• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • পৌরনীতি ও সুশাসন পরিচিতি
পৌরনীতি ও সুশাসন পরিচিতি

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

জনাব আয়াজ একজন শিক্ষিত ব্যক্তি। কিন্তু নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে তিনি খুব বেশি সচেতন নন। ভালো বেতনে চাকরি করার সুবাদে তিনি আরাম আয়েশে দিন কাটাচ্ছেন। আয়কর প্রদান ও ভোটদানে তার কোনো সদিচ্ছা নেই। 'সুনাগরিক ও সুশাসন' শীর্ষক এক সেমিনারে যোগদানের পর তার মানসিকতার ব্যাপক পরিবর্তন ঘটে। এখন তিনি মনে করেন, সুনাগরিক হতে হলে প্রত্যেককেই তার দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে জ্ঞান থাকা প্রয়োজন।

"উদ্দীপকে নির্দেশিত বিষয়ের অধ্যয়ন দায়িত্বশীল নাগরিক সৃষ্টিতে সহায়ক" তুমি কি একমত? যুক্তি দাও।

উদ্দীপকে নির্দেশিত বিষয় তথা 'পৌরনীতি ও সুশাসন' অধ্যয়ন দায়িত্বশীল নাগরিক সৃষ্টিতে সহায়ক-আলোচ্য উক্তির সাথে আমি একমত পোষণ করি। পৌরনীতি ও সুশাসনের প্রধান আলোচ্য বিষয় নাগরিক ও নাগরিকতা। পৌরনীতি শুধু নাগরিকের অধিকার নিয়ে নয়, বরং নাগরিকের কর্তব্য নিয়েও আলোচনা করে। আর দায়িত্বশীল নাগরিক মাত্রই নিজেদের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন থাকা উচিত। পৌরনীতি ও সুশাসন নাগরিকতার সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন সংগঠন যেমন- রাজনৈতিক দল, চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী, সরকার, আমলাতন্ত্র প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা করে। আর এগুলোর জ্ঞান ব্যতীত কোনো নাগরিকের নাগরিক জীবন পূর্ণ বিকশিত হয় না। পৌরনীতি ও সুশাসন বর্তমান নাগরিকতার পাশাপাশি উন্নত ভবিষ্যৎ নাগরিকজীবন, যুগোপযোগী সরকার ও রাজনৈতিক কাঠামো প্রভৃতি নিয়েও আলোচনা করে। কেননা এ বিষয়ের জ্ঞান ছাড়া বর্তমান বিশ্বায়নের এ যুগে কারো পক্ষে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠা সম্ভব নয়। সুতরাং বলা যায়, পৌরনীতি ও সুশাসন অধ্যয়ন দায়িত্বশীল নাগরিক সৃষ্টিতে অত্যন্ত সহায়ক।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()