- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- নবম-দশম শ্রেণি
- অর্থনৈতিক নির্দেশকসমূহ ও বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রকৃতি
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
জাতীয় অর্থনীতির খাতসমূহ ও মোট দেশজ উৎপাদনে এগুলোর অবদান
অর্থনীতির খাত বলতে বোঝায় অর্থনীতির বিভিন্ন অংশ, বিভাগ বা শাখা। বিশ্বের যে কোনো অর্থনীতিকে প্রধান তিনটি খাতে ভাগ করা হয়: কৃষি, শিল্প ও সেবাখাত। ভূমি ও ভূমি থেকে উৎপন্ন সবকিছু শস্য ও ফলমূল, শাকসবজি, বনজ সম্পদ, পশু ও মৎস্যসম্পদ প্রভৃতি কৃষিখাতের অন্তর্গত। বৃহদায়তন ও ক্ষুদ্রায়তন শিল্প, সব ধরনের নির্মাণ, খনিজ দ্রব্যাদি সংক্রান্ত সকল কাজ শিল্প খাতের অন্তর্গত। অবশিষ্ট সকল ক্ষেত্র, যেমন- শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিনোদন, ব্যাংক, বিমা, হোটেল-রেস্তোরাঁ, ডাক, তার, যোগাযোগ ও পরিবহণ এসব কিছুই সেবা খাতের আওতাধীন। তবে বিভিন্ন দেশে বাজেট বরাদ্দ এবং কাজ করার সুবিধার জন্য এ তিনটি প্রধান খাতের প্রত্যেকটিকে আবার কিছু সংখ্যক উপখাতে ভাগ করা হয়। বাংলাদেশের অর্থনীতিকে মোট তিনটি খাত ও ১৯টি প্রধান উপখাতে ভাগ করা হয়। এই ১৯ টি খাত হচ্ছে -
সারণি-১
১৯টি প্রধান উপখাত ও মোট দেশজ উৎপাদনে অর্থনীতির খাতওয়ারি অবদানের হার (২০২২-২০২৩)
সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪, অর্থ মন্ত্রণালয়
তবে এ ১৯টি খাতকে ৩টি বৃহত্তর খাতে সমন্বিত করা যায়, যেমন- কৃষি, শিল্প ও সেবাখাত।
কৃষিখাত: কৃষিখাতে রয়েছে কৃষি, বনজ ও প্রণি সম্পদ। বৃহত্তর অর্থে মৎস্যসম্পদও কৃষিখাতের অন্তর্গত।
শিল্প ও বাণিজ্যখাত: শিল্পখাতের মধ্যে রয়েছে ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বৃহৎ শিল্প। তবে বৃহত্তর অর্থে খনিজ ও খনন, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানিসম্পদ এবং নির্মাণ এই খাতগুলোকেও শিল্পখাতের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য এবং রিয়েল এস্টেট, ভাড়া ও অন্যান্য ব্যবসায়-এ খাতের আওতায় পড়ে।
সেবাখাত: হোটেল ও রেস্তোরাঁ, পরিবহন, সংরক্ষণ ও যোগাযোগ; আর্থিক প্রাতিষ্ঠানিক সেবা (ব্যাংক ও বিমা) ইত্যাদি সেবাখাতের অন্তর্ভুক্ত। লোক প্রশাসন ও প্রতিরক্ষা শিক্ষা স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা: কমিউনিটি, সামাজিক ও ব্যক্তিগত সেবা এগুলো এ খাতের আওতাভুক্ত।
অর্থনৈতিক নির্দেশকসমূহ ও বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রকৃতি - অনন্যা প্রশ্ন
সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ

