• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • কৃষি প্রযুক্তি
কৃষি প্রযুক্তি

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

বীজ সংরক্ষণ

বীজ সংরক্ষণ প্রক্রিয়া

বীজ উৎপাদন থেকেই বীজ সংরক্ষণের শুরু। জমিতে এর বপন বা রোপণের মাধ্যমে বীজ সংরক্ষণ প্রক্রিয়া শেষ। তাহলে দেখা যাচ্ছে বীজ সংরক্ষণ বলতে বীজের উৎপাদন, শুকানো, প্রক্রিয়াজাতকরণ, মান নিয়ন্ত্রণ, বিপণন যাবতীয় কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করাকেই বোঝায়।
বীজ সংরক্ষণের শর্তসমূহ

বীজ উৎপাদন

বীজ শস্য উৎপাদনের জন্য নিম্নোক্ত বিষয়গুলো মনে রাখা দরকার:

১) কেবল বীজের জন্যই ফসলের চাষ করা;

২) নির্বাচিত জমির আশপাশের জমিতে ঐ নির্দিষ্ট বীজ ফসলের অন্য জাতের আবাদ না করা;

৩) বীজ উৎপাদনের জন্য নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান থেকে বীজ সংগ্রহ করা;

৪) বীজের চারা বৃদ্ধিকালে জমি থেকে ভিন্ন জাতের গাছ তুলে ফেলা;

৫) বীজের ক্ষেত ঘন ঘন পরিদর্শন করা যাতে (ক) আগাছা দমন (খ) ভিন্ন জাতের গাছ তোলা ও (গ) রোগবালাই ও পোকা-মাকড়ের উপদ্রব ইত্যাদি সম্পর্কে সঠিক ব্যবস্থা নেওয়া যায়;

৬) ফসলের পরিপক্বতার দিকে দৃষ্টি রাখা:

৭) পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নভাবে ফসল কাটা, মাড়াই করা ও ঝাড়া।

বীজ শুকানো

বীজকে দীর্ঘায়ু ও পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য বীজকে শুকানো প্রয়োজন। বীজের জীবনীশক্তি ও অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা বাড়াতে বীজ শুকানোর কোনো বিকল্প নেই। প্রকৃতপক্ষে বীজের আর্দ্রতা একটি স্ট্যান্ডার্ড মাত্রায় আনার জন্যই বীজ শুকানো হয়। ক্ষেত থেকে যখন ফসল কাটা হয় তখন এর আর্দ্রতা থাকে ১৮% থেকে ৪০% পর্যন্ত। এই আর্দ্রতা বীজের জীবনীশক্তি নষ্ট করে ফেলে। তাই বীজকে পরবর্তী মৌসুমে ব্যবহারের নিমিত্তে বীজের আর্দ্রতাকে ১২% বা তার নিচে নামিয়ে আনা আবশ্যক। আর এ জন্যই বীজ শুকানোর প্রয়োজন হয়।

বীজ শুকানোর পদ্ধতি

দুই প্রকারে বীজ শুকানো যায়। যথা: (১) প্রাকৃতিক বা স্বাভাবিক বাতাসে শুকানো এবং (২) উত্তপ্ত বাতাসে শুকানো।

বীজের চারিপার্শ্বস্থ বাতাসের আর্দ্রতা যদি বীজের আর্দ্রতা থেকে বেশি হয় তবে বাতাস থেকে আর্দ্রতা বীজের মধ্যে প্রবেশ করে যতক্ষণ পর্যন্ত না বীজ ও বাতাসের আর্দ্রতা সমান হয়।

বীজের আর্দ্রতা প্রয়োজনীয় মাত্রায় রাখতে হলে চারিপার্শ্বস্থ বাতাসকে শুকনো রাখা প্রয়োজন।

বীজ শুকানোর সময় নির্ভর করে (১) বীজের আর্দ্রতার মাত্রা (২) বাতাসের তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার মাত্রা (৩) বাতাসের গতি এবং (৪) বীজের পরিমাণের উপর।

মনে রাখতে হবে যে, (১) বেশি তাপমাত্রায় বীজ শুকালে বীজের সমূহ ক্ষতি হয়। যেমন- বীজের জীবনীশক্তি ও অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা হ্রাস পায়। (২) অপর্যাপ্ত তাপে বীজ শুকালেও একই রকম ক্ষতি হয়। অর্থাৎ বীজের জীবনীশক্তি ও অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা হ্রাস পায়।

পরিমিত তাপে দক্ষতার সাথে বীজ শুকালে-

সর্বোচ্চ মানের বীজ পাওয়া যায়।

বীজ দীর্ঘকাল সংরক্ষণ করা যায়।

বীজের ব্যবসায় আর্থিক লাভের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ

ফসল কাটার পর ফসলের দানাকে বীজে পরিণত করা এবং পরবর্তী বপনের পূর্ব পর্যন্ত বীজের উন্নতমান ও অঙ্কুরোদগম ক্ষমতাকে বজায় রাখার জন্য বীজের সর্বপ্রকার পরিচর্যাকে বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ বলে। বীজ শুকিয়ে মান ও আকার অনুযায়ী ভাগ করা এবং সর্বশেষ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণের গুরুত্বপূর্ণ কার্যকলাপ।
বীজকে সুষ্ঠুভাবে প্রক্রিয়াজাত করলে যে সুফল পাওয়া যায়-

১) বীজের বিশুদ্ধতা বৃদ্ধি পায়;

২) বীজ দেখতে আকর্ষণীয় হয়:

৩) বীজের অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা বাড়ে।

বীজের মান নিয়ন্ত্রণ

বীজের মান নিয়ন্ত্রণ বলতে কৃষিতাত্ত্বিক কলাকৌশল প্রয়োগ করে বীজ উৎপাদন হয়েছে কি না, সঠিকভাবে ফসল কর্তন, মাড়াই ও ঝাড়াই হয়েছে কি না, সঠিকভাবে বীজ শুকিয়ে নির্দিষ্ট আর্দ্রতায় আনা হয়েছে কি না বোঝায়। প্রতিটি কাজেই বীজের গুণাগুণ নিয়ন্ত্রণের সুযোগ রয়েছে।

বীজের মান নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে একটি বীজের নমুনার মধ্যে (১) বিশুদ্ধ বীজ (২) ঘাসের বীজ (৩) অন্যান্য শস্যের বীজ ও (৪) পাথর থাকে। এদের মধ্যে বিশুদ্ধ বীজের শতকরা হার বের করাই বীজের বিশুদ্ধতা পরীক্ষা।

বীজের অঙ্কুরোদগম পরীক্ষা

নমুনা বীজের শতকরা কতটি বীজ গজায় তা বের করাই বীজের অঙ্কুরোদগম পরীক্ষা। যখন বীজের আর্দ্রতা ৩৫-৬০% বা তার উপর হয় তখন অঙ্কুরোদগম শুরু হয়। এর হার শতকরায় প্রকাশ করা হয়। ১০০টি বীজ গুণে একটি বেলে মাটিপূর্ণ মাটির পাত্রে রেখে পানি দ্বারা ভিজিয়ে রাখতে হবে। প্রতিদিন দেখতে হবে পানি যেন শুকিয়ে না যায়। নির্ধারিত সময় পরে বীজের অঙ্কুরোদগম শুরু হবে। যতটি বীজ গজাবে ততটি হবে বীজের অঙ্কুরোদগম হার।

বীজের আর্দ্রতা পরীক্ষা

বীজ থেকে আর্দ্রতা বের করে দিয়ে তাতে কতটুকু আর্দ্রতা আছে তা জানার পদ্ধতিকে বীজের আর্দ্রতা পরীক্ষা বলা হয়। তা শতকরা হারে নিম্নোক্ত সূত্র দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

সূত্র: আর্দ্রতার শতকরা হার =নমুনা বীজের ওজন নমুনা বীজ শুকানোর পর ওজন নমুনা বীজের ওজনসূত্র:\:আর্দ্রতার\:শতকরা\:হার\:=\frac{নমুনা\:বীজের\:ওজন\:নমুনা\:বীজ\:শুকানোর\:পর\:ওজন\:}{নমুনা\:বীজের\:ওজন}​ X ১০০

বীজের জীবনীশক্তি পরীক্ষা

এই পরীক্ষার জন্য বীজ গজানোর একটি প্রতিকূল অবস্থা সৃষ্টি করা হয়। এই প্রতিকূল অবস্থায় যে বীজ বেশি গজাবে সে বীজেরই জীবনীশক্তি বেশি বলে প্রতীয়মান হবে।

বীজ বিপণন

বীজ বিপণন বীজ প্রযুক্তির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ। বীজ বিপণন বলতে বীজ সংগ্রহ, প্যাকেজ করা, বিক্রিপূর্ব সংরক্ষণ, বিজ্ঞপ্তি, বিক্রি এসব কাজকে এককথায় বিপণন বলে। বীজ বিপণনকালে ক্রেতাদের নিম্নোক্ত তথ্য প্রদান করতে হবে।

  • বীজের জাত নির্ধারণ
  • বীজের পরিমাণ নির্ধারণ
  • বীজ অনুমোদনপ্রাপ্ত বা প্রত্যায়িত কি না
  • বীজের অঙ্কুরোদগমের হার
  • বীজ বপনের পদ্ধতি
  • বীজের বিশুদ্ধতার হার
  • বীজের আর্দ্রতা
  • বীজের জীবনকাল
  • বীজ উৎপাদনকারী সংস্থার নাম
  • বীজ অনুমোদন সংস্থার নাম
  • সংরক্ষণের নির্দেশ
  • বীজের মূল্য

বীজ সংরক্ষণের গুরুত্ব

বীজ ভীষণ অনুভূতিপ্রবণ। একটু অসর্তকতার জন্য বিপুল পরিমাণে বীজ নষ্ট হয়। কৃষকেরা তার নিজস্ব অভিজ্ঞতা অনুযায়ী বীজ সংরক্ষণ করেন। একটাই উদ্দেশ্য সামনের মৌসুমে যাতে সুস্থ-সবল বীজ বাজারে বিক্রি করতে পারেন। কিন্তু তবুও কীভাবে বীজের জীবনীশক্তি যাতে নষ্ট না হয় সেদিকে লক্ষ রেখেই বীজ সংরক্ষণের পদ্ধতির উদ্ভাবন হয়েছে। ফসল বাছাই মাড়াই ও পরিবহনকালেই বীজ বেশি নষ্ট হয়। ইঁদুর, পাখি, ছত্রাক, আর্দ্রতা ইত্যাদির কারণে প্রায় দশ ভাগ ফসল নষ্ট হয়। এতদ্ব্যতীত বীজের সাথের ধুলাবালি, নুড়ি পাথরও বীজের গুণাগুণ নষ্ট করে।

বীজ সংরক্ষণের প্রাথমিক উদ্দেশ্য হলো বীজের গুণগতমান রক্ষা করা এবং যেসব বিষয় বীজকে ক্ষতি করতে পারে সেগুলো সম্পর্কে সতর্ক হওয়া ও প্রতিরোধের ব্যবস্থা করা।

বীজ সংরক্ষণের পদ্ধতি

বাংলাদেশে বীজ সংরক্ষণের অনেক পদ্ধতি আছে। এক এক ফসলের বীজের জন্য এক এক রকম পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। যেমন দানাজাতীয় শস্য- ধান, গম, ভুট্টা, বীজের জন্য ধানগোলা, ডোল মাটির পাত্র, চটের বস্তা, পলিব্যাগ ও বেড ব্যবহার করা হয়। নিম্নে ফসল সংরক্ষণের পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

বীজ শুকানো ও চটের বস্তায় সংরক্ষণ

বীজ শুকানো অর্থ হচ্ছে বীজ থেকে অতিরিক্ত আর্দ্রতা সরানো এবং পরিমিত মাত্রায় আনা। আর্দ্রতার মাত্রা ১২-১৩% হলে ভালো হয়। বাংলাদেশে বীজ শুকানো হয় রোদে বা সূর্যতাপে। এই আর্দ্রতা ১২-১৩ শতাংশ নামাতে বীজগুলোকে প্রায় তিন দিন প্রখর রোদে শুকাতে হয়। ঠিকমতো শুকিয়েছে কিনা তা বীজে কামড় দিয়ে পরখ করতে হবে। বীজে কামড় দেওয়ার পর যদি 'কট' করে আওয়াজ হয় তবে মনে করতে হবে বীজ ভালোমতো শুকিয়েছে। অতঃপর বীজগুলোকে চটের বস্তায় নিয়ে গোলা ঘরে রাখা হয়। বীজ পোকার উপদ্রব থেকে রক্ষার জন্য বীজের বস্তায় নিমের পাতা, নিমের শিকড়, আপেল বীজের গুঁড়া, বিশকাটালি ইত্যাদি মেশানো হয়।

ধান গোলায় সংরক্ষণ

ধান সংরক্ষণের জন্য ধানের গোলা ব্যবহার হয়ে থাকে। ধানগোলার আয়তন বীজের পরিমাণের উপর নির্ভর করে নির্মাণ করা হয়। বীজ রাখার আগে ধানগোলার ভিতরে ও বাইরে গোবর ও মাটির মিশ্রণের প্রলেপ দিয়ে বীজ রাখার উপযুক্ত করতে হবে। বীজগুলো এমনভাবে ভরতে হবে যেন এর ভিতর কোনো বাতাস না থাকে। সেই জন্য ধানগোলার মুখ বন্ধ করে এর উপর গোবর ও মাটির মিশ্রণের প্রলেপ দিতে হবে।

ডোলে সংরক্ষণ

ডোল আকারে ধানগোলার চেয়ে ছোট। ডোল ধানগোলার চেয়ে কম ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন বীজ পাত্র। এটি বাঁশ বা কাঠ দিয়ে গোলাকার করে তৈরি করা হয়। ধানগোলার মতোই ডোলের বাইরে ও ভিতরে গোবর ও মাটির মিশ্রণের প্রলেপ দিয়ে ভালোভাবে শুকিয়ে বীজ রাখার উপযুক্ত করা হয়।

পলিথিন ব্যাগে সংরক্ষণ

আজকাল পাঁচ কেজি ধারণক্ষমতাসম্পন্ন পলিথিন ব্যাগে বীজ সংরক্ষণ করা হয়। এই ব্যাগ আরডিআরএস কর্তৃক উদ্ভাবিত। সাধারণ পলিথিনের চেয়ে বীজ রাখার পলিথিন অপেক্ষাকৃত মোটা হয়। শুকনো বীজ এমনভাবে পলিথিন ব্যাগে রাখতে হবে যাতে কোনো ফাঁক না থাকে এবং ব্যাগ থেকে সম্পূর্ণ বাতাস বেরিয়ে আসে। অতঃপর ব্যাগের মুখ তাপের সাহায্যে এমনভাবে বন্ধ করতে হবে যেন বাইরে থেকে ভিতরে বাতাস প্রবেশের সুযোগ না থাকে।

মটকায় সংরক্ষণ

মটকা মাটি নির্মিত একটি গোলাকার পাত্র। গ্রাম বাংলায় এটি বহুল পরিচিত। এটি বেশ পুরু এবং মজবুত। মটকার বাইরে মাটি বা আলকাতরার প্রলেপ দেওয়া হয়। গোলা ঘরের মাচার নির্দিষ্ট স্থানে মটকা রেখে এর ভিতর শুকনো বীজ পুরোপুরি ভর্তি করা হয়। অতঃপর ঢাকনা দিয়ে বন্ধ করে উপরে মাটির প্রলেপ দিয়ে বায়ুরোধক করা হয়।

কৃষি প্রযুক্তি - অনন্যা প্রশ্ন

মাটি ও পরিবেশের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ফসল নির্বাচনসবজিজাতীয় ফসলের মাটির বৈশিষ্ট্যমৃত্তিকাভিত্তিক পরিবেশ অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ফসল নির্বাচনফসল উৎপাদনের জন্য জমি প্রস্তুতিভূমি কর্ষণ তথা জমি প্রস্তুতকরণের উদ্দেশ্যজমি চাষের বিবেচ্য বিষয়ভূমিক্ষয়ভূমিক্ষয়ের প্রকারভূমিক্ষয়ের ক্ষতির বিভিন্ন দিকবীজ সংরক্ষণকৃষি প্রযুক্তি কী?ফসল বলতে কী বুঝায়?ধান চাষোপযোগী মাটির বৈশিষ্ট্য লিখ।ধান চাষোপযোগী মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির উপায় লেখ।মাটির বৈশিষ্ট্য কাকে বলে?গম চাষোপযোগী মাটির দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ কর।ডাল চাষোপযোগী মাটির দুটি বৈশিষ্ট্য লিখ।বেলে দোআঁশ মাটিতে ভাল ভালো জন্মে কেন?বিনা চাষে ডাল ফসল উৎপাদনে কেমন জমি নির্বাচিত করতে হয়?ডাল চাষের জন্য নিষ্কাশনযোগ্য মাটি প্রয়োজন কেন?গোল আলু চাষের মাটিতে প্রচুর জৈব পদার্থ থাকা দরকার কেন?গোল আলু চাষোপযোগী মাটির বৈশিষ্ট্য লিখ।টমেটো চাষ উপযোগী মাটির বৈশিষ্ট্য লিখ।কৃষি পরিবেশ অঞ্চলের শ্রেণিবিভাগ কর।বাংলাদেশকে কয়টি কৃষি পরিবেশ অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে এবং কেন?কৃষি পরিবেশ অঞ্চল কী?পলি মাটিতে ফসল ভাল হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।দোআঁশ ও পলি দোআঁশ মাটি অঞ্চলের মধ্যে দুটি পার্থক্য লিখ।মধুপুর অঞ্চলের মাটির বৈশিষ্ট্য কেমন?বরেন্দ্র ও মুষুপুর অঞ্চলে বৃষ্টিনির্ভর ফসলের তালিকা উল্লেখ কর।রাঙামাটি অঞ্চলে মাটির ২টি বৈশিষ্ট্য লিখ।দোআঁশ ও পলি দোআঁশ মাটি অঞ্চলের সেচনির্ভর ফসলগুলো উল্লেখ কর।পাহাড়ি ও পাদভূমি অঞ্চলে কেন নানাবিধ ফসল উৎপাদন হয়?উপকূলীয় অঞ্চলে সেচনির্ভর ফসলের নাম লিখ।উপকূলীয় অঞ্চলে তরমুজ ভালো জন্মে কেন?গমের মাটি ঝুরঝুরা করা প্রয়োজন কেন?ভূমি কর্ষণের সাথে জড়িত দুটি প্রযুক্তি উল্লেখ কর।মুলা চাষে ষোলটি চাষ দিতে হয় কেন?জমিতে নালা তৈরি করা হয় কেন?কখন জমিতে গভীর চাষ দেওয়া অনুচিত?নিবিড় শস্য চাষে গভীর চাষ দরকার পড়ে না কেন?ভূমি কর্ষণের চারটি উদ্দেশ্য লিখ।মাটিতে বড় বড় ঢেলা হয় কেন?ভূমি কর্ষণের মাধ্যমে মাটি সার ও জৈব পদার্থের মিশ্রকরণ ঘটে- ব্যাখ্যা কর।ভূমিকর্ষণ কীভাবে মাটির ক্ষয়রোধ করে?চাষ দিলে মাটির পানিধারণ ক্ষমতা বাড়ে কেন?ভূমি কর্ষণ কীভাবে মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে?জমিতে কম্পোস্ট সার ব্যবহার করা হয় কেন?জমি কর্ষণ কীভাবে পোকামাকড় দমন করে?মাটিতে বিদ্যমান দুটি অণুজীবের নাম লিখ।ভূমি কর্ষণ করলে গাছ মাটি হতে সহজে পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করতে পারে কেন?ভূমি কর্ষণে মাটির ক্ষয় রোধ হয় কেন?ফসলের প্রকার কীভাবে জমি চাষে ভূমিকা রাখে?জমি চাষে মাটির প্রকার বিবেচনা করতে হয় কেন?জমি চাষের বিবেচ্য বিষয়গুলো লিখ।আবহাওয়া কীভাবে মাটির আর্দ্রতায় তারতম্য ঘটায়?বিভিন্ন প্রকার' ফসলের জন্য বিভিন্ন রকম চাষ প্রয়োজন হয় কেন?মাটিতে জো আসার পর চাষ দিতে হয় কেন?ভূমিক্ষয়ের প্রধান চারটি কারণ লিখ।ভূমিক্ষয় কত প্রকার ও কী কী?প্রাকৃতিক ভূমিক্ষয়ের প্রভাব লিখ।প্রাকৃতিক ভূমিক্ষয়কে স্বাভাবিক ক্ষয় বলা হয় কেন?বৃষ্টিপাতজনিত ভূমিক্ষয়কে কয়টি শ্রেণিতে ভাগ করা যায় তা উল্লেখ কর।আস্তরণ ভূমিক্ষয় বলতে কী বুঝ?গালি ভূমিক্ষয় ব্যাখ্যা কর।আস্তরণ ভূমিক্ষয় কেন হয়?কোন ভূমিক্ষয়ে হাতের রেখার মতো রেখা সৃষ্টি হয়?বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলে কোন ধরনের ভূমিক্ষয় দেখা যায়?কোন ভূমিক্ষয়টি ছোট নদীর মতো দেখায়?পার্বত্য অঞ্চলে নালা ভূমিক্ষয় বেশি দেখা যায় কেন?নদীভাঙনের ফলে কীভাবে কৃষিজমি হ্রাস পায়?কোন এলাকায় বাত্যাজনিত ভূমিক্ষয়ের প্রকোপ বেশি?কোন ধরনের মাটিতে বায়ুজনিত ভূমিক্ষয় বেশি হয়?ভূমিক্ষয়ের ২টি ক্ষতিকর দিক উল্লেখ কর।কৃষিকাজের ফলে কীভাবে ভূমিক্ষয় হয়? ব্যাখ্যা কর।ভূমিক্ষয়ের ফলে নদীর গভীরতা হ্রাস পায় কেন?ভূমিক্ষয়ের ফলে কেন বন্যার প্রাদুর্ভাব বাড়ে?পানির প্রবাহ কীভাবে ভূমিক্ষয় ঘটায়?দুটি আচ্ছাদিত ফসলের নাম লিখ।ভূমিক্ষয় রোধের দুটি পদ্ধতি উল্লেখ কর।জুম চাষ করলে পাহাড়ে সহজেই ধস নামে কেন?ঢাল অনুযায়ী বিভিন্ন খন্ডে চাষ করলে ভূমিক্ষয় কম হয় কেন?জৈব পদার্থ কীভাবে মাটির ক্ষয়রোধ করে?কন্টোর চাষ কী?বীজ সংরক্ষণ বলতে কী বোঝায়?বীজের ক্ষেত ঘন ঘন পরিদর্শন করতে হয় কেন?বীজের জীবনী শক্তি হ্রাস পাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।বীজ সংরক্ষণের পূর্বে আর্দ্রতা কমানো হয় কেন?বীজ শুকানোর পদ্ধতিগুলো ব্যাখ্যা কর।বীজ শুকানোর সময় কী কী বিষয়ের উপর নির্ভর করে?বীজের জীবনীশক্তি ও অঙ্কুরোদগম ক্ষমতার উপর তাপমাত্রার প্রভাব তুলে ধর।বীজ সংরক্ষণের চারটি শর্ত উল্লেখ কর।বীজ শস্য উৎপাদনের দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ কর।বীজ উৎপাদনে ফসলের পরিপক্কতার দিকে দৃষ্টি রাখতে হয় কেন?পরিমিত তাপে বীজ শুকালে কী কী সুবিধা পাওয়া যায়?বীজকে সুষ্ঠুভাবে প্রক্রিয়াজাত করলে কী কী সুফল পাওয়া যায়?বীজের মান নিয়ন্ত্রণ বলতে কী বুঝায়?বীজের বিশুদ্ধতা পরীক্ষা কাকে বলে?বীজের অঙ্কুরোদগম পরীক্ষা কী?বীজের অঙ্কুরোদগম পরীক্ষা কীভাবে করা হয়?​​​বীজের আর্দ্রতা পরীক্ষা কাকে বলে?বীজ সংরক্ষণের প্রাথমিক উদ্দেশ্যটি লিখ।বীজ নষ্ট হওয়ার দুটি কারণ লিখ।বীজের বস্তায় বিষকাটালি মেশানো হয় কেন?বীজের বিশুদ্ধতার হার নির্ণয় করা প্রয়োজন কেন?মটকায় কীভাবে বীজ সংরক্ষণ করা হয়?খাদ্যের সংরক্ষণকাল তাপমাত্রার ওপর নির্ভরশীল কেন?খাদ্য সংরক্ষণ ও গুদামজাতকরণের সময় বাতাসের আর্দ্রতা কেমন হতে হবে?খাবারের গুণগতমান ভালো হতে হয় কেন?আর্দ্রতা সংরক্ষিত খাদ্যের উপর কী প্রভাব ফেলে তা ব্যাখ্যা কর।মাছের খাবারের গুণগত মান ভালো হওয়া প্রয়োজন কেন?তাপমাত্রা কীভাবে খাদ্যের গুণগতমান নষ্ট করে?খাদ্য খোলা অবস্থায় রাখলে গুণগতমান নষ্ট হয় কেন?গুদাম ঘরে সংরক্ষিত খাদ্য মেঝেতে রাখা উচিত নয় কেন?খাদ্য সংরক্ষণের প্রধান উদ্দেশ্য কী?সাইলেজ ব্যবহারের সুবিধাগুলো লিখ।

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ