- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- পৌরনীতি ও সুশাসন পরিচিতি
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
জাহিন উচ্চ মাধ্যমিকের ছাত্র। সে তার পাঠ্যবিষয় হিসেবে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে বেছে নিয়েছে। এর প্রথমটি রাষ্ট্রে একজন নাগরিক হিসেবে ব্যক্তির কার্যাবলি ও অধিকার সম্পর্কে আলোচনা করে, আর অন্যটি শিক্ষা দেয় কীভাবে একজন নাগরিক আয় ও ব্যয়ের সঠিক জ্ঞান লাভের মাধ্যমে জীবনকে সমৃদ্ধ করবে।
উদ্দীপকে নির্দেশিত প্রথম বিষয়টি অধ্যয়নের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকে নির্দেশিত প্রথম বিষয়টি হচ্ছে পৌরনীতি ও সুশাসন। বর্তমান সময়ে এ বিষয়টি অধ্যয়নের গুরুত্ব অপরিসীম। পৌরনীতি ও সুশাসন হচ্ছে সেই শাস্ত্র যা নাগরিক অধিকার ও কর্তব্যের পাশাপাশি নাগরিক জীবনের সাথে যুক্ত সব প্রতিষ্ঠান ও আচরণ সম্পর্কে আলোচনা করে। সুনাগরিক হিসেবে সুসংহত সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবন লাভ করতে হলে পৌরনীতি ও সুশাসন পাঠের গুরুত্ব অপরিসীম। উদ্দীপকে বর্ণিত প্রথম বিষয়টি নাগরিক হিসেবে ব্যক্তির কার্যাবলি ও অধিকার নিয়ে আলোচনা করে। বিষয়বস্তুর ভিত্তিতে নিঃসন্দেহে বলা যায় এটি পৌরনীতি ও সুশাসন। এ বিষয়টি পাঠের মাধ্যমে নাগরিকতার যাবতীয় দিক সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা যায়। অতীতে নাগরিক জীবনের সূত্রপাত, নাগরিকতার স্বরূপ, বর্তমান যুগে নাগরিকতার ধরন, নাগরিকতা অর্জনের পদ্ধতি এবং ভবিষ্যতে নাগরিকের সম্ভাব্য আচরণ ও কার্যাবলি ইত্যাদি বিষয় পৌরনীতি পাঠের মাধ্যমে জানা যায়। পৌরনীতি ও সুশাসন ব্যক্তিকে সুনাগরিকে পরিণত হওয়ার জন্য অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে জ্ঞানদান করে। একইসঙ্গে কর্তব্য পালনের মাধ্যমে অধিকার ভোগে সচেষ্ট হতে তাগিদ দেয়। এ সচেতনতার ফলে নাগরিকরা রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্বশীল হয়। আদর্শ নাগরিক হতে হলে ব্যক্তির বিচক্ষণতা থাকা প্রয়োজন। পৌরনীতি পাঠের মাধ্যমে নাগরিকরা এ গুণ অর্জন করতে সক্ষম হয়। উপরের আলোচনার ভিত্তিতে একথা জোর দিয়েই বলা যায়, উত্তম নাগরিক হয়ে আদর্শ সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে ভূমিকা রাখার জন্য পৌরনীতি ও সুশাসন পাঠ করা অত্যাবশ্যক।

