• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • পূর্ববাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭খ্রি.-১৯৭০খ্রি.)
পূর্ববাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭খ্রি.-১৯৭০খ্রি.)

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশে ভাষা আন্দোলন

ভাষা আন্দোলনের পটভূমি

পাকিস্তান সৃষ্টির আগেই এই রাষ্ট্রের ভাষা কী হবে তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে বাঙালি নেতা শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন। ১৯৪৭ সালের এপ্রিল মাসে পাকিস্তান নামক একটি রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা যখন প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায়, তখনই বিতর্কটি পুনরায় শুরু হয়। ১৯৪৭ সালের ১৭ই মে চৌধুরী খলীকুজ্জামান এবং জুলাই মাসে আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. জিয়াউদ্দিন আহমদ উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব দেন। তাদের প্রস্তাবের বিরুদ্ধে আবদুল হক, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, আবুল মনসুর আহমদ এবং ড. মুহাম্মদ এনামুল হকসহ বেশ কজন বুদ্ধিজীবী প্রবন্ধ লিখে প্রতিবাদ জানান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ২রা সেপ্টেম্বর ১৯৪৭ তমদ্দুন মজলিস নামক একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। ৬-৭ই সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত উক্ত সংগঠনের যুবকর্মী সম্মেলনে ‘বাংলাকে শিক্ষা ও আইন আদালতের বাহন' করার প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়।

১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে করাচিতে অনুষ্ঠিত এক শিক্ষা সম্মেলনে উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে পূর্ববাংলায় তীব্র প্রতিবাদ শুরু হয়। বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি ওঠে, লেখালেখি শুরু হয়। ডিসেম্বর মাসেই "রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সচিবালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মিছিল, সভা-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পাকিস্তান সরকার ১৪৪ ধারা জারিসহ সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। ১৯৪৮ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদ সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত গণপরিষদের ভাষা হিসেবে উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলা ব্যবহারের দাবি জানান। তাঁর দাবি অগ্রাহ্য হলে ২৬ ও ২৯শে ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ধর্মঘট পালিত হয়। ২রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যাগয়ে 'সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' পুনর্গঠিত হয়। এ সংগঠন ১১ই মার্চ 'বাংলা ভাষা দাবি দিবস' পালনের ঘোষণা দেয়। ঐ দিন সাধারণ ধর্মঘট পালিত হয়। ১৯৪৮ সালের ৪ঠা জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ এ কর্মসূচি পালনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। ১৯৪৮ সালের ১১ই মার্চ 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই' শ্লোগানসহ মিছিল ও পিকেটিং করা অবস্থায় অন্তত ঊনসত্তর জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার নির্যাতনের প্রতিবাদে ঢাকায় ১২-১৫ই মার্চ ধর্মঘট পালিত হয়। বাধ্য হয়ে পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দীন ১৫ই মার্চ রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের সঙ্গে ৮ দফা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। দফাগুলো নিম্নে উল্লেখ করা হলো।

১. বাংলা ভাষার প্রশ্নে গ্রেপ্তারকৃত সকলকে অবিলম্বে মুক্তি দান করা হবে।

২. পুলিশি অত্যাচারের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং তদন্ত করে একটি বিবৃতি প্রদান করবেন।

৩. বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার জন্য পূর্ববাংলার আইন পরিষদে একটি বিশেষ প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে।

৪. পূর্ববাংলার সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজি উঠে যাওয়ার পর বাংলাকে সরকারি ভাষা হিসেবে প্রবর্তন করা হবে। শিক্ষার মাধ্যমও হবে বাংলা।

৫. সংবাদপত্রের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে।

৬. আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না।

৭. ২৯শে ফেব্রুয়ারি হতে জারিকৃত ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার করা হবে।

৮. রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন 'রাষ্ট্রের দুশমনদের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয় নাই'-এ মর্মে মুখ্যমন্ত্রী ভুল স্বীকার করে বক্তব্য দেবেন।

১৯৪৮ সালের ১৯শে মার্চ পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকায় আসেন। ২১শে মার্চ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) অনুষ্ঠিত জনসভায় তিনি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করেন, 'উর্দু এবং উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা'। ২৪শে মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সমাবর্তনেও তিনি অনুরূপ ঘোষণা দিলে ছাত্রসমাজ প্রতিবাদমুখর হয়ে ওঠে এবং আবদুল মতিনকে অনুসরণ করে সবাই ‘না, না' বলে তাঁর উক্তির প্রতিবাদ জানায়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রেসকোর্স ময়দানে জিন্নাহর ঘোষণারও তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানিয়েছিল। পরে একপর্যায়ে পাকিস্তান সরকার আরবি হরফে বাংলা প্রচলনের উদ্যোগ নিয়েছিল। পূর্ববাংলার মানুষ এ উদ্যোগের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জ্ঞাপন করে। মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষার মাধ্যমে পূর্ববাংলার জনগণ জাতীয়ভাবে নিজেদের বিকাশের গুরুত্ব উপলব্ধি করে।

১৯৫২ সালের ২৬শে জানুয়ারি ঢাকার পল্টন ময়দানে অনুষ্ঠিত জনসভায় পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দীন জিন্নাহর অনুকরণে উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার নতুন ঘোষণা প্রদান করেন। এর প্রতিবাদে ছাত্রসমাজ ৩০শে জানুয়ারি ধর্মঘট পালন করে। আবদুল মতিনকে আহ্বায়ক করে রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়। ৩১শে জানুয়ারি কাজী গোলাম মাহবুবকে আহ্বায়ক করে নতুনভাবে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হয়। ফলে আন্দোলন আরও বেগবান হয়। এর সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোও যুক্ত হয়। ৪ঠা ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ছাত্র বিক্ষোভ প্রদর্শিত হয়। ২১শে ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী সাধারণ হরতাল পালন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

ভাষার দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার সংকল্প ঘোষণা করা হয়। দেশব্যাপী জনমত গড়ে উঠতে থাকে। ১৯৫২ সালের ২০শে ফেব্রুয়ারি সরকারি এক ঘোষণায় ২১শে ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। সভা সমাবেশ, মিছিল এক মাসের জন্যে নিষিদ্ধ করা হয়। আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। ২১শে ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় (বর্তমান ঢাকা মেডিকেল কলেজের জরুরি বিভাগের পাশে ) একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ১০ জন করে মিছিল বের করার সিদ্ধান্ত হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজের দিক থেকে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মিছিল এগিয়ে চলে। সাথে ছিলেন ইডেন কলেজ, কামরুন্নেসা গার্লস স্কুল ও বাংলা বাজার গার্লস স্কুল হতে আগত ছাত্রীগণও।

পুলিশ প্রথমে কয়েকজনকে গ্রেফতার করে, মিছিলে লাঠিচার্জ করে ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। একপর্যায়ে পুলিশ গুলি বর্ষণ করলে আবুল বরকত, জব্বার, রফিকসহ আরও অনেকে শহিদ হন। অনেকে আহত হন। ঢাকায় ছাত্রহত্যার খবর দ্রুত সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। ২২শে ফেব্রুয়ারি ঢাকায় বিশাল শোক র্যালি বের হয়। সেখানে পুলিশের হামলায় শফিউর রহমান শহিদ হন।

শহিদদের স্মৃতি অমর করে রাখার জন্য ২৩শে ফেব্রুয়ারি ছাত্র-জনতা ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে একটি শহিদ মিনার নির্মাণ করে এবং শফিউর রহমানের পিতাকে দিয়ে ঐ দিনই তা উদ্বোধন করা হয়। ২৪ তারিখ পুলিশ উক্ত শহিদ মিনার ভেঙ্গে ফেলে। ঢাকায় ২১শে ফেব্রুয়ারি ছাত্রহত্যার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে কবি মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী ‘কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি' শীর্ষক প্রথম কবিতা রচনা করেন। তরুণ কবি আলাউদ্দিন আল আজাদ ‘স্মৃতির মিনার' কবিতাটি রচনা করেন। ঢাকার বাইরে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, বরিশাল, কুমিল্লাসহ বিভিন্ন শহরে ছাত্র, যুবকসহ সাধারণ মানুষ ভাষার দাবিতে আন্দোলনের প্রতি একাত্মতা ঘোষণা করে। পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রতি ঘৃণা পোষণ শুরু করে। এসব হত্যাকান্ড পূর্ববাংলার জনগণের মনের ওপর বড়ো ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী রচনা করেন 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি'। সঙ্গীতশিল্পী আবদুল লতিফ রচনা ও সুর করেন "ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়', এবং ‘তোরা ঢাকা শহর রক্তে ভাসাইলি'র মতো সঙ্গীত। মুনীর চৌধুরী জেলে বসে রচনা করেন 'কবর' নাটক। পরে ১৯৬৯ সালে জহির রায়হান রচনা করেছিলেন “আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসটি। ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে পূর্ববাংলায় শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চায় পাকিস্তান রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। বাঙালি জাতীয়তাবাদের চেতনা মূলধারার রাজনৈতিক আদর্শ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ স্থান করে নেয়।

১৯৪৭ সালে সূচিত রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ সালে প্রতিবাদ ও রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে রূপ লাভ করে। ফলে পাকিস্তান সরকার বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়। ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের সংবিধানে বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। নিজের ইতিহাস, ঐতিহ্য, ভাষা ও সংস্কৃতি নিয়ে পূর্ববাংলার বাঙালি এবং অন্যান্য জনগোষ্ঠী মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সাহস ও আত্মপ্রত্যয় খুঁজে পায়। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পর পঞ্চাশের দশকব্যাপী ছিল আমাদের আত্মনিয়ন্ত্রণ 'অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রস্তুতিকাল। ভাষা আন্দোলন পরবর্তীকালে সকল রাজনৈতিক আন্দোলনের অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল। এ আন্দোলন এ দেশের মানুষকে তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করে তোলে। পাকিস্তানি শাসনপর্বে এটি বাঙালিদের জাতীয় মুক্তির প্রথম আন্দোলন।

জাতীয়তাবাদের উন্মেষ

পশ্চিম পাকিস্তানে পাঞ্জাবি শক্তির বিপরীতে পূর্ব পাকিস্তানের জাতীয় সংহতির জন্য জাতীয়তাবাদের ধারণা জরুরি হয়ে পড়ে। যেহেতু হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে আমাদের বেশির ভাগ মানুষ বাঙালি; কাজেই বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশে ভাষা আন্দোলন সকলকে ঐক্যবদ্ধ করে। তাতে দেশের অন্য ভাষা ও জাতির মানুষও যোগ দেয়। নিজস্ব জাতিসত্তা সৃষ্টিতে ভাষা ও সংস্কৃতির সম্পর্ক এবং গুরুত্ব পূর্ববাংলার মানুষের কাছে অধিকতর স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বাঙালি হিসেবে নিজেদের আত্মপরিচয়ে রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা, সংস্কৃতি গড়ে তোলার গুরুত্ব উপলব্ধি করতে থাকে। ভাষাকেন্দ্রিক এই ঐক্যই জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি রচনা করে, যা পরবর্তী সময়ে স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

১৯৫৩ সাল থেকে ২১শে ফেব্রুয়ারি 'শহিদ দিবস' হিসেবে দেশব্যাপী পালিত হয়ে আসছে। প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারি খালি পায়ে হেঁটে শহিদ মিনারে ফুল অর্পণ করে আমরা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ইউনেস্কো বাংলাদেশের ২১শে ফেব্রুয়ারির শহিদ দিবসকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' (International Mother Language Day) হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। পৃথিবীতে ৭০০০ এর বেশি ভাষা রয়েছে। এসব ভাষার মানুষ সেই থেকে বাংলাদেশের শহিদ দিবসের গুরুত্ব উপলব্ধি করে নিজেদের ভাষার মর্ম নতুনভাবে বুঝতে শিখেছে। আমাদের দেশে বাংলাভাষীদের পাশাপাশি বিভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতির নৃগোষ্ঠী রয়েছে। সরকার সকল নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতির সংরক্ষণ এবং উন্নয়নে সচেষ্ট হয়ে মাতৃভাষায় আনুষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

পূর্ববর্তী

পূর্ববাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭খ্রি.-১৯৭০খ্রি.) - অনন্যা প্রশ্ন

বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশে ভাষা আন্দোলনবাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশে রাজনৈতিক আন্দোলনের ভূমিকাসামরিক শাসন ও পরবর্তী রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহকীভাবে পূর্ববাংলা- পাকিস্তানের একটি প্রদেশে পরিণত হয়?ভারত ও পাকিস্তান কবে স্বাধীনতা লাভ করে?পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দুর প্রস্তাবের বিরুদ্ধে কারা প্রবন্ধ লিখে প্রতিবাদ জানায়?তমদ্দুন মজলিস সম্পর্কে কী জান? সংক্ষেপে লেখ।তমদ্দুন মজলিস গঠন করা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।গণপরিষদে বাংলা ভাষার দাবিতে ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের অবদান সংক্ষেপে লেখ।আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কী?৮ দফা দাবির ২টি দফা লেখ।মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভাষণটি সংক্ষেপে লেখ।সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ কীভাবে গঠিত হয়?ভাষা আন্দোলনে ছাত্রীদের ভূমিকা লেখ।১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারিতে চারজন ভাষা শহিদের নাম লেখ।প্রথম শহিদ মিনার সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ধারণা দাও।ভাষা আন্দোলন সম্পর্কিত যেকোনো ২টি গ্রন্থের নাম লেখ।পাকিস্তান সরকার বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয় কেন?ভাষা আন্দোলনকে জাতীয় মুক্তির প্রথম আন্দোলন বলা হয় কেন?ভাষা আন্দোলন বাঙালিদের কীভাবে ঐক্যবদ্ধ করে?ভাষা আন্দোলন কীভাবে স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখে?জাতীয়তাবোধ বলতে কী বোঝায়?ভাষা আন্দোলন কীভাবে জাতীয়তাবাদের উন্মেষ ঘটায়?আমরা আমাদের ভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হব কেন?আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কী? সংক্ষেপে লেখ।বাংলাকে কোন প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার স্বীকৃতি দিয়েছে?আওয়ামী মুসলিম লীগের জন্ম হয় কীভাবে? সংক্ষেপে লেখ।পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতাকালীন ২ জন নেতার নাম লেখ।যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে মুসলিম লীগের পরাজয়ের দুটি কারণ লেখ।যুক্তফ্রন্ট কী? সংক্ষেপে লেখ।যুক্তফ্রন্ট গঠন করা হয় কেন?যুক্তফ্রন্ট কয়টি দল নিয়ে গঠিত হয় এবং কী কী?১৯৫৪ সালের নির্বাচনের ফলাফল লেখ।যুক্তফ্রন্টের ২টি দফা লেখ।যুক্তফ্রন্ট সরকার সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ধারণা দাও।যুক্তফ্রন্ট সরকার কেন ব্যর্থ হয়?যুক্তফ্রন্ট সরকারকে বরখাস্ত করা হয় কেন?শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হককে গৃহবন্দি করা হয় কেন? ১৯৫৮ সালে সামরিক শাসন জারি করা হয় কেন?সামরিক শাসক ইস্কান্দার মীর্জার গৃহীত পদক্ষেপগুলো লেখ।আইয়ুব খান কীভাবে প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত হন?মৌলিক গণতন্ত্র কী? ব্যাখ্যা কর।আইয়ুব খান মৌলিক গণতন্ত্র চালু করেন কেন?যেকোনো একটি অর্থবছরে দুই পাকিস্তানের অর্থনৈতিক বৈষম্য লেখ।পূর্ব পাকিস্তান অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ে কেন?দুই পাকিস্তানের নৌবাহিনী অফিসারের সংখ্যা লেখ।দুই পাকিস্তানের শিক্ষা বৈষম্য তুলে ধর।পূর্ব পাকিস্তানে মধ্যবিত্তের বিকাশ মন্থর হয়ে পড়ে কেন?এনডিএফ গঠন করা হয় কেন?বাঙালিদের মুক্তির সনদ সম্পর্কে কী জান? সংক্ষেপে লেখ। ছয় দফা দাবি উত্থাপন করা হয় কেন?ছয়দফার প্রথম দফাটি লেখ।ছয় দফার গুরুত্বপূর্ণ কেন?আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ধারণা দাও।১৯৬৯-এর আন্দোলন গণঅভ্যুত্থান নামে পরিচিত কেন?ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান কী?১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে দুইজন শহিদের নাম লেখ।কত সালে ভারতবর্ষে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে?'স্মৃতির মিনার' কবিতাটি কে রচনা করেন?আগরতলা মামলা থেকে শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তি পান কেন?শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দেন কে?আইয়ুব খান পদত্যাগ করতে বাধ্য হয় কেন?জেনারেল ইয়াহিয়া খান ক্ষমতায় বসেন কেন?কীসের ভিত্তিতে ১৯৭০ সালের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়?১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা দলগুলোর নাম লেখ।১৯৭০ সালে জাতীয় পরিষদের নির্বাচনের ফলাফল লেখ।১৯৭০ সালে প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনের ফলাফল উল্লেখ কর।২১ মার্চ ১৯৪৮ সাল রেসকোর্স ময়দানে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ কী ঘোষণা দেন? কার নেতৃত্বে 'তমদ্দুন মজলিস' গঠিত হয়েছিল? ১৯৩৭ সালে মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার বিরোধিতা করেন কে?কত সালে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন ঘটেছিল?'ভাষা সংগ্রাম পরিষদ' নতুনভাবে কী নামে পঠিত হয়?তমদ্দুন মজলিস কোন ধরনের প্রতিষ্ঠান?কবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় (ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে) সভা অনুষ্ঠিত হয়?কার নেতৃত্বে গণআজাদী লীগ গঠিত হয়?মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করেন কে?'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি ...গানটির রচয়িতা কে?তমদ্দুন মজলিস কবে গঠিত হয়?পাকিস্তানের সংবিধানে বাংলা ভাষাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয় কত সালে?'ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়'- এর রচয়িতা কে?ভাষা সৈনিক ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত কত তারিখে পাকিস্তানের গণপরিষদে উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলা ব্যবহারের দাবি জানান?পাকিস্তান সৃষ্টির আগে কোন বিষয় নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়?মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ কত সালে উর্দু ভাষার প্রস্তাব করেন? মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর উর্দু ভাষায় প্রস্তাবে বিরোধিতা করেন কে?১৯৪৭ সালের ১৭ মে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দু করার প্রস্তাব দেন কে?ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ উর্দু ভাষার বিপক্ষে কীভাবে প্রতিবাদ জানান?কোন সম্মেলনে বাংলাকে শিক্ষা ও আইন-আদালতের বাহন করার প্রস্তাব করা হয়?কখন রাষ্ট্রভাষা উর্দু করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়?পাকিস্তান সরকার কীভাবে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করে?গণপরিষদের কোন সদস্য উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবি জানান?সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ কখন পুনঃগঠিত হয়?কখন 'বাংলা ভাষা দাবি দিবস' পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়?১৯৪৮ সালে পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দীন কয় দফা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন?মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ কখন ঢাকায় আসেন?পাকিস্তানের গভর্নর রেসকোর্স ময়দানে কী ঘোষণা দেন?কাকে আহ্বায়ক করে 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' নতুনভাবে গঠিত হয়?১৯৫২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি কোথায় ছাত্র বিক্ষোভ প্রদর্শিত হয়?ভাষা শহিদ শফিউর কখন শহিদ হন?প্রথম শহিদ মিনার কাকে দিয়ে উদ্বোধন করা হয়?ভাষা আন্দোলন পূর্ব বাংলায় কোন ভাবাদর্শ ছড়িয়ে দেয়?জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি রচনা করে কোনটি?কোন শক্তির বিপরীতে পূর্ব পাকিস্তানের জাতীয়তাবাদের ধারণা জরুরি হয়ে পড়ে?স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় কোনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে?শহীদদের প্রতি আমরা কীভাবে শ্রদ্ধা জানাই?কোন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের ২১শে ফেব্রুয়ারি শহিদ দিবসকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে?পৃথিবীতে কতটি ভাষা আছে?কোন সাল থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি শহিদ দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে?জাতীয়তাবাদ কী?পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার কত শতাংশ বাঙালি ছিল?কীভাবে মানুষ বঞ্চনার ব্যাপারে সচেতন হতে থাকে?পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কোন কোন ক্ষেত্রে কর্তৃত্ব শুরু করে?আওয়ামী মুসলিম লীগ দলটি কখন প্রতিষ্ঠিত হয়?পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের সভাপতি কে ছিলেন?আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে মুসলিম শব্দটি কত সালে বাদ দেওয়া হয়?পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক কে ছিলেন?পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের পূর্বের নাম কী ছিল?২১-দফা দাবির প্রথম দাবিটি কী ছিল?কয়টি দল নিয়ে যুস্তফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল?যুক্তফ্রন্টের একুশ দফার একুশতম দফায় কী ছিল?এ. কে ফজলুল হক কখন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন?কে যুক্তফ্রন্ট সরকারকে বরখাস্ত করে?যুক্তফ্রন্ট সরকার কত দিন ক্ষমতায় ছিল?১৯৫৮ সালে কে সামরিক আইন জারি করেন?মৌলিক গণতন্ত্র কাকে বলে?সামরিক শাসনকে দীর্ঘস্থায়ী করার লক্ষ্যে আইয়ুব খান কী ব্যবস্থা চালু করেন?১৯৬২ সালের প্রস্তাবিত শাসনতন্ত্রের বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজ কয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল?আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে কখন পূর্ব বাংলায় আন্দোলন শুরু হয়?আইয়ুব খান কখন ক্ষমতা দখল করে?১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ কত দিন অব্যাহত ছিল?বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্মসূচি কী?ছয় দফা কর্মসূচি কী?কে, কখন ছয় দফা দাবি উপস্থাপন করেন?ছয় দফার প্রবস্তা কে ছিলেন?পাকিস্তান সরকারের আগরতলা মামলার এক নম্বর আসামি কে ছিলেন?আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় মোট আসামির সংখ্যা কত ছিল?পানিস্তান সরকার কত সালে আগরতলা মামলা দায়ের করে?পাকিস্তান সরকার কোন ধারায় আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে?আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার শুনানি শুরু হয় কোথায়?আগতলা ষড়যন্ত্র মামলার শুনানি শুরু হয় কত তারিখে?আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা কীভাবে বাঙালিদের স্বাধীনতার দিকে ধাবিত করে?উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান কী?কখন আইয়ুব খান শেখ মুজিবুর রহমানকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে বাধ্য হন?আইয়ুব খান কখন প্রেসিডেন্ট পদ থেকে ইস্তফা দেন?১৯৭০ সালের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের ভোটার সংখ্যা কত ছিল?'এক ব্যক্তির এক ভোটের ভিত্তিতে কত সালে সর্বপ্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়?১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তানে প্রাদেশিক পরিষদে কতটি আসন অর্জন করে?কোনটি পাকিস্তানের সরকার ও স্বার্থান্বেষী মহলের জন্য একটি বিরাট পরজায়?‘তমদ্দুন মজলিস’ কে, কখন এবং কেন গঠন করে?তমদ্দুন মজলিস কর্তৃক গঠিত সংগ্রাম পরিষদের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে গড়ে ওঠা খাজা নাজিমুদ্দিনের সাথে সংগ্রাম পরিষদের সম্পাদিত চুক্তির 'প্রথম দফাটি' ব্যাখ্যা কর।"পাকিস্তান সৃষ্টির পূর্বেই ভাষা নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়।"- ব্যাখ্যা কর।শিক্ষা সম্মেলনে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষার সিদ্ধান্তের ফলাফল ব্যাখ্যা কর।ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের দাবি উপেক্ষিত পরবর্তী পরিস্থিতি ব্যাখ্যা কর।ছাত্রজনতা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে- ব্যাখ্যা কর।প্রথম শহিদ মিনার উদ্বোধন ব্যাখ্যা কর।শহিদ দিবসকে উপলক্ষ করে গীতিকার ও কবিগণের প্রতিক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।২১ ফেব্রুয়ারিকে কেন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে?'বিশ্বদরবারে আজ বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত' ব্যাখ্যা কর।আমরা আমাদের ভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হব কেন?শহিদ মিনারের রাজনৈতিক গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠনের কারণ ব্যাখ্যা কর। যুক্তফ্রন্ট কেন গঠন করা হয়? ব্যাখ্যা কর।কেন ১৯৫৩ সালে যুক্তফ্রন্ট গঠন করা হয়?যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনের বর্ণনা দাও।যুক্তফ্রন্টের ২১ দফার চারটি দফা উল্লেখ কর।১৯৫৪ সালের নির্বাচনে কোন জোটটি গঠন করা হয়েছিল? ব্যাখ্যা কর।১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনের গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।'যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা ছিল গণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক'- ব্যাখ্যা কর।যুক্তফ্রন্টের বিজয়কে "ব্যালট বিপ্লব" বলে আখ্যায়িত করা হয় কেন?যুক্তফ্রন্ট সরকারের বর্ণনা কর।পাকিস্তানের সামরিক শাসন জারি হওয়ায় কারণ বর্ণনা কর।পাকিস্তানের সামরিক শাসনের ব্যাখ্যা দাও।আইয়ুব খান মৌলিক গণতন্ত্র নামে একটি ব্যবস্থা চালু করে কেন? ব্যাখ্যা কর।আইয়ুব খান প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত হয়ে যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করেন তা ব্যাখ্যা কর।আইয়ুব খানের মৌলিক গণতন্ত্র কি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ছিল? ব্যাখ্যা কর।পাকিস্তানের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় পূর্ব পাকিস্তানের ভূমিকা নগণ্য ছিল কেন? ব্যাখ্যা কর।পশ্চিম পাকিস্তান কর্তৃক পূর্ব পাকিস্তানের অর্থনৈতিক বৈষম্য ব্যাখ্যা কর।পাকিস্তানের দুই অঞ্চলের প্রশাসনিক বৈষম্য ব্যাখ্যা কর।পাকিস্তানি শাসনামলে পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে শিক্ষাক্ষেত্রে কী ধরনের বৈষম্য ছিল?পূর্ব বাংলার প্রতি পশ্চিম পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বৈষম্য ব্যাখ্যা কর।ছয় দফা গুরুত্বপূর্ণ কেন?ছয় দফা কর্মসূচির পটভূমি ব্যাখ্যা কর।পাকিস্তান সরকারকে কীভাবে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহারে বাধ্য করা হয়?আগরতলা মামলা সম্পর্কে লেখ। '৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম কারণ কী ছিল? ব্যাখ্যা কর। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক গুরুত্ব লেখ।১৯৭০ সালের নির্বাচনের গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পিছনে যে নির্বাচনের গুরুত্ব সর্বাধিক তার ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ