• হোম
  • একাডেমি
  • সাধারণ
  • নবম-দশম শ্রেণি
  • বাংলাদেশের স্বাধীনতা
বাংলাদেশের স্বাধীনতা

পাঠ্যবিষয় ও অধ্যায়ভিত্তিক একাডেমিক প্রস্তুতির জন্য আমাদের উন্মুক্ত শিক্ষায় অংশগ্রহণ করুন।

Back

উদ্দীপক ও প্রশ্নোত্তর

চোখের সামনে রাজাকার, আলবদররা সখিনার স্বামী আর সন্তানকে হত্যা করে এবং তাকে ক্যাম্প নিয়ে গিয়ে তার ওপর পাশবিক নির্যাতন চালায়। প্রতিশোধের আগুনে প্রজ্জ্বলিত হয় সখিনা। একদিন সে বুকে পিঠে বোমা বেধে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পাক ক্যাম্পটি ধ্বংস করে দেয়। এভাবে সখিনার মতো নারীর আত্মত্যাগে রচিত হয় মুক্তিযুদ্ধের আরো একটি সাফল্য গাথা। এমনিভাবে সর্বস্তরের বাঙালির অংশগ্রহণে গণযুদ্ধের মাধ্যমেই আমরা পেয়েছি স্বাধীন বাংলাদেশ।

সখিনার আত্মত্যাগ মুক্তিযুদ্ধে নারীদের ভূমিকা মূল্যায়নের। একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ- ব্যাখ্যা করো।

সখিনার আত্মত্যাগ মুক্তিযুদ্ধে নারীদের ভূমিকা মূল্যায়নের একটি যথার্থ উদাহরণ।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নারীরা গৌরবজ্জ্বল ভূমিকা রেখেছিলো। ১৯৭১ সালে মার্চের শুরু থেকেই প্রতিটি অঞ্চলে সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হলে নারী বিশেষত ছাত্রীরা মতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে। মুক্তিযোদ্ধা শিবিরে অস্ত্র চালনা এবং গেরিলা যুদ্ধের প্রশিক্ষণ নিয়ে একদিকে যেমন তারা সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়; অন্যদিকে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা শুশ্রুষা, আশ্রয়দান ও তথ্য সরবরাহের মাধ্যমেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এছাড়াও মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকসেনা কর্তৃক প্রায় তিন লক্ষ নারী ধর্ষিত হয় যারা পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধাদের সহযাত্রী ছিলো। তাদের এই ত্যাগের স্বীকৃতি স্বরূণ ধীরাজানা উপাধিতে ভূষিত করা হয়'। উদ্দীপকের সখিনাও সে রকম একজন বীরাঙ্গনা। মুক্তিযুদ্ধের সময় তার স্বামী ও সন্তানকে তার সামনে হত্যা করা হ্যা এবং ক্যাম্পে নিয়ে সখিনাকে পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়। পরবর্তীতে সখিনা বুকে পিঠে বোমা বেঁধে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পাক ক্যাম্প ধ্বংস করে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে রচনা করেন নারীদের এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। তাই বলা যায়, সখিনার আত্মত্যাগের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধে নারীর ভূমিকাকে মূল্যায়ন করা যায়।

শেয়ার :

বুকমার্ক করুন

মন্তব্য ও আলোচনা ()