• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • মাল্টিমিডিয়া ও গ্রাফিক্স
মাল্টিমিডিয়া ও গ্রাফিক্স

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

মাল্টিমিডিয়ার প্রধান মাধ্যমসমূহ নিচে বর্ণনা করা হলো-

সারা পৃথিবীতে এখন সর্বপ্রথম যে প্রবণতাটি স্পর্শ করছে সেটি হচ্ছে প্রচলিত ধারণা ও প্রচলিত যন্ত্রপাতিকে কম্পিউটার দিয়ে স্থলাভিষিক্ত করা।

১. বর্ণ বা টেক্সট: সারা দুনিয়াতেই টেক্সটের যাবতীয় কাজ এখন কম্পিউটারে হয়ে থাকে। একসময় টাইপরাইটার দিয়ে এসব কাজ করা হতো, এখন অফিস-আদালত থেকে পেশাদারি মুদ্রণ পর্যন্ত সর্বত্রই কম্পিউটার ব্যবহার হচ্ছে।

২. চিত্র বা গ্রাফিক্স: দুনিয়ার সর্বত্রই গ্রাফিক্স তৈরি, সম্পাদনা ইত্যাদি যাবতীয় কাজ কম্পিউটার ব্যবহার করেই করা হয়। আমাদের দেশে গ্রাফিক্স ডিজাইন, পেইন্টিং, ড্রইং বা কমার্শিয়াল গ্রাফিক্স নামক চারুকলার যে অংশটি রয়েছে তাতে কম্পিউটারের ব্যবহার অত্যন্ত সীমিত। তবে একটি ব্যতিক্রমী এলাকা হচ্ছে মুদ্রণ ও প্রকাশনা। মুদ্রণ প্রকাশনায় গ্রাফিক্স ডিজাইনের ক্ষেত্রে কম্পিউটারের ব্যবহার শুরু হয় নব্বই দশকে। প্রথমে ফটোশপ দিয়ে স্ক্যান করা ছবি সম্পাদনা দিয়ে এর সূচনা হয়। ক্রমশ ডিজাইন এবং গ্রাফিক্সে কম্পিউটার জায়গা করে নিতে থাকে।

৩. ভিডিয়ো: ভিডিয়ো কার্যত এক ধরনের গ্রাফিক্স। একে চলমান গ্রাফিক্স বললে ভালো হয়। বিশ্বজুড়ে ভিডিয়ো একটি সুপ্রতিষ্ঠিত মিডিয়া। টিভি, হোম ভিডিয়ো, মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার, ওয়েব ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রেই ভিডিয়োর ব্যবহার ব্যাপক।

৪. এনিমেশন: এনিমেশনও এক ধরনের গ্রাফিক্স বা চিত্র, তবে সেটি চলমান বা স্থির হতে পারে, এটি দ্বিমাত্রিক বা ত্রিমাত্রিক হতে পারে, আমাদের দেশে এনিমেশনের ব্যবহারও ক্রমশ ব্যাপক হচ্ছে। বিশেষত বিজ্ঞাপন চিত্রে এনিমেশন একটি প্রিয় বিষয়, তবে এনিমেশনে কাজ করার লোকের অভাব রয়েছে। আসলে এনিমেশন কখনোই কেবল একক মিডিয়া হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। এর সাথে অডিয়ো, ভিডিও, টেক্সট, গ্রাফিক্স ইত্যাদির সম্পর্ক রয়েছে।

৫. শব্দ বা অডিয়ো: শব্দ বা অডিয়ো রেকর্ড, সম্পাদনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে সারা দুনিয়া এখন কম্পিউটারের ওপর নির্ভর করে। সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং-এ এনালগ পদ্ধতি এখন কার্যত সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়েছে। কম্পিউটার দিয়ে উন্নতমানের সাউন্ড রেকর্ডিং করা যায়।

৬. ইন্টারঅ্যাকটিভ কম্পিউটিং ইন্টারঅ্যাকটিভিটি সম্পর্কে একটি কথা জানা আমাদের প্রত্যেকের প্রয়োজন। মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে একটি স্টাইল প্রয়োগ করলে যদি অক্ষরগুলো সুন্দর করে স্ক্রল বা ফ্লাস করে বা যদি ভিডিয়ো ফাইলে একটি ইফেক্ট যোগ করা হয় কিংবা এনিমেশন করলে যদি কিছু একটা পরিবর্তন হয় তাকে ইন্টারঅ্যাকটিভ বলা ঠিক হবে না। ফ্লাশ, ডিরেক্টর বা অথরওয়্যার-এর মতো শক্তিশালী অথরিং সফটওয়্যার দিয়ে তৈরি ব্যবহারকারীর সাথে কম্পিউটারের মিথস্ক্রিয়া সম্ভব এমন কিছুকেই আমরা ইন্টারঅ্যাকটিভিটি বলব।

মাল্টিমিডিয়া ও গ্রাফিক্স - অনন্যা প্রশ্ন

মাল্টিমিডিয়ার ধারণামাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমসমূহমাল্টিমিডিয়ার প্রধান মাধ্যমসমূহ নিচে বর্ণনা করা হলো-তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে মাল্টিমিডিয়ার ব্যবহারপ্রেজেন্টেশন সফটওয়্যারপ্রেজেন্টেশন সেভ বা সংরক্ষণ করানতুন স্লাইড যোগ করাপ্রেজেন্টেশনে স্লাইড প্রদর্শনস্লাইডে ব্যাকগ্রাউন্ড যুক্ত করার জন্য বা ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করার জন্য-স্লাইডে ছবি যুক্ত করাস্লাইডে ট্রানজিশন যুক্ত করালেখায় স্বতন্ত্রভাবে ট্রানজিশন প্রয়োগ করাট্রানজিশনে শব্দ প্রয়োগ করাস্লাইডে ভিডিয়ো যুক্ত করাগ্রাফিক্সের গুরুত্বফটোশপ প্রোগ্রাম খোলার জন্য-ফটোশপ প্রোগ্রামে নতুন ফাইল তৈরি করার জন্যফটোশপের টুলবক্স এবং প্যালেট পরিচিতিসিলেকশন টুল এবং মুভ টুল পরিচিতিসিলেকশন স্থানান্তরিত করাভাসমান সিলেকশনটি রং দিয়ে পূরণ করাফেদার-এর ব্যবহারল্যাসো টুল ও পলিগোনাল ল্যাসো টুলের সাহায্যে সিলেক্ট করাস্ট্রোকফাইল সেভ বা সংরক্ষণ বন্ধ করালেয়ারনতুন লেয়ার যুক্ত করাথাম্বনেইল আইকনগুচ্ছ প্যালেট এবং প্যালেট যুক্ত ও বিযুক্ত করালেয়ারে অবজেক্ট তৈরি করাটেক্সট লেয়ার তৈরি করাএক ফাইলের ছবি অন্য ফাইলে জানান্তরিত করাটার্গেট লেয়ার নির্ধারণ করালেয়ারের ওপাসিটি পরিবর্তন করালেয়ার বাতিল করে দেওয়াকাট, কপি, পেস্ট ও পেস্ট ইনটুক্রপ টুলের ব্যবহারহেলানো ছবি ক্রপ করাইরেজার টুল-এর ব্যবহারগ্রেডিয়েন্ট টুলের সাহায্যে ব্লেন্ড তৈরি করাগ্রেডিয়েন্ট টুলের সাহায্যে লিনিয়ার ব্লেন্ড তৈরি করার জন্য-গ্রেডিয়েন্ট সম্পাদনানতুন রঙ ও কালার স্টপস যুক্ত করা ও বাতিল করাছবির ঔজ্জ্বল্য ও কনট্রাস্ট সমন্বয় করাইলাস্ট্রেটরইলাস্ট্রেটর প্রোগ্রাম খোলাইলাস্ট্রেটরে নতুন ফাইল খোলার জন্য-কাজের পরিবেশ পরিচিতিটাইটেল বার

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ