- হোম
- চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতি
৩৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি ও লিখিত প্রশ্ন সমাধান ২০১৩
- বিসিএস ২০১৩
- আইসিটি
ই-কমার্স (E-commerce) কি? আধুনিক বিশ্বে এর ক্রমবর্ধমান প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করুন।
ই-কমার্স (E-Commerce): ইলেকট্রনিক কমার্স (Electronic Commerce)-এর সংক্ষিপ্ত রূপই ই-কমার্স (E-commerce)। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় সকল দেশের মধ্যে বিস্তৃত ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে লেনদেনকে ই-কমার্স বলে।
E-Commerce-এর প্রয়োগ: ই-কমার্স দ্রুতগতিতে আর্থিক লেনদেনের সুযোগ সৃষ্টি
করেছে। কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পরিচালিত ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার পদ্ধতি এ ধরনের লেনদেনের জন্য বহুল পরিচিত। এ পদ্ধতির মাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে বিশ্বের যে কোনো স্থানের একটি ব্যাংক দূরবর্তী যে কোনো ব্যাংকের সাথে লেনদেনে সক্ষম। ফলে অবস্থানগত দূরত্ব বেশি বা কম হলেও আর্থিক লেনদেন একই সময়ে এবং দ্রুতগতিতে করা সম্ভব হচ্ছে।
ই-কমার্স ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানসমূহের দূরত্ব কমিয়ে দিয়েছে। ব্যবসায়িক সমঝোতা ও বন্ধন তৈরির জন্য ই-কমার্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানসমূহের পরস্পরের মধ্যে লেনদেন, চুক্তি এবং পরস্পরের ব্যবসা সম্বন্ধে জানার জন্য এক দেশ থেকে অন্য দেশে বা একস্থান থেকে অন্যস্থানে সশরীরে যেতে হচ্ছে না। ই-কমার্স সুবিধা ব্যবসায়ীকে দূরবর্তী আরেকজন ব্যবসায়ীর সাথে ব্যবসায়িক কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে।
ই-কমার্স আজকের দিনে একটি সফল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মূল হাতিয়ার। বিশেষত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অফিস এবং শাখা অফিসের মধ্যে দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা, ব্যবসা পর্যবেক্ষণ, পরিচালনা এবং সিদ্ধান্তের বিষয়ে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
ই-কমার্স কাস্টমারকে উন্নত সার্ভিস প্রদানের সুবিধা দেয়। কম সময়ে কাস্টমার সার্ভিস প্রদান এবং সঠিক তথ্য প্রদান ই-কমার্সের বৈশিষ্ট্য।
ই-কমার্স ব্যবসা বাণিজ্যের বিজ্ঞাপন এবং বিপণনের ক্ষেত্রে নতুন দ্বার উন্মোচন করেছে। যে কোনো পণ্য বা সেবা বিশ্বব্যাপী বিপণন করার জন্য কোম্পানিগুলো নিজস্ব ওয়েবসাইট অথবা গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন প্রদানের মাধ্যমে ব্যবসায়ের উন্নয়ন করা সম্ভব হচ্ছে।
সম্পর্কিত প্রশ্ন সমূহ

