• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • অষ্টম শ্রেণি
  • ভাব-সম্প্রসারণ
ভাব-সম্প্রসারণ

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

মিথ্যা শুনিনি ভাই, এই হৃদয়ের চেয়ে বড় কোন মন্দির কাবা নাই

মিথ্যা শুনিনি ভাই,
এই হৃদয়ের চেয়ে বড় কোন মন্দির কাবা নাই

ভাব-সম্প্রসারণ: প্রত্যেক মানুষের মনের মন্দিরে বসবাস করেন মহান সৃষ্টিকর্তা। যেখানে সৃষ্টিকর্তার আবাস, তার চেয়ে উপযুক্ত পবিত্র কোনো উপাসনালয় থাকতে পারে না।

মহান সৃষ্টিকর্তা মানুষকে বিবেক-বিবেচনা ও বুদ্ধি সহকারে সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। পাপ-পুণ্য, ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায় বিচার করে মানুষকে পথ চলতে হয়। কোনটি ভালো, কোনটি মন্দ, কোনটি পাপ অথবা পুণ্য, কোনটি ন্যায় অথবা অন্যায় এটি মানুষের মনই নির্ধারণ করে। মানুষ উপাসনা করার জন্য মন্দির অথবা মসজিদে যায় সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টি বিধানের জন্য। কিন্তু মন যদি অপবিত্র থাকে তাহলে কঠোর আরাধনা বা প্রার্থনা করেও স্রষ্টার সান্নিধ্যে আসা যায় না। এজন্য সর্বপ্রথম দরকার মনের পবিত্রতা। আবার এ মন দ্বারা মানুষ পরিচালিত হয়ে কল্যাণকর কার্যাদি তথা স্রষ্টার সন্তুষ্টি সাধনে ব্যাপৃত হয়। সুতরাং মানুষের মন অথবা হৃদয়ই হচ্ছে সমস্ত উপাসনালয়ের চেয়ে শ্রেষ্ঠ স্থান। সংসারধর্ম পালন করেও মানুষ হৃদয়কে পাপমুক্ত রেখে পুণ্য অর্জন করতে পারে। হৃদয় পাপমুক্ত না হলে দিন-রাত উপাসনা করেও কোনো ফল হবে না। হৃদয় নির্মল হলে আরাধনায় সিদ্ধি আসে। স্রষ্টার সঙ্গে সংযোগ সৃষ্টি হয়। সেজন্য কবি বলেছেন যে, হৃদয়ের থেকে বড় কোনো মন্দির অথবা কাবা তিনি দেখেননি। মন দ্বারাই দুঃখীর দুঃখে ব্যথিত হওয়া যায় আবার দানখয়রাত করার অভিপ্রায় লাভ করা যায়। বস্তুত মানুষের মনই হচ্ছে শ্রেষ্ঠ উপাসনালয়।

তাই আমাদের মনকে সবসময় কলুষমুক্ত রাখতে হবে। কারণ মনই হচ্ছে মানুষের সর্বশ্রেষ্ঠ উপাসনালয়। ঈর্ষা নয়, নির্মল ও কলুষমুক্ত মন মানুষকে ন্যায়ের পথে, সত্যের পথে এবং ধর্মের পথে পরিচালিত করে। তাই জাগতিক যত মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা থাকুক না কেন হৃদয়ের স্থান সবকিছুর উর্ধ্বে।

ভাব-সম্প্রসারণ - অনন্যা প্রশ্ন

এ জগতে, হায়, সেই বেশি চায় আছে যার ভূরি ভূরি রাজার হস্ত করে সমস্ত কাঙালের ধন চুরিকরিতে পারি না কাজ সদা ভয়, সদা লাজ সংশয়ে সংকল্প সদা টলে পাছে লোকে কিছু বলেবিশ্বের যা-কিছু মহান সৃষ্টি চির-কল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নরআমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারিজন্মিলে মরিতে হবে, অমর কে কোথা কবে, চিরস্থির কবে নীর, হায় রে, জীবন নদে?বাংলার ইতিহাস এ দেশের মানুষের রক্ত দিয়ে রাজপথ রঞ্জিত করার ইতিহাসসঙ্গ দোষে লোহা ভাসেলোভে পাপ, পাপে মৃত্যুজ্ঞানহীন মানুষ পশুর সমানএকতাই বলবাংলার ইতিহাস এদেশের মানুষের রক্ত দিয়ে রাজপথ রঞ্জিত করার ইতিহাসসঙ্গদোষে লোহা ভাসেজ্ঞানহীন মানুষ পশুর সমানলোভে পাপ, পাপে মৃত্যুএকতাই বলতুমি অধম, তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতিস্বরূপচরিত্র মানুষের অমূল্য সম্পদবন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়েশিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ডপ্রাণ থাকলেই প্রাণী হয়, কিন্তু মন না থাকলে মানুষ হয় নাদুর্জন বিদ্বান হলেও পরিত্যাজ্যমঙ্গল করিবার শক্তিই ধন, বিলাস ধন নহেকীর্তিমানের মৃত্যু নাইস্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিনঅর্থই অনর্থের মূলস্পষ্টভাষী শত্রু নির্বাক মিত্র অপেক্ষা ভালোআত্মশক্তি অর্জনই শিক্ষার উদ্দেশ্যসুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিতরাত যত গভীর হয়, প্রভাত তত নিকটে আসেভোগে সুখ নাই, ত্যাগেই প্রকৃত সুখজীবনের জন্য মৃত্যু, মৃত্যুর জন্য জীবন নয়চকচক করলেই সোনা হয় নাপুষ্প আপনার জন্য ফোটে না, পরের জন্য তোমার হৃদয় কুসুমকে প্রস্ফুটিত করিওপড়িলে বই আলোকিত হই, না পড়িলে বই অন্ধকারে রইইচ্ছা থাকলেই উপায় হয়বিদ্যার সাথে সম্পর্কহীন জীবন অন্ধ এবং জীবনের সাথে সম্পর্কহীন বিদ্যা পঙ্গুদাও ফিরে সে অরণ্য, লও এ নগরযে সহে, সে রহেঅর্থসম্পদের বিনাশ আছে, কিন্তু জ্ঞানসম্পদ কখনো বিনষ্ট হয় নাপথ পথিকের সৃষ্টি করে না, পথিকই পথের সৃষ্টি করেপ্রয়োজনে যে মরিতে প্রস্তুত বাঁচিবার অধিকার তাহারইঅসির চেয়ে মসি বড়তরুলতা সহজেই তরুলতা, পশু-পাখি সহজেই পশু-পাখি; কিন্তু মানুষ প্রাণপণ চেষ্টায়ই মানুষদশের লাঠি একের বোঝাধনের মানুষ মানুষ নয়, মনের মানুষই মানুষনিরক্ষরতা দুর্ভাগ্যের প্রসূতিভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও নাযেমন কর্ম তেমন ফললাইব্রেরি জাতির সভ্যতা ও উন্নতির মানদণ্ডসৎসঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎ সঙ্গে সর্বনাশসততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা বা নীতিস্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল/ স্বাস্থ্যই সম্পদবিশ্রাম কাজের অঙ্গ একসাথে গাঁথা, নয়নের অংশ যেন নয়নের পাতাসংসার সাগরে দুঃখ তরঙ্গের খেলা, আশা তার একমাত্র ভেলাশৈবাল দিঘিরে বলে উঁচু করি শির, লিখে রেখো এক ফোঁটা দিলেম শিশিরস্বদেশের উপকারে নাই যার মন, কে বলে মানুষ তারে? পশু সেইজনগ্রন্থগত বিদ্যা আর পর হস্তে ধন, নহে বিদ্যা, নহে ধন হলে প্রয়োজনজন্ম হউক যথা তথা কর্ম হউক ভালোআপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসে নাই কেহ অবনী 'পরে, সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরেপরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন, নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপনমিথ্যা শুনিনি ভাই, এই হৃদয়ের চেয়ে বড় কোন মন্দির কাবা নাইউত্তম নিশ্চিন্তে চলে অধমের সাথে, তিনিই মধ্যম যিনি চলেন তফাতেশুনহ মানুষ ভাই সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাইঅন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে তব ঘৃণা যেন তারে তৃণসম দহেচিরসুখী জন ভ্রমে কি কখন ব্যথিত বেদন বুঝিতে পারে? কি যাতনা বিষে বুঝিবে সে কিসে কভু আশী বিষে দংশেনি যারে?স্বার্থমগ্ন যে-জন বিমুখ বৃহৎ জগৎ হতে, সে কখনো শেখেনি বাঁচিতেকোথায় স্বর্গ, কোথায় নরক? কে বলে তা বহুদূর, মানুষের মাঝে স্বর্গ-নরক মানুষেতে সুরাসুরযে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি, আশু গৃহে তার দেখিবে না আর নিশীথে প্রদীপ ভাতিআপনাকে বড় বলে বড় সেই নয় লোকে যারে বড় বলে, বড় সেই হয়মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাইকাঁটা হেরি ক্ষান্ত কেন কমল তুলিতে দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে?নানান দেশের নানান ভাষা, বিনা স্বদেশী ভাষা পুরে কি আশা?আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে, কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবেক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়- পূর্ণিমা-চাঁদ যেন ঝল্সানো রুটিছোট ছোট বালুকণা, বিন্দু বিন্দু জল, গড়ে তোলে মহাদেশ, সাগর অতলনানান দেশের নানান ভাষা বিনা স্বদেশী ভাষা মিটে কি আশা?পিতামাতা গুরুজনে দেবতুল্য জানি, যতনে মানিয়া চলো তাহাদের বাণীপুণ্যে-পাপে, দুঃখে-সুখে, পতনে-উত্থানে, মানুষ হইতে দাও তোমার সন্তানেবড় যদি হতে চাও ছোট হও তবেসেই ধন্য নরকুলে, লোকে যারে নাহি ভুলেসুসময়ে অনেকেই বন্ধু বটে হয়, অসময়ে হায় হায় কেহ কারো নয়

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ