• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • প্রত্যুপকার (গদ্য)
প্রত্যুপকার (গদ্য)

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

প্রত্যুপকার - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

আলী ইবনে আব্বাস নামে এক ব্যক্তি মামুন নামক খলিফার প্রিয়পাত্র ছিলেন। তিনি বলিয়া গিয়াছেন, আমি একদিন অপরাত্নে খলিফার নিকটে বসিয়া আছি এমন সময়ে, হস্তপদবদ্ধ এক ব্যক্তি তাঁহার সম্মুখে নীত হইলেন। খলিফা আমার প্রতি এই আজ্ঞা করিলেন, তুমি এ ব্যক্তিকে আপন আলয়ে লইয়া গিয়া রুদ্ধ করিয়া রাখিবে এবং কলা আমার নিকট উপস্থিত করিবে। তদীয় ভাব দর্শনে স্পষ্ট প্রতীত হইল, তিনি ঐ ব্যক্তির উপর অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হইয়াছেন। আমি তাঁহাকে আপন আলয়ে আনিয়া অতি সাবধানে রুদ্ধ করিয়া রাখিলাম, কারণ যদি তিনি পলাইয়া যান, আমাকে খলিফার কোপে পতিত হইতে হইবে।

কিয়ৎক্ষণ পরে, আমি তাঁহাকে জিজ্ঞাসিলাম, আপনার নিবাস কোথায়? তিনি বলিলেন, ডেমাস্কাস আমার জন্মস্থান; ঐ নগরের যে অংশে বৃহৎ মসজিদ আছে, তথায় আমার বাস। আমি বলিলাম, ডেমাস্কাস নগরের, বিশেষত যে অংশে আপনার বাস তাহার উপর, জগদীশ্বরের শুভদৃষ্টি থাকুক। অংশের অধিবাসী এক ব্যক্তি একসময় আমার প্রাণদান দিয়াছিলেন।

আমার এই কথা শুনিয়া, তিনি সবিশেষ জানিবার নিমিত্ত, ইচ্ছা প্রকাশ করিলে, আমি বলিতে আরম্ভ করিলাম : বহু বৎসর পূর্বে ডেমাস্কাসের শাসনকর্তা পদচ্যুত হইলে, যিনি তদীয় পদে অধিষ্ঠিত হন, আমি তাঁহার সমভিব্যাহারে তথায় গিয়াছিলাম। পদচ্যুত শাসনকর্তা বহুসংখ্যক সৈন্য লইয়া আমাদিগকে আক্রমণ করিলেন। আমি প্রাণভয়ে পলাইয়া, এক সম্ভ্রান্ত লোকের বাড়িতে প্রবিষ্ট হইলাম এবং গৃহস্বামীর নিকট গিয়া, অতি কাতর বচনে প্রার্থনা করিলাম, আপনি কৃপা করিয়া আমার প্রাণ রক্ষা করুন। আমার প্রার্থনাবাক্য শুনিয়া গৃহস্বামী আমায় অভয় প্রদান করিলেন। আমি তদীয় আবাসে, এক মাসকাল নিৰ্ভয়ে ও নিরাপদে অবস্থিতি করিলাম।

একদিন আশ্রয়দাতা আমায় বলিলেন, এ সময়ে অনেক লোক বাগদাদ যাইতেছেন। স্বদেশে প্রতিগমনের পক্ষে আপনি ইহা অপেক্ষা অধিক সুবিধার সময় পাইবেন না। আমি সম্মত হইলাম। আমার সঙ্গে কিছুমাত্র অর্থ ছিল না, লজ্জাবশত আমি তাঁহার নিকট সে কথা ব্যক্ত করিতে পারিলাম না। তিনি, আমার আকার প্রকার দর্শনে, তাহা বুঝিতে পারিলেন, কিন্তু তৎকালে কিছু না বলিয়া, মৌনাবলম্বন করিয়া রহিলেন।

তিনি আমার জন্য যে সমস্ত উদ্যোগ করিয়া রাখিয়াছিলেন, প্রস্থান দিবসে তাহা দেখিয়া আমি বিস্ময়াপন্ন হইলাম। একটি উৎকৃষ্ট অশ্ব সুসজ্জিত হইয়া আছে, আর একটি অশ্বের পৃষ্ঠে খাদ্যসামগ্রী স্থাপিত হইয়াছে, আর পথে আমার পরিচর্যা করিবার নিমিত্ত, একটি ভৃত্য প্রস্থানার্থে প্রস্তুত হইয়া রহিয়াছে। প্রস্থান সময় উপস্থিত হইলে, সেই দয়াময়, সদাশয়, আশ্রয়দাতা আমার হস্তে একটি স্বর্ণমুদ্রার থলি দিলেন এবং আমাকে যাত্রীদের নিকটে লইয়া গেলেন। তন্মধ্যে যাঁহাদের সহিত তাঁহার আত্মীয়তা ছিল, তাঁহাদের সঙ্গে আলাপ করাইয়া দিলেন। আমি আপনকার বসতি স্থানে এই সমস্ত উপকার প্রাপ্ত হইয়াছিলাম। এ জন্য পৃথিবীতে যত স্থান আছে ঐ স্থান আমার সর্বাপেক্ষা প্রিয় ।

এই নির্দেশ করিয়া, দুঃখ প্রকাশপূর্বক আমি বলিলাম, আক্ষেপের বিষয় এই, আমি এ পর্যন্ত সেই দয়াময় আশ্রয়দাতার কখনো কোনো উদ্দেশ পাইলাম না। যদি তাঁহার নিকট কোনো অংশে কৃতজ্ঞতা প্রদর্শনের অবসর পাই, তাহা হইলে মৃত্যুকালে আমার কোনো ক্ষোভ থাকে না। এই কথা শুনিবামাত্র, তিনি অতিশয় আহ্লাদিত হইয়া বলিলেন, আপনার মনস্কাম পূর্ণ হইয়াছে। আপনি যে ব্যক্তির উল্লেখ করিলেন, সে এই। এই হতভাগ্যই আপনাকে, এক মাসকাল আপন আলয়ে রাখিয়াছিল ।

তাঁহার এই কথা শুনিয়া, আমি চমকিয়া উঠিলাম, সবিশেষ অভিনিবেশ সহকারে, কিয়ৎক্ষণ নিরীক্ষণ করিয়া, তাঁহাকে চিনিতে পারিলাম; আহ্লাদে পুলকিত হইয়া অশ্রুপূর্ণ নয়নে আলিঙ্গন করিলাম; তাঁহার হস্ত ও পদ হইতে লৌহশৃঙ্খল খুলিয়া দিলাম এবং কী দুর্ঘটনাক্রমে তিনি খলিফার কোপে পতিত হইয়াছেন, তাহা জানিবার নিমিত্তে নিতান্ত ব্যগ্র হইলাম। তখন তিনি বলিলেন, কতিপয় নীচ প্রকৃতির লোক ঈর্ষাবশত শত্রুতা করিয়া খলিফার নিকট আমার ওপর উৎকট দোষারোপ করিয়াছে; তজ্জন্য তদীয় আদেশক্রমে হঠাৎ অবরুদ্ধ ও এখানে আনীত হইয়াছি; আসিবার সময় স্ত্রী, পুত্র, কন্যাদিগের সহিত দেখা করিতে দেয় নাই; বোধ করি আমার প্রাণদণ্ড হইবে। অতএব, আপনার নিকট বিনীত বাক্যে প্রার্থনা এই, আপনি অনুগ্রহ করিয়া আমার পরিবারবর্গের নিকট এই সংবাদ পাঠাইয়া দিবেন। তাহা হইলে আমি যথেষ্ট উপকৃত হইব।

তাঁহার এই প্রার্থনা শুনিয়া আমি বলিলাম, না, না, আপনি এক মুহূর্তের জন্যও প্রাণনাশের আশঙ্কা করিবেন না; আপনি এই মুহূর্ত হইতে স্বাধীন; এই বলিয়া পাথেয়স্বরূপ সহস্র স্বর্ণমুদ্রার একটি থলি তাঁহার হস্তে দিয়া বলিলাম, আপনি অবিলম্বে প্রস্থান করুন এবং স্নেহাস্পদ পরিবারবর্গের সহিত মিলিত হইয়া সংসারযাত্রা সম্পন্ন করুন। আপনাকে ছাড়িয়া দিলাম, এ জন্য আমার ওপর খলিফার মর্মান্তিক ক্রোধ ও দ্বেষ জন্মিবে, তাহাতে সন্দেহ নাই। কিন্তু যদি আপনার প্রাণ রক্ষা করিতে পারি, তাহা হইলে সে জন্য আমি অনুমাত্র দুঃখিত হইব না।

আমার প্রস্তাব শুনিয়া তিনি বলিলেন, আপনি যাহা বলিতেছেন, আমি কখনই তাহাতে সম্মত হইতে পারিব না। আমি এত নীচাশয় ও স্বার্থপর নহি যে, কিছুকাল পূর্বে, যে প্রাণের রক্ষা করিয়াছি, আপন প্রাণরক্ষার্থে এক্ষণে সেই প্রাণের বিনাশের কারণ হইব। তাহা কখনও হইবে না। যাহাতে খলিফা আমার ওপর অক্রোধ হন, আপনি দয়া করিয়া তাহার যথোপযুক্ত চেষ্টা দেখুন; তাহা হইলেই আপনার প্রকৃত কৃতজ্ঞতা প্রদর্শন করা হইবে। যদি আপনার চেষ্টা সফল না হয়, তাহা হইলেও আমার কোনো ক্ষোভ থাকিবে না।

পরদিন প্রাতঃকালে আমি খলিফার নিকট উপস্থিত হইলাম। তিনি জিজ্ঞাসা করিলেন, সে লোকটি কোথায়, তাহাকে আনিয়াছ? এই বলিয়া, তিনি ঘাতককে ডাকাইয়া, প্রস্তুত হইতে আদেশ দিলেন। তখন আমি তাঁহার চরণে পতিত হইয়া বিনীত ও কাতর বচনে বলিলাম, ধর্মাবতার, ঐ ব্যক্তির বিষয়ে আমার কিছু বক্তব্য আছে অনুমতি হইলে সবিশেষ সমস্ত আপনকার গোচর করি। এই কথা শুনিবামাত্র তাঁহার কোপানল প্রজ্বলিত হইয়া উঠিল। তিনি রোষরক্ত নয়নে বলিলেন, আমি শপথ করিয়া বলিতেছি, যদি তুমি তাহাকে ছাড়িয়া দিয়া থাক, এই দণ্ডে তোমার প্রাণদণ্ড হইবে। তখন আমি বলিলাম, আপনি ইচ্ছা করিলে, এই মুহূর্তে আমার ও তাহার প্রাণদণ্ড করিতে পারেন তাহার সন্দেহ কি। কিন্তু, আমি যে নিবেদন করিতে ইচ্ছা করিতেছি, তাহা শুনিলে, আমি চরিতার্থ হই।

এই কথা শুনিয়া খলিফা উদ্ধত বচনে বলিলেন, কী বলিতে চাও, বল। তখন সে ব্যক্তি ডেমাস্কাস নগরে কীরূপে আশ্রয়দান ও প্রাণরক্ষা করিয়াছিলেন এবং এক্ষণে তাহাকে ছাড়িয়া দিতে চাহিলে, আমি অবধারিত বিপদে পড়িব, এ জন্য তাহাতে কোনোমতে সম্মত হইলেন না; এই দুই বিষয়ে সবিশেষ নির্দেশ করিয়া বলিলাম, ধর্মাবতার, যে ব্যক্তির এরূপ প্রকৃতি ও এরূপ মতি, অর্থাৎ যে ব্যক্তি এমন দয়াশীল, পরোপকারী, ন্যায়পরায়ণ ও সবিবেচক তিনি কখনই দুরাচার নহেন। নীচপ্রকৃতি পরহিংসুক দুরাত্মারা, ঈর্ষাবশত অমূলক দোষারোপ করিয়া তাহার সর্বনাশ করিতে উদ্যত হইয়াছে; নতুবা যাহাতে প্রাণদণ্ড হইতে পারে, তিনি এরূপ কোনো দোষে দূষিত হইতে পারেন, আমার এরূপ বোধ ও বিশ্বাস হয় না। এ ক্ষেত্রে আপনার যেরূপ অভিরুচি হয় করুন।

খলিফা মহামতি ও অতি উন্নতচিত্ত পুরুষ ছিলেন। তিনি এই সকল কথা কর্ণগোচর করিয়া কিয়ৎক্ষণ মৌনাবলম্বন করিয়া রহিলেন; অনন্তর প্রসন্ন বদনে বলিলেন, সে ব্যক্তি যে এরূপ দয়াশীল ও ন্যায়পরায়ণ,ইহা অবগত হইয়া আমি অতিশয় আহ্লাদিত হইলাম। তিনি প্রাণদণ্ড হইতে অব্যাহতি পাইলেন। বলিতে গেলে, তোমা হইতেই তাহার প্রাণরক্ষা হইল। এক্ষণে তাহাকে অবিলম্বে এই সংবাদ দাও, ও আমার নিকটে লইয়া আইস।

এই কথা শুনিয়া আহ্লাদের সাগরে মগ্ন হইয়া আমি সত্বর গৃহে প্রত্যাগমনপূর্বক তাঁহাকে খলিফার সম্মুখে উপস্থিত করিলাম। খলিফা অবলোকনমাত্র, প্রীতি-প্রফুল্ললোচনে, সাদর বচনে সম্ভাষণ করিয়া বলিলেন, তুমি যে এরূপ প্রকৃতির লোক, তাহা আমি পূর্বে অবগত ছিলাম না। দুষ্টমতি দুরাচারদিগের বাক্য বিশ্বাস করিয়া অকারণে তোমার প্রাণদণ্ড করিতে উদ্যত হইয়াছিলাম। এক্ষণে, ইহার নিকটে তোমার প্রকৃত পরিচয় পাইয়া, সাতিশয় প্রীতিপ্রাপ্ত হইয়াছি। আমি অনুমতি দিতেছি, তুমি আপন আলয়ে প্রস্থান কর। এই বলিয়া, খলিফা, তাহাকে মহামূল্য পরিচ্ছদ, সুসজ্জিত দশ অশ্ব, দশ খচ্চর, দশ উষ্ট্র উপহার দিলেন এবং ডেমাস্কাসের রাজপ্রতিনিধির নামে এক অনুরোধপত্র ও পাথেয়স্বরূপ বহুসংখ্যক অর্থ দিয়া তাহাকে বিদায় করিলেন।

প্রত্যুপকার (গদ্য) - অনন্যা প্রশ্ন

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (লেখক-পরিচিতি)প্রত্যুপকার - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরপ্রত্যুপকার (শব্দার্থ ও টীকা)প্রত্যুপকার (পাঠ-পরিচিতি)ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কোন উপাধিতে ভূষিত হয়েছিলেন?ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কোন কোন ভাষার পণ্ডিত ছিলেন?দানশীলতার জন্য ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কী নামে পরিচিত ছিলেন?সাহিত্যিক গদ্য রচনার জন্য ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে কী বলা হয়?ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কত সালে শিশুপাঠ্য বই 'বর্ণপরিচয়' প্রকাশ করেন?ভাষা শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে কোন বই আজও পথপ্ৰদৰ্শক হিসেবে বিবেচিত হয়?ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কত সালের মৃত্যুবরণ করেন?আলী ইবনে আব্বাস কোন দেশের নাগরিক? হস্তপদবদ্ধ ব্যক্তির নিবাস কোথায় ছিল? ‘প্রত্যুপকার' গল্পে খলিফার নাম কী ছিল?‘প্রত্যুপকার' গল্পে কোন জায়গার শাসনকর্তার পদচ্যুত হওয়ার কথা বলা হয়েছে?পৃথিবীর যত স্থান আছে সেগুলোর মধ্যে কোন স্থান আলী ইবনে আব্বাসের কাছে প্রিয়?আলী ইবনে আব্বাসের প্রস্থানার্থে গৃহস্বামী তাকে কয়টি স্বর্ণমুদ্রার থলি দিয়েছিলেন?কী করতে পারলে মৃত্যুকালে আলী ইবনে আব্বাসের কোনো ক্ষোভ থাকত না?'প্রত্যুপকার' গল্পে গৃহস্বামীর হাত ও পা কী দ্বারা আবদ্ধ ছিল?খলিফার নিকট অবরুদ্ধ হওয়ার সময় গৃহস্বামী কাদের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি?আলী ইবনে আব্বাসের নিকট গৃহস্বামী কীসের জন্য প্রার্থনা করেছিলেন?খলিফা কাকে প্রাণদণ্ড দেওয়ার জন্য ঘাতককে প্রস্তুত হতে আদেশ দিলেন?প্রত্যুপকার' গল্পে খলিফা কী শপথ করেছিলেন?খলিফা কেমন পুরুষ ছিলেন?কোন গুণের কারণে গৃহস্বামীকে প্রাণদণ্ড, থেকে অব্যাহতি দিলেন খলিফা!কাদের কথা বিশ্বাস করে গৃহস্বামীকে অকারণে প্রাণদণ্ড করতে উদ্যত হয়েছিলেন খলিফা?বাগদাদ বর্তমান কোন দেশের রাজধানী?'নিরীক্ষণ' শব্দের অর্থ কী?‘প্রীতি-প্রফুল্ললোচনে' শব্দটিতে কয়টি শব্দ আছে?খলিফা মামুন খলিফা হারুনর রশীদের কততম পুত্র ছিলেন?ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের 'আখ্যানমঞ্জরী' রচিত হয় কত খ্রিস্টাব্দে?‘প্রত্যুপকার' গল্পে খলিফার কোন গুণটি প্রকাশিত হয়েছে? ‘প্রত্যুপকার' গল্পে কয়জন মহৎ ব্যক্তির কাহিনি বর্ণিত হয়েছে?আলী ইবনে আব্বাসের আশ্রয়দাতা ব্যক্তিটি কোন খলিফার সৈন্যদল দ্বারা বন্দি হন?আব্বাস কেন ডেমাস্কাসে নির্দিষ্ট অঞ্চলের মঙ্গল কামনা করেছেন? ব্যাখ্যা কর।“ঐ অংশের অধিবাসী এক ব্যক্তি একসময় আমার প্রাণদান দিয়াছিলেন”— চরণটির মধ্য দিয়ে কী প্রকাশ পেয়েছে? ব্যাখ্যা কর।ডেমাস্কাস থেকে আব্বাসকে তার আশ্রয়দাতা কীভাবে ফেরত পাঠান?পৃথিবীর সব জায়গার চেয়ে ডেমাস্কাসের বৃহৎ মসজিদের স্থান কেন আব্বাসের সবচেয়ে প্রিয়?“আপনার মনস্কাম পূর্ণ হইয়াছে।”— বাখ্যা কর।আশ্রয়দাতাকে চিনতে পেরে আলী ইবনে আব্বাস কী করলেন? দামেস্কের লোকটি কীভাবে খলিফার বন্দি হলেন?আব্বাস লোকটিকে যুক্ত করে দিলেও তিনি কেন পালিয়ে যাননি? খলিফা বন্দি লোকটি সম্পর্কে সব জেনে কী বললেন? সব জানার পরে বন্দি লোকটিকে খলিফা কী করেন?আলী ইবনে আব্বাসের আশ্রয়দাতা কেন বন্দি হয়েছিলেন?আলী ইবনে আব্বাস কেন বন্দিকে আপন আলয়ে রুদ্ধ করে রেখেছিলেন? ব্যাখ্যা করো।আলী ইবনে আব্বাস কেন প্রাণভয়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন?'আপনি কৃপা করিয়া আমার প্রাণ রক্ষা করুন।'- আলী ইবনে আব্বাস কোন প্রসঙ্গে এ কথাটি বলেছিলেন?'লজ্জাবশত তাহার নিকট আমি সে কথা ব্যক্ত করিতে পারিলাম না।'- এ কথা বলতে কী বোঝানো হয়েছে?'কিন্তু তৎকালে কিছু না বলিয়া মৌনাবলম্বন করিয়া রহিলেন।'- আশ্রয়দাতা কেন মৌনাবলম্বন করেছিলেন?আলী ইবনে আব্বাস প্রস্থানকালে আশ্রয়দাতা কীসের আয়োজন করে রেখেছিলেন? ব্যাখ্যা করো।প্রস্থান দিবসে আলী ইবনে আব্বাস কী দেখে বিস্মায়াপন্ন হয়েছিলেন?ডেমাস্কাস আলী ইবনে আব্বাসের সর্বাপেক্ষা প্রিয় স্থান কেন?'তাহা হইলে মৃত্যুকালে আমার কোনো ক্ষোভ থাকে না।'- আলী ইবনে আব্বাস এ কথা কেন বলেছিলেন?'আপনার মনস্কাম পূর্ণ হইয়াছে'- কথাটি কেন বলা হয়েছিল?আলী ইবনে আব্বাস চমকে উঠেছিলেন কেন? ব্যাখ্যা করো।'কিয়ৎক্ষণ নিরীক্ষণ করিয়া, তাহাকে চিনিতে পারিলাম।'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?'আহ্লাদে পুলকিত হইয়া অশ্রুপূর্ণ নয়নে আলিঙ্গন করিলাম।' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?আলী ইবনে আব্বাসের আশ্রয়দাতা খলিফার, কোপে পতিত হয়েছিলেন কেন? ব্যাখ্যা করো।বন্দি ব্যক্তি আলী ইবনে আব্বাসের কাছে কী প্রার্থনা করেছিলেন?আলী ইবনে আব্বাস বন্দির পরিচয় পেয়ে কী প্রস্তাব দিয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।'আমি কখনোই তাহাতে সম্মত হইতে পারিব না'- কথাটি বন্দি লোকটি, কোন প্রসঙ্গে বলেছিলেন? ব্যাখ্যা করো। আলী ইবনে আব্বাসের প্রস্তাবে তাঁর আশ্রয়দাতা সম্মত হননি কেন?'তাহা হইলেই আপনার প্রকৃত কৃতজ্ঞতা প্রদর্শন করা হইবে।' এখানে কীভাবে কৃতজ্ঞতা প্রদর্শনের কথা বলা হয়েছে ব্যাখ্যা করো।'কৃপা করিয়া তাহা শুনিলে, চরিতার্থ হই।'- আব্বাস কথাটি কাকে বলেছিলেন? ব্যাখ্যা করো।আলী ইবনে আব্বাস কেন বন্দির মুক্তির জন্য খলিফার কাছে সুপারিশ করেছিলেন?'তিনি এরূপ কোনো দোষে দূষিত হতে পারেন, আমার এরূপ বোধ ও বিশ্বাস হয় না।'- আলী ইবনে আব্বাস কেন এ কথা বলেছিলেন?'এ ক্ষেত্রে আপনার যেরূপ অভিরুচি হয় করুন।'- কথাটি ব্যাখ্যা করো।খলিফা কেমন ধরনের মানুষ ছিলেন? ব্যাখ্যা করো।খলিফা মামুন কিছুক্ষণ মৌন হয়ে ছিলেন কেন? ব্যাখ্যা করো।'বলিতে গেলে, তোমা হইতেই তাহার প্রাণরক্ষা হইল।'- খলিফা মামুন কাকে এ কথা বলেছিলেন? ব্যাখ্যা করো।'তুমি যে এরূপ প্রকৃতির লোক, তাহা আমি পূর্বে অবগত ছিলাম না'।- কথাটি খলিফা মামুন কেন বলেছিলেন?খলিফা কেন বন্দির প্রাণদণ্ড করতে উদ্যত হয়েছিলেন? ব্যাখ্যা করো।বিদায়কালে খলিফা বন্দির সাথে কী পাঠিয়েছিলেন? সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করো।

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ