- হোম
- একাডেমি
- সাধারণ
- একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
- পৌরনীতি ও সুশাসন পরিচিতি
পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।
উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর
জনাব আয়াজ একজন শিক্ষিত ব্যক্তি। কিন্তু নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে তিনি খুব বেশি সচেতন নন। ভালো বেতনে চাকরি করার সুবাদে তিনি আরাম আয়েশে দিন কাটাচ্ছেন। আয়কর প্রদান ও ভোটদানে তার কোনো সদিচ্ছা নেই। 'সুনাগরিক ও সুশাসন' শীর্ষক এক সেমিনারে যোগদানের পর তার মানসিকতার ব্যাপক পরিবর্তন ঘটে। এখন তিনি মনে করেন, সুনাগরিক হতে হলে প্রত্যেককেই তার দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে জ্ঞান থাকা প্রয়োজন।
আমলাতন্ত্র কী?
আমলাতন্ত্র হলো স্থায়ী, বেতনভুক্ত, দক্ষ ও পেশাদার কর্মচারীদের সমষ্টি যারা সরকারের সিদ্ধান্ত ও নীতি বাস্তবায়ন করে।
মন্তব্য ও আলোচনা (০)
সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ
সুশাসনের সাথে জবাবদিহিতার সম্পর্ক নিরূপণ করো।
সুশাসনের (Good Governance) সাথে জবাবদিহিতার সম্পর্ক নিবিড়। রাষ্ট্রে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা প্রয়োগ ও চর্চার ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা সুশাসনকে নিশ্চিত করে। বাকস্বাধীনতাসহ সকল নাগরিক অধিকার সুরক্ষার ব্যবস্থা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, আইনের অনুশাসন, আইনসভার নিকট শাসন বিভাগের জবাবদিহিতা সুশাসনের পরিচয় বহন করে। আর সুশাসনের ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা হলো প্রথম শর্ত। জবাবদিহিতা না থাকলে দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয় না। ফলে দুর্নীতির প্রকোপ বাড়ে। আইনের অনুশাসনও প্রতিষ্ঠিত হয় না। অর্থাৎ, সুশাসনের জন্য জবাবদিহিতা অপরিহার্য।
"উদ্দীপকে নির্দেশিত বিষয়ের অধ্যয়ন দায়িত্বশীল নাগরিক সৃষ্টিতে সহায়ক" তুমি কি একমত? যুক্তি দাও।
উদ্দীপকে নির্দেশিত বিষয় তথা 'পৌরনীতি ও সুশাসন' অধ্যয়ন দায়িত্বশীল নাগরিক সৃষ্টিতে সহায়ক-আলোচ্য উক্তির সাথে আমি একমত পোষণ করি। পৌরনীতি ও সুশাসনের প্রধান আলোচ্য বিষয় নাগরিক ও নাগরিকতা। পৌরনীতি শুধু নাগরিকের অধিকার নিয়ে নয়, বরং নাগরিকের কর্তব্য নিয়েও আলোচনা করে। আর দায়িত্বশীল নাগরিক মাত্রই নিজেদের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন থাকা উচিত। পৌরনীতি ও সুশাসন নাগরিকতার সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন সংগঠন যেমন- রাজনৈতিক দল, চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী, সরকার, আমলাতন্ত্র প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা করে। আর এগুলোর জ্ঞান ব্যতীত কোনো নাগরিকের নাগরিক জীবন পূর্ণ বিকশিত হয় না। পৌরনীতি ও সুশাসন বর্তমান নাগরিকতার পাশাপাশি উন্নত ভবিষ্যৎ নাগরিকজীবন, যুগোপযোগী সরকার ও রাজনৈতিক কাঠামো প্রভৃতি নিয়েও আলোচনা করে। কেননা এ বিষয়ের জ্ঞান ছাড়া বর্তমান বিশ্বায়নের এ যুগে কারো পক্ষে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠা সম্ভব নয়। সুতরাং বলা যায়, পৌরনীতি ও সুশাসন অধ্যয়ন দায়িত্বশীল নাগরিক সৃষ্টিতে অত্যন্ত সহায়ক।

