• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন অঙ্গ ও প্রশাসন ব্যবস্থা
বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন অঙ্গ ও প্রশাসন ব্যবস্থা

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

বাংলাদেশের প্রশাসন ব্যবস্থা

একটি দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা ও সমৃদ্ধির জন্য সুষ্ঠু প্রশাসনিক ব্যবস্থা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। প্রশাসনিক শিথিলতা নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির জন্ম দিতে পারে। প্রশাসনিক কার্যক্রমের যথাযথ বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন প্রশাসনের সাথে জনগণের সহযোগিতা। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ বিজয় অর্জন করে। স্বাধীনতার পূর্বে বাংলাদেশ ছিল পাকিস্তানের অধীনে একটি প্রদেশ। এদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থা ছিল প্রাদেশিক। পাকিস্তান শাসনামলে এদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থা গণমুখী হয়ে ওঠেনি। স্বাধীনতার পর পুরাতন প্রশাসনিক ব্যবস্থা অনেকটা যুগোপযোগী করার প্রয়োজন পড়ে। প্রশাসনিক ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রীয় পদ্ধতির পরিবর্তে এককেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়। বর্তমান বাংলাদেশের প্রশাসনিক স্তরগুলো হলো: ১. কেন্দ্র, ২. বিভাগ, ৩. জেলা ও ৪. উপজেলা এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ বা অধিদপ্তর নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের প্রশাসন ব্যবস্থা গঠিত। শাসনসংক্রান্ত এক বা একাধিক বিভাগ একটি মন্ত্রণালয়ের ওপর ন্যস্ত। একটি মন্ত্রণালয়ের প্রধান হলেন মন্ত্রী। আর সচিব হচ্ছেন মন্ত্রণালয়ের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা। প্রতিটি বিভাগের বা মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত রয়েছে বিভাগ বা অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের প্রধান হলেন মহাপরিচালক। এছাড়া এসব অধিদপ্তরের অধীনে পূর্ণ বা আধা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, বোর্ড ও কর্পোরেশন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সরকার কর্তৃক গৃহীত আইন, নীতিমালা, কর্মসূচি কিংবা প্রকল্পের বাস্তবায়ন এসব সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। সরকারি কর্মকর্তা তথা আমলাদের প্রশাসন পরিচালনার ভিত্তি হলো সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের জ্ঞান এবং প্রশাসনিক কাজ সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ।

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ