- হোম
- বোর্ড পরীক্ষার প্রশ্ন
বাংলা ১ম পত্র
- রাজশাহী বোর্ড
- এসএসসি
- বাংলা ১ম পত্র
- ২০১৯
৩'মাটির ভয়ে রাজ্য হবে মাটি।'- পঙ্ক্তিটিতে কী প্রকাশ পেয়েছে?
রাজ্য ধুলোয় ভরে যাওয়া
পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়া
সভাসদদের কাজ পণ্ড হওয়া
রাজ্য অচল হয়ে পড়া
উদ্দিপক
(i) পৃথিবীতে সব কিছু জীর্ণ হয়, হারিয়ে যায়, প্রাচীন সভ্যতা নিশ্চিহ্ন হয়, বিমূঢ় লোকালয় নিঃশেষ হয়। (ii) অপরদিকে সমুদ্রের কোনো শেষ নেই। সমুদ্র সর্বদাই স্বতন্ত্র এবং নিশ্চিন্ত।
৫উদ্দীপক (i)-এর সঙ্গে 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ চরণ হলো-
সেইদিন এই মাঠ স্তব্ধ হবে নাকো জানি-
সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে
চালতাফুল কি ভিজিবে না শিশিরের জলে
এশিরিয়া ধুলো আজ- বেবিলন ছাই হয়ে আছে
উদ্দিপক
(i) পৃথিবীতে সব কিছু জীর্ণ হয়, হারিয়ে যায়, প্রাচীন সভ্যতা নিশ্চিহ্ন হয়, বিমূঢ় লোকালয় নিঃশেষ হয়। (ii) অপরদিকে সমুদ্রের কোনো শেষ নেই। সমুদ্র সর্বদাই স্বতন্ত্র এবং নিশ্চিন্ত।
৯"আমায় বামুনদি বলো না খোকা। শুধু দিদি বোলো।"- এ উক্তিতে মমতাদি চরিত্রের কোন বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে?
স্নেহশীলতা
সংকোচ ভাব
সরলতা
আত্মমর্যাদাবোধ
উদ্দিপক
ভৃত্য চড়িল উটের পৃষ্ঠে উমর ধরিল রশি, মানুষে স্বর্গে তুলিয়া ধরিয়া ধুলায় নামিল শশী।
১০কবিতাংশে 'উপেক্ষিত শক্তির উদ্বোধন' প্রবন্ধের লেখকের মানসিকতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে?
মানবিকতার
অসাম্প্রদায়িকতার
ভ্রাতৃত্ববোধের
সাম্যবাদিতার
১১"নিজ দেশ তেয়াগী কেন বিদেশ ন যায়।"- চরণটিতে কী প্রকাশ পেয়েছে?
অবজ্ঞা
তীব্র ঘৃণা
শত্রুতা
মাতৃভাষা প্রীতি
১২'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় প্রথম আট চরণের অন্ত্যমিল বিন্যাস কোনটি?
কখখগ কখখগ
কখখগ কখখচ
কখকখ কখকখ
কখখক কখখক
উদ্দিপক
শিল্পপতি অসিত চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে দারোয়ানের চাকরি করে বৃদ্ধ তাপস। নিচু জাতের বলে কখনো দারোয়ানকে অবজ্ঞা করেননি অসিত চট্টোপাধ্যায়। 'তাপসদা' বলেই সম্বোধন করেন তিনি দারোয়ানকে। বয়োবৃদ্ধ তাপস এক সময় কাজ করার সামর্থ্য হারিয়ে তার ছেলেকে নিজের স্থলে নিয়োগের জন্যে প্রশিক্ষণ দিতে থাকে। কিন্তু একদিন গাড়ি ধুতে গিয়ে গাড়ির একটি গ্লাস ভেঙে ফেলে ছেলেটি। এতে ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে তাপস।
১৩উদ্দীপকের অসিত চট্টোপাধ্যায় 'অভাগীর স্বর্গ' গল্পের কোন চরিত্রের বিপরীত?
দারোয়ান
অধর রায়
ঠাকুরদাস মুখোপাধ্যায়
পাঁড়ে
উদ্দিপক
শিল্পপতি অসিত চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে দারোয়ানের চাকরি করে বৃদ্ধ তাপস। নিচু জাতের বলে কখনো দারোয়ানকে অবজ্ঞা করেননি অসিত চট্টোপাধ্যায়। 'তাপসদা' বলেই সম্বোধন করেন তিনি দারোয়ানকে। বয়োবৃদ্ধ তাপস এক সময় কাজ করার সামর্থ্য হারিয়ে তার ছেলেকে নিজের স্থলে নিয়োগের জন্যে প্রশিক্ষণ দিতে থাকে। কিন্তু একদিন গাড়ি ধুতে গিয়ে গাড়ির একটি গ্লাস ভেঙে ফেলে ছেলেটি। এতে ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে তাপস।

