• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচন ব্যবস্থা
বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচন ব্যবস্থা

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

নির্বাচনি অপরাধ

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী নির্বাচনি অপরাধ ও এর দণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। সংক্ষেপে অপরাধসমূহ ও দণ্ডগুলো নিম্নে দেওয়া হলো:

ক. নির্ধারিত নির্বাচনি ব্যয়ের বিধান লঙ্ঘন করা।

খ. ঘুষ গ্রহণ করা।

গ. জাল ভোট দেওয়া বা ছদ্মনামে ভোট দেওয়া।

ঘ. নির্বাচনে প্রভাব খাটানো, জোর জবরদস্তি করে ভোট আদায় করা বা ভোটদানে বাধা সৃষ্টি করা।

ঙ. প্রার্থী বা তার আত্মীয়স্বজনের চরিত্র সম্পর্কে মিথ্যা বলা।

চ. কোনো প্রার্থীর প্রতীক সম্পর্কে মিথ্যা বলা।

ছ. কোনো প্রার্থীর প্রার্থিতা প্রত্যাহার সম্পর্কে মিথ্যা বলা।

জ. জাতি, ধর্ম, বর্ণ ইত্যাদি কারণে কোনো প্রার্থীর পক্ষে বা বিপক্ষে ভোটদান সম্পর্কে বলা।

ঝ. ভোটকেন্দ্রের কোনো ভোটারকে ভোট না দিয়ে যেতে বাধ্য করা।

ঞ. বেআইনী আচরণ করা এবং

ট. সভা ও মিছিলের ওপর আরোপিত নিষেধ লঙ্ঘন দুর্নীতিমূলক অপরাধ। এছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যালট পেপার বা ব্যালট বাক্স নষ্ট করা, কেন্দ্র হতে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া, ব্যালট পেপার জাল করা, ভোটকেন্দ্র দখল এবং ভোটপ্রক্রিয়ায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করাও গুরুতর নির্বাচনি অপরাধ।

সম্পর্কিত বহুনির্বচনী প্রশ্ন সমূহ