিঙ্গ, বচন, ধাতু, উপসর্গ ও অনুসর্গ নিয়ে আলোচনা করা হয়। বাগধারা যেহেতু শব্দের গঠন নিয়ে নয় বরং পদের গুচ্ছ নিয়ে কাজ করে, তাই এটি এখানে আলোচিত হয় না।
সহজ মনে রাখার কৌশল: বাক্যতত্ত্বে মূলত সেই বিষয়গুলো আলোচিত হয় যা বাক্যের ভাব বা গঠনকে প্রভাবিত করে। যেমন: বাগধারা, বাচ্য, উক্তি, পদক্রম এবং যতিচিহ্ন।
সম্পর্কিত প্রশ্ন সমূহ

