• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • বাংলাদেশের স্বাধীনতা
বাংলাদেশের স্বাধীনতা

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

রফিক তার বাবার সাথে একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে দেখতে পেল। যে, একটি সরকারের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে। তাদের কার্যক্রমের বর্ণনা শুনে রফিকের ইতিহাস জানার কৌতূহল বেড়ে গেল। সে প্রধান অতিথির বক্তব্য থেকে জানতে পারল- এই সরকারের নেতৃত্বেই বাংলাদেশ রাষ্ট্রটির জন্ম হয়। অন্য আরেকদিন তারামন বিবির স্মরণসভায় গিয়ে সে জানতে পারল যে, তার মতো। আরো অনেক সাহসী মা-বোনের ত্যাগের মাধ্যমে দেশমাতৃকার যুদ্ধে সফলতা অর্জিত হয়েছে।

উদ্দীপকে যে সরকারের কথা বলা হয়েছে তার গঠন কাঠামো ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপকে মুজিবনগর সরকারের কথা বলা হয়েছে।

১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ মেজর জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রে থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তিনি ২৭শে মার্চ তারিখে বা শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে আবারও স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। এর কয়েকদিন পর ১০ই এপ্রিল মুক্তিযুন্ম্পকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা এবং এর পক্ষে বিশ্বসম্প্রদায়ের সমর্থন আদায়ের অন্য মেয়েরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায় 'মুজিবনগর সরকার' গঠন করা হয়। বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ চারজন সহযোগী এ সরকারের শীর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে "বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র" পাঠ করা হয় এবং সরকারের সদস্যরা শপথ নেন।

উদ্দীপকেও এমন একটি সরকারের কথা বলা হয়েছে যার নেতৃত্বে বাংলাদেশ রাষ্ট্রটির জন্মা হয়। উদ্দীপকে বর্ণিত সরকারের সাথে মুজিবনগর সরকারের মিল রয়েছে। এ সরকারের গঠন কাঠামো ডিল রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক: বকাব্য শেখ মুজিবুর রহমান; উপ-রাষ্ট্রপতি: সৈাদে নজরুল ইসলাম (অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি); প্রধানমন্ত্রী: অজউদ্দীন আজাদ; অর্থমন্ত্রী: এস, মনসুর আলী; স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী: এ.এইচ. এম কামারুজ্জামান; পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রী; খন্দকার মোশতাক আহমেদ। বফাকন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সে সময় পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি থাকায় উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সরকারের সৃষ্ট দিক নিদেশনার বদৌলতেই বাংলাদেশ মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জন করে।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()