- হোম
- চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতি
৩৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি ও লিখিত প্রশ্ন সমাধান ২০১৩
- বিসিএস ২০১৩
- বিজ্ঞান
শব্দ দূষণ কি? এর ফলে কি ক্ষতি হয়?
শব্দ দূষণ: শব্দ এক প্রকার শক্তি। শব্দের সাহায্যেই আমরা পরস্পরের সাথে তথ্যের আদান-প্রদান করি। পাখির কলতান বা পাতার মর্মরধ্বনি কিংবা সঙ্গীতের মধুর আওয়াজ যেমন আমাদের মনের ক্লান্তি দূর করে তেমনি গোলমাল বা হট্টগোল কিংবা তীব্র শব্দ বা শব্দের আধিক্য আমাদের দেহ মনকে শ্রান্ত করে এবং অনেক সময় আমাদের সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে যায়। শব্দের আধিক্য আমাদের দেহ ও মনের উপর যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে তাকেই পরিবেশের শব্দ দূষণ বলা হয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে মানুষের স্বাভাবিক শ্রবণ ধারণ ক্ষমতা ৪৫-৫৫ ডেসিবেল। কিন্তু আমরা আমাদের কানের স্বাভাবিক শ্রবণ ক্ষমতার চেয়ে প্রতিদিন কমপক্ষে ২০ থেকে ৫০ গুণ বেশি শব্দ শুনি।
শব্দ দূষণের ফলে ক্ষতি: চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে, যদি টানা ৮ ঘণ্টা আমরা ৯০ থেকে ১০০ ডেসিবেল শব্দ প্রতিদিন শুনি, তাহলে ২৫ বছরের মধ্যে শতকরা ৫০ জনের বধির হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিজ্ঞানীরা নানা পরীক্ষার মাধ্যমে জানতে পেরেছেন। যেখানে মানুষকে সার্বক্ষণিক উচ্চ শব্দের পরিবেশে থাকতে হয় সেখানকার মানুষের স্বাভাবিক স্নায়ু সংযোগ ব্যাহত হয়, কাজে মনোযোগ কম আসে, মেজাজ খিটখিটে হয়, পরিপাকতন্ত্রের বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়, ফলে আলসারসহ অন্যান্য আন্ত্রিক পীড়ায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এছাড়া ক্রমাগত শব্দ দূষণের ফলে মানুষ হৃদরোগ, ডায়বেটিস, গ্যাস্ট্রিক এমনকি লিভার সিরোসিস রোগে আক্রান্ত হতে পারে।
সম্পর্কিত প্রশ্ন সমূহ

