• হোম
  • চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতি

৩৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি ও লিখিত প্রশ্ন সমাধান ২০১৩

  • বিসিএস ২০১৩
  • বাংলাদেশ
Back

চিনি শোধন শিল্পে বাংলাদেশের সাফল্য কি?

বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের (বিএসএফআইসি) আওতায় বাংলাদেশের একটি অন্যতম শিল্পখাত হলো চিনি শিল্প। ১৯৪৭ সালে পূর্ব পাকিস্তান উত্তরাধিকারসূত্রে ছয়টি চিনিকল লাভ করলেও বর্তমানে বাংলাদেশে চিনিকলের সংখ্যা ১৫টি। বিএসএফআইসির নিয়ন্ত্রণাধীন ১৫টি চিনিকলের বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ২১০ লাখ মেট্রিক টন। দেশে বর্তমানে চিনির বার্ষিক চাহিদা প্রায় ১৪.০০ লাখ মেট্রিক টন। দেশে চিনির প্রকৃত চাহিদার তুলনায় সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন ইক্ষুভিত্তিক চিনিকলগুলোতে চিনি উৎপাদন অপ্রতুল। ফলে দেশে বেসরকারি খাতে স্থাপিত সুগার রিফাইনারিতে উৎপাদিত চিনি এবং আমদানিকৃত চিনি দ্বারা ঘাটতি পূরণ করা হয়। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ১ লাখ ৩৮ হাজার মেট্রিক টন চিনি উৎপাদন ও বিক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় এবং এর বিপরীতে ফেব্রুয়ারি ২০১৪ পর্যন্ত ৯৮,২৭০.৪০ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদিত হয়েছে। এ ঘাটতি পূরণে বিদেশ থেকে চিনি আমদানি করলেও বাংলাদেশের বেসরকারি চিনিকলগুলোর পরিশোধিত চিনি এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সম্প্রতি নর্থবেঙ্গল সুগারমিলে চিনি পরিশোধনের একটি কম্পোনেন্ট চালু করা হচ্ছে। এতে সারা বছর অপরিশোধিত চিনি এনে কারখানা সচল রাখা সম্ভব। চিনি শোধন সাফল্যের পাশাপাশি এ সঙ্কল্পনাময় খাত থেকে বাংলাদেশ বৈদেশিক মুদ্রাও আয় করতে পারে। তবে এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারকে কতগুলো পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। যেমন: কারখানাগুলোর আধুনিকীকরণ, পূর্ণমাত্রায় আখ উৎপাদন, সহজশর্তে আখচাষীদের ঋণ প্রদান, রিফাইনারিগুলোকে পূর্ণমাত্রায় চিনি উৎপাদনের জন্য অনুমতি প্রদান, আখ চাষে ও চিনি উৎপাদনে আধুনিক প্রযুক্তি ও উপকরণ ব্যবহার, অব্যবস্থাপনা প্রতিরোধ, মিল কর্মচারীদের অপকর্ম থেকে বিরত রাখা এবং চিনিকলগুলো থেকে উৎপাদিত উপজাত পণ্যের (by-products) সঠিক ও ব্যাপক ব্যবহার নিশ্চিত করা।

শেয়ার :

সম্পর্কিত প্রশ্ন সমূহ