• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
  • পৌরনীতি ও সুশাসন পরিচিতি
পৌরনীতি ও সুশাসন পরিচিতি

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

জনাব সানিউল ইসলাম উচ্চপদস্থ বেসরকারি কর্মকর্তা। গাড়ির রেজিস্ট্রেশনের জন্য তিনি বিআরটিএ (Bangladesh Road Transport Authority) অফিসে যান। নির্ধারিত ফরম পূরণ ও টাকা জমা দেন। কয়েক দিনের মধ্যে তিনি মোবাইলে খুদে বার্তায় জানতে পারেন তার গাড়ির কাগজপত্র প্রস্তুত হয়ে গেছে।

জবাবদিহিতা কাকে বলে?

জবাবদিহিতা হলো কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিজের সম্পাদিত কাজ সম্পর্কে ব্যাখ্যাদানের বাধ্যবাধকতা।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()

সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর সমূহ

#

পৌরনীতিকে কেন 'নাগরিকতার বিজ্ঞান' বলা হয়?

নাগরিক ও নাগরিক জীবনের সাথে জড়িত সব বিষয় আলোচনা করে বলে পৌরনীতিকে নাগরিকতার বিজ্ঞান বলা হয়। নাগরিক জীবনের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রকার কার্যকলাপ নিয়ে পৌরনীতি অনুশীলন চালায়। নাগরিকের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ জীবনের সাথে জড়িত ঘটনাবলি ও কার্যকলাপ এ শাস্ত্রে আলোচিত হয়। নাগরিক জীবনের সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, ধর্মীয় ও নৈতিক তথা সার্বিক দিকের আলোচনা পৌরনীতির বিষয়বস্তু। এসব কারণে পৌরনীতিকে নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান বলা হয়।

#

উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনা তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন বিষয়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনা আমার পাঠ্যবইয়ের সুশাসনের সাথে সম্পর্কযুক্ত। সরকারি কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং জনগণের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে পরিচালিত শাসনই সুশাসন (Good Governance)। সুশাসনে জনগণের চাহিদা কী তা জানার আগ্রহ ও দক্ষতা সরকারের থাকে। সরকার আন্তরিকভাবে এসব চাহিদা পূরণে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে। উদ্দীপকে সরকারের একটি বিভাগের কার্যক্রমের মাধ্যমে সুশাসনের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। উদ্দীপকে দেখা যাচ্ছে, জনাব সানিউল ইসলাম তার গাড়ির রেজিস্ট্রেশনের জন্য বিআরটিএ (Bangladesh Road Transport Authority) অফিসে যান এবং সব কাজ কোনো প্রকার হয়রানি ছাড়াই শেষ করেন। বিআরটিএ কর্মকর্তারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তার কাগজপত্র ঠিক করে দেন। বিআরটিএ কর্মকর্তাদের এই কাজের মাধ্যমে তাদের দায়িত্বশীলতা ও দক্ষতা লক্ষ করা যায় যা সুশাসনের বৈশিষ্ট্যগুলোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। অতএব আমরা বলতে পারি, সানিউল ইসলামকে বিআরটিএ কর্মকর্তারা যেভাবে নিয়মানুগভাবে হয়রানি ছাড়া সেবা দিয়েছেন তার মধ্যে সুশাসনের কার্যকারিতার চিত্র পাওয়া যায়।

#

বিআরটিএ অফিসের কর্মতৎপরতা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক-বিশ্লেষণ করো।

উদ্দীপকের জনাব সানিউল ইসলামের গাড়ির রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত কার্যাবলি সম্পাদনে বিআরটিএ (Bangladesh Road Transport Authority) অফিসের ইতিবাচক কর্মতৎপরতা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। বিআরটিএ কার্যালয়ে সাধারণত সাধারণ মানুষকে সেবা পেতে বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়। সেখানে সুশাসন নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে বলে উচ্চপদস্থ বেসরকারি কর্মকর্তা ঝামেলাহীনভাবে তার গাড়ির কাগজপত্র করিয়ে নিতে পারেন। কোনো বিশেষ চেষ্টাচরিত্র ছাড়াই তিনি মুঠোফোনে বার্তার মাধ্যমে কাজ হয়ে যাওয়ার খবর পান। রাষ্ট্র পরিচালনায় সুশাসন বজায় থাকলে সরকারি কর্মকর্তারা নিজেকে জনগণের সেবক মনে করেন এবং সব কাজের জন্য কর্তৃপক্ষ ও জনগণের কাছে জবাবদিহি করার মানসিকতা পোষণ করেন। সানিউল ইসলামের গাড়ির রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত কাজের ক্ষেত্রে তারই দৃষ্টান্ত দেখা যায়। বিআরটিএ কর্মকর্তারা দায়িত্বশীলতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে নিজেদের কাজ পালন করেছেন যা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক। সুতরাং আমরা বলতে পারি, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজেদের নির্ধারিত কাজ ঠিকমত করলে তা দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করবে।