• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • মহাবিশ্ব ও আমাদের পৃথিবী
মহাবিশ্ব ও আমাদের পৃথিবী

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

সৌরজগৎ (Solar System)

সূর্য এবং তার গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণুপুঞ্জ, অসংখ্য ধূমকেতু ও অগণিত উল্কা নিয়ে সৌরজগৎ গঠিত (চিত্র ২.৫)। সূর্য সৌরজগতের কেন্দ্রে অবস্থান করছে। গ্রহগুলো মহাকর্ষ বলের প্রভাবে সূর্যের চারদিকে ঘুরছে। সৌরজগতের যাবতীয় গ্রহ-উপগ্রহের নিয়ন্ত্রক হলো সূর্য। সূর্যকে ভিত্তি করে সৌরজগতের যাবতীয় কাজ-কর্ম চলে। এই মহাবিশ্বের বিশালতার মধ্যে সৌরজগৎ নিতান্তই ছোট।

সূর্য (Sun): সূর্য একটি নক্ষত্র। এটি একটি মাঝারি আকারের হলুদ বর্ণের নক্ষত্র। এর ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার এবং ভর প্রায় ১.৯৯×১০১৩ কিলোগ্রাম। এটি সৌরজগতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্যোতিষ্ক। সূর্যের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অতি ঘনিষ্ঠ। পৃথিবী, অন্যান্য গ্রহ, উপগ্রহের তাপ ও আলোর মূল উৎস সূর্য। সূর্যের আলো ছাড়া পৃথিবী চির অন্ধকারে থাকত এবং পৃথিবীতে জীবজগৎ ও উদ্ভিদজগতের কিছুই বাঁচত না। সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে আটটি গ্রহ। সূর্য থেকে গ্রহগুলো দূরত্ব অনুযায়ী পর পর যেভাবে রয়েছে তা হলো বুধ (Mercury), শুক্র (Venus), পৃথিবী (Earth), মঙ্গল (Mars), বৃহস্পতি (Jupiter), শনি (Saturn), ইউরেনাস (Uranus) এবং নেপচুন (Neptune)। গ্রহদের মধ্যে সবচেয়ে বড় বৃহস্পতি এবং ছোট বুধ। বুধ, শুক্র, মঙ্গল, বৃহস্পতি ও শনি বেশ উজ্জ্বল এবং কোনো যন্ত্রের সাহায্য ছাড়াই দেখা যায়। ইউরেনাস ও নেপচুন এতটা কম উজ্জ্বল যে দূরবীক্ষণ ছাড়া এদের দেখা যায় না।

বুধ (Mercury): বুধ সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম এবং সূর্যের নিকটতম গ্রহ। সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ৫.৮ কোটি কিলোমিটার; এর ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার। সূর্যের খুব কাছাকাছি থাকায় সূর্যের আলোর তীব্রতার কারণে সবসময় একে দেখা যায় না। সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে আসতে বুধের সময় লাগে ৮৮ দিন। সুতরাং বুধ গ্রহে ৮৮ দিনে এক বছর হয়। বুধের মাধ্যাকর্ষণ বল এত কম যে এটি কোনো বায়ুমন্ডল ধরে রাখতে পারে না। এখানে নেই মেঘ, বৃষ্টি, বাতাস ও পানি। সুতরাং প্রাণির অস্তিত্ব নেই। ১৯৭৪ সালে মার্কিন মহাশূন্যযান মেরিনার-১০ বুধের যে ছবি পাঠায় তা থেকে দেখা যায় যে, বুধের উপরিতল একদম চাঁদের মতো। ভূত্বক অসংখ্য গর্তে ভরা এবং এবড়ো-থেবড়ো। এখানে আছে অসংখ্য পাহাড় ও সমতলভূমি। বুধের কোনো উপগ্রহ নেই।

শুক্র (Venus): বুধের মতো শুক্র গ্রহকেও ভোরের আকাশে শুকতারা এবং সন্ধ্যার আকাশে সন্ধ্যাতারা হিসেবে দেখা যায়। শুকতারা বা সন্ধ্যাতারা আসলে কোনো তারা নয়। কিন্তু নক্ষত্রের মতো জ্বলজ্বল করে বলেই আমরা একে ভুল করে তারা বলি। শুক্র গ্রহটি ঘন মেঘে ঢাকা। তাই এর উপরিভাগ থেকে সূর্যকে কখনই দেখা যায় না। শুক্রের মেঘাচ্ছন্ন বায়ুমন্ডল প্রধানত কার্বন ডাইঅক্সাইডের তৈরি। এটি সৌরজগতের সবচেয়ে উজ্জ্বল ও সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ। সূর্য থেকে শুক্র গ্রহের দূরত্ব ১০.৮ কোটি কিলোমিটার। এর দিন ও রাতের মধ্যে আলোর বিশেষ কোনো তারতম্য হয় না। এখানে বৃষ্টি হয় তবে এসিড বৃষ্টি। শুক্রের ব্যাস ১২,১০৪ কিলোমিটার। সূর্যকে ঘুরে আসতে শুক্রের সময় লাগে ২২৫ দিন। সুতরাং শুক্রে ২২৫ দিনে এক বছর। শুক্রের কোনো উপগ্রহ নেই। সকল গ্রহ এদের নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বে পাক খেলেও একমাত্র শুক্র গ্রহ পূর্ব থেকে পশ্চিমে পাক খায়।

পৃথিবী (Earth): পৃথিবী আমাদের বাসভূমি। এটি সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহ। সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব ১৫ কোটি কিলোমিটার। এর ব্যাস প্রায় ১২,৬৬৭ কিলোমিটার। পৃথিবী একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে সময় নেয় ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড। তাই এখানে ৩৬৫ দিনে এক বছর। চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ। পৃথিবী একমাত্র গ্রহ যার বায়ুমন্ডলে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন, নাইট্রোজেন ও তাপমাত্রা রয়েছে যা উদ্ভিদ ও জীবজন্তু বসবাসের উপযোগী। সৌরজগতের গ্রহগুলোর মধ্যে একমাত্র পৃথিবীতেই প্রাণের অস্তিত্ব আছে।

মঙ্গল (Mars): মঙ্গল পৃথিবীর নিকটতম প্রতিবেশী। বছরের অধিকাংশ সময় একে দেখা যায়। খালি চোখে মঙ্গল গ্রহকে লালচে দেখায়। সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ২২.৮ কোটি কিলোমিটার। এর ব্যাস ৬,৭৮৭কিলোমিটার এবং পৃথিবীর ব্যাসের প্রায় অর্ধেক। এই গ্রহে দিনরাত্রির পরিমাণ পৃথিবীর প্রায় সমান। সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরতে মঙ্গলের সময় লাগে ৬৮৭ দিন। মঙ্গল গ্রহের উপরিভাগে রয়েছে গিরিখাত ও আগ্নেয়গিরি। এ গ্রহে অক্সিজেন ও পানির পরিমাণ খুবই কম এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ এত বেশি (শতকরা ৯৯ ভাগ) যে প্রাণীর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয়। মঙ্গলে ফোবস ও ডিমোস নামে দুটি উপগ্রহ রয়েছে।

বৃহস্পতি (Jupiter): বৃহস্পতি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ। একে গ্রহরাজ বলে। এর ব্যাস ১,৪২,৮০০ কিলোমিটার। আয়তনে পৃথিবীর চেয়ে ১,৩০০ গুণ বড়। এটি সূর্য থেকে প্রায় ৭৭.৮ কোটি কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে। তাই পৃথিবীর সাতাশ ভাগের একভাগ তাপ পায়। বৃহস্পতির বায়ুমন্ডল হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি। বায়ুমন্ডলের উপরিভাগে তাপমাত্রা খুবই কম এবং অভ্যন্তরের তাপমাত্রা অত্যন্ত বেশি (প্রায় ৩০,০০০° সেলসিয়াস)। সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে বৃহস্পতির সময় লাগে ৪,৩৩১ দিন। বৃহস্পতির উপগ্রহের সংখ্যা ৭৯টি। এ গ্রহে জীবের অস্তিত্ব নেই।

শনি (Saturn): শনি সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ। সূর্য থেকে এর দূরত্ব ১৪৩ কোটি কিলোমিটার। এটি গ্যাসের তৈরি বিশাল এক গোলক। এর ব্যাস ১,২০,০০০ কিলোমিটার। শনির ভূত্বক বরফে ঢাকা। এর বায়ুমন্ডলে আছে হাইড্রোজেন ও হিলিয়ামের মিশ্রণ, মিথেন ও অ্যামোনিয়া গ্যাস। সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরতে শনির সময় লাগে পৃথিবীর প্রায় ২৯.৫ বছরের সমান। শনি উজ্জ্বল বলয় দ্বারা বেষ্টিত এবং এর ৮২টি উপগ্রহ আছে।

ইউরেনাস (Uranus): ইউরেনাস সৌরজগতের তৃতীয় বৃহত্তম গ্রহ। এ গ্রহটি সূর্য থেকে ২৮৭ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে এ গ্রহের সময় লাগে ৮৪ বছর। এ গ্রহের গড় ব্যাস ৪৯,০০০ কিলোমিটার। এ গ্রহটি হালকা পদার্থ দিয়ে গঠিত, আবহমণ্ডলে মিথেন গ্যাসের পরিমাণ অধিক। শনির মতো ইউরেনাসেরও কয়েকটি বলয় আবিষ্কৃত হয়েছে, তবে শনির বলয়ের ন্যায় এ বলয়গুলো উজ্জ্বল নয়। এর উপগ্রহ সংখ্যা ২৭টি।

নেপচুন (Neptune): সূর্য থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৪৫০ কোটি কিলোমিটার। এখানে সূর্যের আলো ও তাপ খুব কম। এর ব্যাস ৪৮,৪০০ কিলোমিটার। এ গ্রহ আয়তনে প্রায় ৭২টি পৃথিবীর সমান এবং ভর ১৭টি পৃথিবীর ভরের সমান। এর বায়ুমন্ডলে বেশিরভাগই মিথেন ও অ্যামোনিয়া গ্যাস। এর উপগ্রহ সংখ্যা ১৪টি। সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরতে নেপচুনের সময় লাগে ১৬৫ বছর।

মহাবিশ্ব ও আমাদের পৃথিবী - অনন্যা প্রশ্ন

মহাকাশ ও মহাবিশ্ব (Space and Universe)নক্ষত্র (Star)সৌরজগৎ (Solar System)পৃথিবীর আকার-আকৃতি (Size and shape of the Earth)অক্ষরেখা, দ্রাঘিমারেখা ও গুরুত্বপূর্ণ রেখাসমূহ (Latitude, Longitude and other Important Lines)অক্ষরেখা (Latitude)অক্ষাংশ নির্ণয় (Determining latitude)দ্রাঘিমারেখা (Longitude)গুরুত্বপূর্ণ রেখাসমূহ (Important lines)আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা (International Date Line)পৃথিবীর গতি (Rotation of the Earth)আহ্নিক গতি (Rotation)আহ্নিক গতির প্রমাণ (Proofs of Rotation)বার্ষিক গতি (Revolution)বার্ষিক গতির প্রমাণ (Proofs of Revolution)ঋতু পরিবর্তন (Change of season)ঋতু পরিবর্তনের প্রভাব (Impact of Seasonality)অক্ষরেখার ডিগ্রিকে কী বলে?পৃথিবী বৃত্তের কেন্দ্রে উৎপন্ন কোণ কত ডিগ্রি?পৃথিবী কোন দিকে অক্ষরেখার উপর ঘুরছে?পৃথিবীর সুমেরু ও কুমেরু সংযোগকারী কাল্পনিক রেখাকে কী বলে?কর্কটক্রান্তির অক্ষাংশ কত?বিষুবরেখার অপর নাম কী?নিরক্ষরেখার নিকটবর্তী অক্ষাংশসমূহকে কী বলা হয়?সূর্য যেদিন যে অক্ষাংশের উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়, সেটি কী বলা হয়?লন্ডনের উপকণ্ঠে গ্রিনিচ শহরের উপর দিয়ে অতিক্রম করা মধ্যরেখাকে কী বলে?মূল মধ্যরেখার বৈশিষ্ট্য কী?সেকট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে কী নির্ণয় করা যায়?বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে কোন দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে?১৮০° পূর্ব ও পশ্চিম দ্রাঘিমারেখাকে কী বলে?দ্রাঘিমান্তর ১° হলে সময়ের পার্থক্য কত?বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোত উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বামদিকে বেঁকে যাওয়ার কারণ কী?পৃথিবীর নিজ অক্ষের চারদিকে একবার আবর্তনের কালকে কী বলে?পৃথিবীর চারদিকে কী ঘিরে রয়েছে?আদি-অন্তহীন আকাশকে কী বলা হয়?চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, নক্ষত্র, ধূমকেতু, উল্কা, নীহারিকা, পালসার, কৃষ্ণবামন, কৃষ্ণগহ্বর প্রভৃতি কী হিসেবে পরিচিত?কোন জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো থাকে?নক্ষত্র কী দিয়ে তৈরি?সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র কোনটি?মহাকাশে গ্রহ, নক্ষত্র, ধূলিকণা, ধূমকেতু, বাষ্পকুণ্ডের বিশাল সমাবেশকে কী বলা হয়?কোনো গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশকে কী বলা হয়?মহাকাশে অসংখ্য স্বপ্নালোকিত তাঁরকার আস্তরণ কী নামে পরিচিত?একটি নীহারিকার মাঝে কত নক্ষত্র থাকে?রাতের মেঘমুক্ত আকাশে নক্ষত্র ছুটে যাওয়া বা খসে পড়ার ঘটনাকে কী বলা হয়?বেশিরভাগ উল্কাপিণ্ডের আকার কেমন?মহাকাশে মাঝে মাঝে যে জ্যোতিষ্কের আবির্ভাব ঘটে, যার মাথা ও লেজ থাকে, তাকে কী বলা হয়?ধূমকেতুকে কী ধরনের জ্যোতিষ্ক বলা হয়?হ্যালির ধূমকেতু কত বছরে একবার দেখা যায়?সৌরজগৎ কী দিয়ে গঠিত?সৌরজগতের যাবতীয় গ্রহ-উপগ্রহের নিয়ন্ত্রক কে?সৌরজগতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্যোতিষ্ক কোনটি?সূর্যকে কেন্দ্র করে কতটি গ্রহ ঘুরছে?পৃথিবী ও অন্যান্য গ্রহ-উপগ্রহের তাপ ও আলোর মূল উৎস কী?সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ কোনটি?সূর্যের নিকটতম গ্রহ কোনটি?শুক্র গ্রহ কোন দিকে নিজ অক্ষে পাক খায়?কোন গ্রহের বায়ুমন্ডলে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন, নাইট্রোজেন ও তাপমাত্রা রয়েছে?উদ্ভিদ ও জীবজন্তু বসবাসের উপযোগী গ্রহ কোনটি?পৃথিবীর কত ভাগ পানিতে ঢাকা?কোন গ্রহে অক্সিজেন ও পানির পরিমাণ খুবই কম এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ এত বেশি যে প্রাণীর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয়?মঙ্গল গ্রহের উপরিভাগে কী কী রয়েছে?কে এবং কখন স্পুটনিকে চড়ে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণের সময় বুঝতে পারেন যে পৃথিবী গোলাকার, তবে তা কমলালেবুর মতো?কারা এবং কখন চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে পৃথিবীকে দেখেন?দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টনকারী কল্পিত রেখাকে কী বলা হয়?পৃথিবীর গোলাকৃতি কেন্দ্র দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে কল্পিত রেখাকে কী বলা হয়?নিরক্ষরেখার উত্তর-দক্ষিণে পৃথিবী কীভাবে ভাগ করা হয়েছে?পৃথিবীর গোলীয় আকৃতির জন্য নিরক্ষরেখাকে কী বলা হয়?নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর বা দক্ষিণে অবস্থিত কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বকে কী বলা হয়?মহাবিশ্ব কীভাবে গঠিত হয়েছে? অথবা, মহাবিশ্ব বলতে কী বোঝায়?নক্ষত্র বলতে কী বোঝায়?মহাবিশ্বে পৃথিবীর অবস্থান বর্ণনা কর।নক্ষত্রমন্ডলী বলতে কী বোঝ?ক্যাসিওপিয়া কী? ব্যাখ্যা কর।উল্কাপাত বলতে কী বোঝায়?গ্রহকে নক্ষত্র বলা যায় না কেন?ছুটন্ত তারা প্রচন্ড গতিতে ছুটে আসার কারণ ব্যাখ্যা কর।ধূমকেতু বহুদিন পরপর দেখা যায়? ব্যাখ্যা কর।কৃত্রিম উপগ্রহ বলতে কী বোঝ?সৌরজগৎ কী? এর দুটি বৈশিষ্ট্য লেখ।সূর্যকে নক্ষত্র বলা হয় কেন?বুধ গ্রহে বায়ুমণ্ডল না থাকার কারণ কী লেখ।শুকতারা বা সন্ধ্যাতারা বলতে কী বোঝায়?বুধ ও বৃহস্পতি গ্রহের মধ্যে দুটি পার্থক্য দেখাও।পৃথিবী গ্রহটি প্রাণিকুলের বসবাসের জন্য উপযোগী হওয়ার কারণ সংক্ষেপে লেখ।মঙ্গল গ্রহে প্রাণীর অস্তিত্ব নেই সংক্ষেপে এর কারণ দর্শাও।বৃহস্পতি গ্রহকে গ্রহরাজ বলা হয় কেন?পৃথিবীর আকৃতি কীরূপ সংক্ষেপে লেখ।'আমাদের বাসযোগ্য গ্রহটির আকার কমলালেবুর মতো'-ব্যাখ্যা কর।উত্তর গোলার্ধে অক্ষাংশ কোন তারার সাহায্যে জানা যায়? ব্যাখ্যা কর।নিরক্ষরেখা সম্পর্কে তোমার ধারণা ব্যক্ত কর।আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা বলতে কী বোঝায়?আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা অতিক্রমের সূত্রটি ব্যাখ্যা কর।প্রতিপাদ স্থান বলতে কী বোঝ?প্রতিপাদ স্থান কীভাবে নির্ণয় করা হয়?পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে আমরা কেন ছিটকে পড়ি না- এর চারটি কারণ লেখ।পৃথিবীর আবর্তন গতি থাকা সত্ত্বেও আমরা অনুভব করি না- বুঝিয়ে লেখ।প্রতি চার বছরে ফেব্রুয়ারি মাস ২৯ দিনে হয় কেন? বুঝিয়ে লেখ।অধিবর্ষ বলতে কী বোঝায়?কী কারণে ঋতুপরিবর্তিত হয়? সংক্ষেপে লেখ।২১ জুন উত্তর গোলার্ধে দিন বড় ও রাত ছোট হয় কেন?১৫ জানুয়ারি উত্তর গোলার্ধে শীতকাল হাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।৩০ জুন উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।মহাকাশ কাকে বলে?মহাবিশ্ব কাকে বলে?নক্ষত্র কাকে বলে?সূর্যের নিকটতম নক্ষত্রের নাম কী?নক্ষত্রমণ্ডলী কাকে বলে?ছায়াপথ কাকে বলে? অথবা, আকাশ গঙ্গা কাকে বলে?গ্যালাক্সি কাকে বলে? অথবা, নক্ষত্রজগৎ কাকে বলে?নীহারিকা কাকে বলে?গ্যাসীয় নীহারিকা বলতে কী বোঝ?উল্কা কী? অথবা, নক্ষত্র পতন বা তারা খসা কী?ধূমকেতু কাকে বলে?গ্রহ কাকে বলে?উপগ্রহ কাকে বলে?কৃত্রিম উপগ্রহ কাকে বলে?সৌরজগৎ কাকে বলে? অথবা, সৌরপরিবার কাকে বলে?হ্যালির ধূমকেতু কত বছর পর পর দেখা যায়?পৃথিবীর পরিধি কোথায় সবচেয়ে বেশি?পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতি কীসের মত?অক্ষরেখা কী? অথবা, মেরু রেখা কাকে বলে?অক্ষাংশ কাকে বলে?সেক্সট্যান্ট যন্ত্র কাকে বলে?দ্রাঘিমা কী?দ্রাঘিমাংশ কাকে বলে?মূল মধ্যরেখা কাকে বলে?নিরক্ষরেখা কাকে বলে?কর্কটক্রান্তি রেখা কাকে বলে?সুমেরুবৃত্ত কী?সমাক্ষরেখা কাকে বলে?দুটি প্রতিপাদ স্থানের মধ্যে সময়ের পার্থক্য কত হয়?প্রতিপাদ স্থান কাকে বলে?আহ্নিক গতি কাকে বলে?বার্ষিক গতি কাকে বলে?ঋতু কাকে বলে?উত্তর গোলার্ধে বড় দিন কোনটি?নক্ষত্র খালি চোখে দেখা যায় না কেন? ব্যাখ্যা কর।মহাকাশের ছুটন্ত তারকা বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর। অথবা, উল্কাকে ছুটন্ত তারা বলে মনে হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।উল্কা নক্ষত্র নয় কেন? ব্যাখ্যা কর।মহাকাশের কোনটিকে লেজযুক্ত জ্যোতিষ্ক বলা হয়? ব্যাখ্যা কর। অথবা, ধূমকেতু মাঝে মাঝে অদৃশ্য হয়ে যায় কেন- ব্যাখ্যা কর।মহাকাশে দীর্ঘ সময় পরপর কোন জ্যোতিষ্ক দেখা যায়? ব্যাখ্যা কর। অথবা, কোন জ্যোতিষ্ক বহু দিন পর পর দেখা যায়? ব্যাখ্যা কর।চাঁদকে কেন উপগ্রহ বলা হয়?চাঁদকে কেন উপগ্রহ বলা হয়?বুধ গ্রহ বায়ুমণ্ডল ধরে রাখতে পারে না কেন? ব্যাখ্যা কর।পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরে কেন? ব্যাখ্যা কর।পৃথিবী গ্রহটি প্রাণিকুলের বসবাসের জন্য উপযোগী কেন?চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে ঘোরার কারণ ব্যাখ্যা কর।মঙ্গল গ্রহে পানির অস্তিত্ব থাকা সত্ত্বেও প্রাণীর অস্তিত্ব নেই কেন? ব্যাখ্যা কর।মঙ্গল গ্রহে প্রাণীর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয় কেন? অথবা, মঙ্গল গ্রহে প্রাণীর অস্তিত্ব নেই কেন?পৃথিবীর বৃহত্তম রেখা কোনটি? ব্যাখ্যা কর।নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর আবর্তন বেগ বেশি হওয়ার কারণ কী? ব্যাখ্যা কর।নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর ঘূর্ণায়ন বেগ সবচেয়ে বেশি কেন? ব্যাখ্যা কর।পৃথিবীর মধ্যভাগে আবর্তন বেগ বেশি হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।সময় নির্ণয়ে দ্রাঘিমা রেখা কেন ব্যবহার করা হয়? ব্যাখ্যা কর।আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা আঁকাবাঁকা টানা হয়েছে কেন? ব্যাখ্যা কর।তারিখ বিভাজনকারী রেখা আঁকাবাঁকা কেন? ব্যাখ্যা কর।কোন কাল্পনিক রেখা আঁকাবাঁকা করে অঙ্কন করা হয়? ব্যাখ্যা কর।দিবা-রাত্রি সংঘটিত হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।পৃথিবীর কোন গতির সাথে জোয়ারভাটার সম্পর্ক রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।আহ্নিক গতির ফলে পৃথিবীতে জোয়ারভাটা হয়- বুঝিয়ে লেখ।পৃথিবী নামক গ্রহে উদ্ভিদ ও জীবজন্তু বসবাসের উপযোগী দুটি সুবিধা উল্লেখ কর।পৃথিবীর আকৃতি কীরূপ সংক্ষেপে লেখ।'আমাদের বাসযোগ্য গ্রহটির আকার কমলালেবুর মতো'-ব্যাখ্যা কর।উত্তর গোলার্ধে অক্ষাংশ কোন তারার সাহায্যে জানা যায়? ব্যাখ্যা কর।নিরক্ষরেখা সম্পর্কে তোমার ধারণা ব্যক্ত কর।আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা বলতে কী বোঝায়?আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা অতিক্রমের সূত্রটি ব্যাখ্যা কর।প্রতিপাদ স্থান বলতে কী বোঝ?প্রতিপাদ স্থান কীভাবে নির্ণয় করা হয়?পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে আমরা কেন ছিটকে পড়ি না- এর চারটি কারণ লেখ।পৃথিবীর আবর্তন গতি থাকা সত্ত্বেও আমরা অনুভব করি না - বুঝিয়ে লেখ।প্রতি চার বছরে ফেব্রুয়ারি মাস ২৯ দিনে হয় ফেন? বুঝিয়ে লেখ।অধিবর্ষ বলতে কী বোঝায়?কী কারণে ঋতুপরিবর্তিত হয়? সংক্ষেপে লেখ।২১ জুন উত্তর গোলার্ধে দিন বড় ও রাত ছোট হয় কেন?১৫ জানুয়ারি উত্তর গোলার্ধে শীতকাল হাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।৩০ জুন উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।মহাকাশ কাকে বলে?মহাবিশ্ব কাকে বলে?নক্ষত্র কাকে বলে?সূর্যের নিকটতম নক্ষত্রের নাম কী?নক্ষত্রমণ্ডলী কাকে বলে?ছায়াপথ কাকে বলে? অথবা, আকাশ গঙ্গা কাকে বলে?গ্যালাক্সি কাকে বলে? অথবা, নক্ষত্রজগৎ কাকে বলে?নীহারিকা কাকে বলে?গ্যাসীয় নীহারিকা বলতে কী বোঝ?উল্কা কী? অথবা, নক্ষত্র পতন বা তারা খসা কী?ধূমকেতু কাকে বলে?গ্রহ কাকে বলে?উপগ্রহ কাকে বলে?কৃত্রিম উপগ্রহ কাকে বলে?সৌরজগৎ কাকে বলে? অথবা, সৌরপরিবার কাকে বলে?চন্দ্র কী?হ্যালির ধূমকেতু কত বছর পর পর দেখা যায়?পৃথিবীর পরিধি কোথায় সবচেয়ে বেশি?পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতি কীসের মত?অক্ষরেখা কী? অথবা, মেরু রেখা কাকে বলে?অক্ষাংশ কাকে বলে?সেক্সট্যান্ট যন্ত্র কাকে বলে?দ্রাঘিমা কী?দ্রাঘিমাংশ কাকে বলে?মূল মধ্যরেখা কাকে বলে?নিরক্ষরেখা কাকে বলে?কর্কটক্রান্তি রেখা কাকে বলে?সুমেরুবৃত্ত কী?সমাক্ষরেখা কাকে বলে?দুটি প্রতিপাদ স্থানের মধ্যে সময়ের পার্থক্য কত হয়?প্রতিপাদ স্থান কাকে বলে?আহ্নিক গতি কাকে বলে?বার্ষিক গতি কাকে বলে?ঋতু কাকে বলে?উত্তর গোলার্ধে বড় দিন কোনটি?নক্ষত্র খালি চোখে দেখা যায় না কেন? ব্যাখ্যা কর।মহাকাশের ছুটন্ত তারকা বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা কর। অথবা, উল্কাকে ছুটন্ত তারা বলে মনে হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।উল্কা নক্ষত্র নয় কেন? ব্যাখ্যা কর।মহাকাশের কোনটিকে লেজযুক্ত জ্যোতিষ্ক বলা হয়? ব্যাখ্যা অথবা, ধূমকেতু মাঝে মাঝে অদৃশ্য হয়ে যায় কেন- ব্যাখ্যা কর।মহাকাশে দীর্ঘ সময় পরপর কোন জ্যোতিষ্ক দেখা যায়। ব্যাখ্যা কর। অথবা, কোন জ্যোতিষ্ক বহু দিন পর পর দেখা যায়? ব্যাখ্যা কর।চাঁদকে কেন উপগ্রহ বলা হয়?তথ্য আদান-প্রদানে কোন উপগ্রহটি ব্যবহৃত হয়? ব্যাখ্যা কর। অথবা, তথ্য আদান-প্রদান ও অন্যান্য কাজে যে উপগ্রহ ব্যবহার করা হয় তার ব্যাখ্যা কর। অথবা, গোয়েন্দা নজরদারিতে কোন উপগ্রহটি ব্যবহার করা হয়? ব্যাখ্যা কর।বুধ গ্রহ বায়ুমণ্ডল ধরে রাখতে পারে না কেন? ব্যাখ্যা কর।পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরে কেন? ব্যাখ্যা কর।পৃথিবী গ্রহটি প্রাণিকুলের বসবাসের জন্য উপযোগী কেন?চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে ঘোরার কারণ ব্যাখ্যা কর।মঙ্গল গ্রহে পানির অস্তিত্ব থাকা সত্ত্বেও প্রাণীর অস্তিত্ব নেই কেন? ব্যাখ্যা কর।মঙ্গল গ্রহে প্রাণীর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয় কেন? অথবা, মঙ্গল গ্রহে প্রাণীর অস্তিত্ব নেই কেন?পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু একটি চাপা এবং মধ্যভাগ সামান্য স্ফীত কেন? ব্যাখ্যা কর।পৃথিবীর বৃহত্তম রেখা কোনটি? ব্যাখ্যা কর।নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর আবর্তন বেগ বেশি হওয়ার কারণ কী? ব্যাখ্যা কর। অথবা, নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর ঘূর্ণায়ন বেগ সবচেয়ে বেশি কেন? ব্যাখ্যা কর। অথবা, পৃথিবীর মধ্যভাগে আবর্তন বেগ বেশি হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।সময় নির্ণয়ে দ্রাঘিমা রেখা কেন ব্যবহার করা হয়? ব্যাখ্যা কর।আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা আঁকাবাঁকা টানা হয়েছে কেন? ব্যাখ্যা কর। অথবা, তারিখ বিভাজনকারী রেখা আঁকাবাঁকা কেন? ব্যাখ্যা কর। অথবা, কোন কাল্পনিক রেখা আঁকাবাঁকা করে অঙ্কন করা হয়? ব্যাখ্যা কর।দিবা-রাত্রি সংঘটিত হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।আহ্নিক গতির ফলে পৃথিবীতে জোয়ারভাটা হয়- বুঝিয়ে লেখ। অথবা, পৃথিবীর কোন গতির সাথে জোয়ারভাটার সম্পর্ক রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।প্রতি চার বছরে ফেব্রুয়ারি মাস ২৯ দিনে হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।রাত ও দিন ছোট বড় হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।কোন গতির কারণে দিনরাত ঘটে? ব্যাখ্যা কর।৩০ জুন উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ